• বিদেশ ডেস্ক
  • ১৮ ডিসেম্বর ২০১৯ ১৮:২৮:৩১
  • ১৮ ডিসেম্বর ২০১৯ ১৮:৪৫:৩১
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

অ্যাসাঞ্জকে অস্ট্রেলিয়ায় ফেরাতে শতাধিক চিকিৎসকের চিঠি

জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ। ছবি: সংগৃহীত

জরুরি চিকিৎসা সেবার জন্য জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে তার নিজ দেশ অস্ট্রেলিয়ায় ফিরিয়ে নেয়ার দাবি জানিয়েছে শতাধিক চিকিৎসকের একটি দল। অ্যাসাঞ্জ জেলেই মৃত্যুবরণ করতে পারেন এমন আশঙ্কার কথা জানিয়ে চিকিৎসকের এই দলটি বলছে, এখনই বন্ধ করতে হবে অত্যাচার।

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ম্যারিস পেইনকে লেখা এক খোলা চিটিতে চিকিৎসকের ওই দলটি দাবি করছে, অ্যাসাঞ্জের জীবন প্রচণ্ড ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে এবং তাকে অত্যাচার করা হয়েছে।

জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ বর্তমানে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্বলিত লন্ডনের বেলমার্শ জেলখানায় একটি শুনানির জন্য অপেক্ষা করছেন। উইকিলিকস প্রতিষ্ঠাতা অ্যাসাঞ্জ (৪৮) যুক্তরাষ্ট্রে ১৮টি মামলার বিরুদ্ধে লড়বেন।

জরুরি চিকিৎসা সেবার জন্য বিভিন্ন দেশের একশ’রও বেশি চিকিৎসক কারারুদ্ধ উইকিলিকস প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে দেশে ফিরিয়ে নিতে অস্ট্রেলিয়াকে জোর তৎপরতা চালানোর দাবি জানিয়েছেন।

চিঠির ভাষা বলছে, ‘ব্রিটিশ কারাগারে অ্যাসাঞ্জ মারা যাবেন, মানুষ জানতে চাইবে, মন্ত্রী, আপনি তার মৃত্যু ঠেকাতে কি ব্যবস্থা নিয়েছেন।’

আসছে ফেব্রুয়ারিতে একটি পূর্ণাঙ্গ শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। উইকিলিকস প্রতিষ্ঠাতাকে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানোর বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে যেখানে কম্পিউটারে অনধিকার প্রবেশসহ তার বিরুদ্ধে ১৮টি মামলা রয়েছে।

একটি বিদেশি সরকার কর্তৃক তার চিকিৎসা সেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেন চিকিৎসকরা।

চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘ঐতিহাসিক নজির এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত অসংখ্য রুপান্তরকারী লাইনের বিপরীতে ওই নাগরিকের নিজস্ব সরকার হস্তক্ষেপ করতে অস্বীকার করা আরো গুরুতর বিষয়।’

অত্যাচার বিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি নিলস মেলসারের বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করেন তারা। মেলসার বলেন, অ্যাসাঞ্জকে মানসিকভাবে অত্যাচার করা হয়েছে।

ডায়গনস্টিক রেডিওলজি বিশেষজ্ঞ স্টেফেন ফ্রস্ট বলেন, এটা বিশ্বাসের বাইরে যে চিকিৎসকদেরকে অস্ট্রেলিয়ান এবং যুক্তরাজ্যের সরকারের কাছে দাবি জানাতে হচ্ছে একজন অত্যাচারিত ভিকটিমের চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য।

‘অত্যাচার এখনই বন্ধ করতে হবে এবং দেরি হয়ে যাওয়ার আগে অ্যাসাঞ্জকে অবিলম্বে চিকিৎসা সেবা প্রদান করতে হবে’, বলেন ডা ফ্রস্ট।

অস্ট্রেলিয়ান চিকিৎসক এবং সাবেক রাজনীতিবিদ আর্থার চেস্টারফিল্ড-এভান্স বলেন, এটা খুবই হতাশাজনক যে অ্যাসাঞ্জের চিকিৎসা সেবা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

