• বিদেশ ডেস্ক
  • ১০ জানুয়ারি ২০২০ ১৫:১১:২৬
  • ১০ জানুয়ারি ২০২০ ১৫:১১:২৬
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

পশ্চিমা নেতাদের বিশ্বাস ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ইরানে বিমান বিধ্বস্ত

ক্ষেপণাস্ত্রের মাথা যেটি অনলাইনে তোলপাড় তুলেছে। ছবি: সংগৃহীত

ইউক্রেনের যে যাত্রীবাহী বিমানটি উড্ডয়নের খানিকপরে বিধ্বস্ত হয়েছিল সেটি ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ভূপাতিত হয়েছে বলে বিশ্বাস পশ্চিমা দেশগুলোর নেতৃবৃন্দের। তাদের দাবি, প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে ভুল করে ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়ে থাকতে পারে।

ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের আহ্বানও জানিয়েছে তারা। তবে ইরান এই দাবিকে উড়িয়ে দিয়েছে।

গোয়েন্দা সূত্রের উল্লেখ করে দি গার্ডিয়ান বলছে, তাদের প্রাথমিক অনুমান দুটি ক্ষেপণাস্ত্রের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয় ইউক্রেন ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনস ফ্লাইট ৭৫২। বিমানটি ইরানের মাটিতে বুধবার সকালে বিধ্বস্ত হলে ঘটনায় ১৭৬ জন যাত্রী নিহত হয়।

ইরানের অফিসিয়াল সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ শুক্রবার বলেছে, দেশটি বিমান প্রস্তুতকারক বোয়িং থেকে বিশেষজ্ঞদের আমন্ত্রণ জানিয়েছে ঘটনার তদন্ত করার জন্য।

কানাডা এবং যুক্তরাজ্যের নেতারা বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার একটি পূর্ণাঙ্গ তদন্তের আহ্বান জানান।

ইরাকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দুটি সেনাঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কয়েক ঘণ্টা পরেই যাত্রাবাহী বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার খবর আসে বলে বিবিসি জানিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের মিডিয়ার অনুমান, দুর্ঘটনার সময়টি বোঝায় যে মার্কিন যুদ্ধবিমান ভেবে ভুল করা হয়েছে যেহেতু ইরান প্রতিশোধের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল।

মার্কিন গোয়েন্দা সূত্রের উল্লেখ করে সিবিএস নিউজ জানায়, একটি স্যাটেলাইট দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়ার ইনফ্রারেড ‘ব্লিপস’ শনাক্ত করেছে, তারপরে বিষ্ফোরণের আকেটি ব্লিপ এসেছে।

নিউজউইক পেন্টাগন এবং মার্কিন গোয়েন্দা বিভাগের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকতা, ইরাকের গোয়েন্দা কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বলছে, তারা বিশ্বাস করে ইউক্রেনের বিমানটিকে আঘাত হেনেছে একটি রুশ টর মিসাইল।

নিউ ইয়র্ক টাইমস একটি ভিডিও পেয়েছে যাতে দেখা যায় রাতে তেহরানের আকাশে একটি মিসাইল দাপিয়ে বেড়াচ্ছিল এবং এরপর একটি বিমানের সংস্পর্শে এসে বিষ্ফোরতি হয়। প্রায় ১০ সেকেন্ড পরে ভূমিতে একটি বিকট শব্দ শোনা যায়। বিমানটিতে আগুন ধরে যায়।

কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বলেছেন, বিচার না পাওয়া পর্যন্ত তার সরকার ‘ক্ষান্ত দেবে না’। ‘আমাদের গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে, আমাদের মিত্রদের এবং আমাদের নিজেদের যেগুলো বলছে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র দ্বারা বিমানটি ভূপাতিত হয়েছিল। কানাডিয়ানরা উত্তর চায়। এর অর্থ হল স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং বিচার।

একটি বিষ্ফোরণের সূত্র ধরে ক্ষেপণাস্ত্র মারার সঙ্কেত অনুধাবন করেছে পশ্চিমা সংস্থাগুলো।

বৃহস্পতিবার রাতে এক বিবৃতিতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন কানাডার প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিধ্বনি করেছেন। তিনি বলেছেন, আমরা কানাডা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছি এবং সেখানে একটি পূর্ণাঙ্গ ও স্বচ্ছ তদন্ত প্রয়োজন রয়েছে।

বাংলা/এনএডি

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0195 seconds.