‘কর্তৃত্ববাদী শাসনে যারা ভয়-ভীতি দেখিয়ে এবং আইনী প্রক্রিয়ায় সাংবাদিককে স্তব্ধ করে দিতে চায় তাদের বিপরীতে যদি অস্ট্রেলিয়া সত্যের সার্বজনীন নৈতিক মূল্যবোধে বিশ্বাস করে তবে তাকে অবশ্যই জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে রক্ষা করতে হবে, তার জীবন এবং তার স্বাস্থ্য রক্ষা করতে হবে’, বলেন তিনি।

নভেম্বরে অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, ইউরোপ এবং শ্রীলঙ্কার চিকিৎসকরা অ্যাসাঞ্জের স্বাস্থ্যের ব্যাপারে ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র সচিব প্রীতি প্যাটেলকে লিখিতভাবে উদ্বেগের কথা জানান। ৬০ জনের বেশি চিকিৎসক তাকে একটি বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে স্থানান্তরের আর্জি জানান কিন্তু তা ধোপে টেকেনি।

জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের দীর্ঘ আইনী লড়াই

২০০৬

একটি নিরাপদ উপায়ে তথ্য ফাঁস করতে হুইসেলব্লোয়ারদের জন্য সমমনা অ্যাক্টিভিস্ট এবং আইটি বিশেষেজ্ঞের একটি দল নিয়ে অ্যাসাঞ্জ উইকিলিকস প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি দ্রুতই এর প্রধান হয়ে উঠেন এবং সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হন।

২০১০

মার্চ: যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃপক্ষ সাবেক আর্মি ইনটেলিজেন্স বিশেষজ্ঞ চেলসি ম্যানিংয়ের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের ক্লাসিফাইড কম্পিউটার হ্যাক করার ষড়যন্ত্রে জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে অভিযুক্ত করে।

জুলাই: উইকিলিকস হাজার হাজার অতি গোপনীয় ডকুমেন্ট প্রকাশ করতে শুরু করে। এর মধ্যে রয়েছে ২০০৭ সালে বাগদাদে ১২ জন বেসামরিক নাগরিককে গুলি করে যুক্তরাষ্ট্রের হেলিকপ্টার থেকে। এরপর মার্কিন মিলিটারির আফগান যুদ্ধের ৯০ হাজার ফাইল এবং ইরাকের ৪ লাখ ডকুমেন্ট প্রকাশ করে।

অগাস্ট:  দুই সুইডিশ নারী দাবি করেন, তারা প্রত্যেকে অ্যাসাঞ্জের সঙ্গে সম্মতিসূচক দৈহিক মিলনে আবদ্ধ হয়েছিলেন যখন অ্যাসাঞ্জ স্টোকহোমে দশ দিনের সফরে ছিলেন। তারা অভিযোগ করেন, দৈহিক মিলন অসম্মতিসূচক হয়ে যায় যখন অ্যাসাঞ্জ কনডম পড়তে অনিচ্ছুক ছিলেন।

প্রথম নারী দাবি করেন, অ্যাসাঞ্জ স্টোকহোমে তার বাসায় ছিলেন যখন তিনি তার জামাকাপড় ছিঁড়ে ফেলেন। তিনি পুলিশকে বলেন, যখন তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে অ্যাসাঞ্জ তার সঙ্গে অরক্ষিত মিলনে আবদ্ধ হতে চাইছে তখন তিনি তাকে কনডম ব্যবহারের জন্য বলেন। তিনি দাবি করেন মিলনের আগে অ্যাসাঞ্জ কনডম ছিঁড়ে ফেলেন।

দ্বিতীয় সুইডিশ নারী দাবি করেন, স্টোকহোমে তার বাসায় অ্যাসাঞ্জের সঙ্গে দৈহিক মিলনে আবদ্ধ হয়েছিলেন এবং তিনি তাকে কনডম পড়াতে সক্ষম হয়েছিলেন। তিনি অভিযোগ করেন, টের পাওয়ার পরে তিনি দেখতে পান অ্যাসাঞ্জ তার সঙ্গে অরক্ষিত দৈহিক মিলনে আবদ্ধ হয়েছেন।

স্টোকহোমে পুলিশ অ্যাসাঞ্জকে জিজ্ঞাসবাদ করে এবং তিনি সেই অভিযোগগুলো প্রত্যাখান করেন। পরে সুইডিশ কর্তৃপক্ষ অ্যাসাঞ্জকে যুক্তরাজ্যে যাওয়ার অনুমতি দেয়।

নভেম্বর: একটি সুইডিশ আদালত রুল জারি করে যে তদন্ত পুনরায় খোলা উচিত এবং ধর্ষণ, যৌন শ্লীলতাহানি এবং অবৈধ জবরদস্তির অভিযোগ সন্দেহে অ্যাসাঞ্জকে আটক করার পরামর্শ দেয়। ইন্টারপোলের মাধ্যমে সুইডিশ পুলিশ একটি আন্তর্জাতিক অ্যারেস্ট ওয়ারেন্ট জারি করে।

উইকিলিকস আড়াই লাখের বেশি মার্কিন কূটনৈতিক ক্যাবল প্রকাশ করে।

ডিসেম্বর: অ্যাসাঞ্জ লন্ডন পুলিশের কাছে নিজেকে উপস্থাপন করেন এবং বহি:সমর্পন শুনানিতে উপস্থিত হন যেখানে হাজতে তাকে রিমান্ডে নেয়া হয়। কমপক্ষে আড়াই লাখ ইউরো নগদ প্রদানে লন্ডনের উচ্চ আদালত অ্যাসাঞ্জকে শর্ত সাপেক্ষে জামিন দেয়।

২০১১

ফেব্রুয়ারি: একজন ব্রিটিশ বিচারক রুল জারি করেন অ্যাসাঞ্জকে সুইডেনে পাঠানোর, কিন্তু উইকিলিকস ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যান।

এপ্রিল: কুবার গুয়ান্তানামো কারাগারের ৭৭৯ জনের একটি অ্যাসেসমেন্টসহ উইকিলিকস মার্কিন মিলিটারির ক্লাসিফাইড ডকুমেন্ট প্রকাশ করে।

নভেম্বর: অ্যাসাঞ্জ উচ্চ আদালতে প্রত্যর্পণের বিরুদ্ধে আপিলে হেরে যান।

২০১২

জুন: অ্যাসাঞ্জ লন্ডনে একুয়াদোরিয়ান এম্বেসিতে যান এবং রাজনৈতিক আশ্রয়ের জন্য আবেদন করেন।

অগাস্ট: একুয়াদর কর্তৃক অ্যাসাঞ্জের রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন গৃহীত হয়।

২০১৩

জুন: অ্যাসাঞ্জ সাংবাদিকদের বলেন, তিনি এম্বেসি ত্যাগ করবেন না যদিও তার বিরুদ্ধে আনীত যৌন হয়রানির অভিযোগ নিষ্পত্তি হয়। তিনি বলেন, তাকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যর্পণ করা হতে পারে।

২০১৫

অগাস্ট: সময় স্বল্পতার কারণে সুইডিশ প্রসিকিউটরা অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগের তদন্ত স্থগতি করে।

২০১৬

জুলাই: উইকিলিকস যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্রাটিক পার্টির কমর্কতাদের ইমেল ফাঁস করে দেয়া শুরু করে।

নভেম্বর: সুইডেনের সহকারী প্রসিকিউটর ইনগ্রিদ ইসগ্রেন এবং পুলিশ ইন্সপেক্টর সিসিলিয়া রেদেলের উপস্থিতিতে একুয়াদোরিয়ান এম্বেসিতে অ্যাসাঞ্জকে যৌন হয়রানির অভিযোগের বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়। দুই দিনব্যাপী চলে এ প্রশ্নপর্ব।

২০১৭

জানুয়ারি: বারাক ওবামা হুইসেলব্লোয়ার চেলসি ম্যানিংকে জেল থেকে মুক্ত করার বিষয়ে একমত হন। তার মুক্ত হওয়ার দোদুল্যমানতা জল্পনা তৈরি করে যে অ্যাসাঞ্জ তার স্বেচ্ছা নির্বাসনের সমাপ্তি টানবেন এবং যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যার্পণের বিষয়ে একমত হবেন।

এপ্রিল: লেনিন মোরেনো একুয়াদরের নতুন প্রেসিডেন্ট হন, যিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তার দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে চান।

মে: অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে আনীত যৌন হয়রানির অভিযোগ সুইডিশ প্রসিকিউটরা স্থগিত করেন।

২০১৮

জানুয়ারি: অনুরোধের পর অ্যাসাঞ্জকে নাগরিকত্ব দেয়ার ব্যাপারে একুয়াদর নিশ্চিত করে।

ফেব্রুয়ারি: পামেলা এন্ডারসন এবং নোবেল শান্তি পুরষ্কার বিজয়ী এডোলফো পেরেজ এসকিভেল তাকে দেখতে যান।

মার্চ: অন্য রাষ্ট্র সম্পর্কিত বার্তা না পাঠানোর যে প্রতিজ্ঞা তিনি আগের বছর করেছিলেন তা না মানায় একুয়াদোরিয়ান এম্বেসি অ্যাসাঞ্জের ইন্টারনেট ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।

অগাস্ট: ২০১৬ সালের নির্বাচনে রুশ হস্তক্ষেপ সম্পর্কিত প্রশ্নের জন্য যুক্তরাষ্ট্র সিনেট কমিটি অ্যাসাঞ্জের সাক্ষাৎকার নেয়ার জন্য তৎপরতা চালান।

সেপ্টেম্বর: উইকিলিকস সম্পাদনা থেকে অ্যাসাঞ্জ দূরে সরে যান।

অক্টোবর: ‘মুক্তি এবং অধিকার’ খর্ব করার অভিযোগে অ্যাসাঞ্জ জানান, তিনি একুয়াদর সরকারের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেবেন।

নভেম্বর: যুক্তরাষ্ট্র বিচার বিভাগ একটি আদালতের নথিতে অসাবধানবশত অ্যাসাঞ্জের নাম তোলে যেটি বলে যে তাঁকে গোপনে চার্জভূক্ত করা হয়েছে।

২০১৯

জানুয়ারি: অ্যাসাঞ্জের আইনজীবীরা বলেন, তারা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রশাসনকে ‘গোপনে নথিভূক্ত’ হওয়ার বিষয়টি প্রকাশ করতে পদক্ষেপ নেবেন।

এপ্রিল ৬: উইকিলিকস এক টুইট বার্তায় জানায়, একুয়াদরের এক শীর্ষ সূত্র তাদের বলেছে অ্যাসাঞ্জকে যেকোনো মুহূর্তে এম্বেসি থেকে বহিষ্কার করা হবে। কিন্তু একুয়াদরের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, লন্ডন ভবন থেকে তাকে বহিষ্কারের কোন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি।

এপ্রিল ১১: একুয়াদর অ্যাসাঞ্জের কূটনৈতিক আশ্রয় প্রত্যাহার করে নেয় এবং তিনি মেট্রোপলিটন পুলিশ কর্তৃক গ্রেপ্তার হন। ওয়েস্টমিনিস্টার ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের একজন বিচারক তাকে হাজতে থাকার সময় জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

এপ্রিল ১২: তিনি জামিনে মুক্ত হওয়ার শর্তাবলি ভঙ্গের দায়ে অভিযুক্ত হন।

মে ১: অ্যাসাঞ্জের ১১ মাসের কারাদণ্ড হয়।

মে ২: যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যর্পণের জন্য শুনানি হয়। তিনি আদালতকে বলেন, ওতে তার সম্মতি নেই এবং মামলা মে ৩০ তারিখ পর্যন্ত মূলতবি ঘোষিত হয়।

মে ১৩: সুইডিশ প্রসিকিউটর পুনরায় ধর্ষণ মামলা সামনে এনে জানায় তারা এখনো অ্যাসাঞ্জকে প্রশ্ন করতে চান।

জুন ৩: অনুপস্থিতির জন্য সুইডিশ কোর্ট তার বিরুদ্ধে রুল জারি করে।

জুন ১২: স্বরাষ্ট্র সচিব সাজিদ জাভিদ যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যর্পণ অনুরোধে সম্মতিতে স্বাক্ষর করেন।

জুন ১৩: আগামী বছর ফেব্রুয়ারিতে অ্যাসাঞ্জের প্রত্যর্পণের বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য করা হয়।

নভেম্বর: সুইডিশ প্রসিকিউটর অ্যাসাঞ্জের ওই তদন্ত স্থগিত করে।

নভেম্বর ২৫: চিকিৎসকরা জানান, অ্যাসাঞ্জের সুচিকিৎসা ছাড়া তিনি বেলমার্শ কারাগারে মৃত্যুবরণ করতে পারেন।

ডিসেম্বর ১৩: মামলার মূল প্রমাণ দেখতে অ্যাসাঞ্জকে বাধা দেয়া হয় বলে লন্ডনে শুনানিতে তিনি বলেন।

আপনার মন্তব্য

Page rendered in: 0.0870 seconds.