• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ১৩ জানুয়ারি ২০২০ ১৫:০৪:৫৯
  • ১৩ জানুয়ারি ২০২০ ১৭:১৭:১৯
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

ক্যাসিনোকাণ্ডে ধনকুবের এনু-রূপন গ্রেপ্তার

ছবি : সংগৃহীত

ক্যাসিনোকাণ্ডের মামলায় পলাতক শীর্ষ দুই আসামিকে বিপুল পরিমাণ অর্থসহ গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা হলেন- এনামুল হক এনু ভূঁইয়া ও রূপন ভূঁইয়া। তারা একে অপরের ভাই।

সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারুক হোসেন বলেন, ‘সোমবার সকালে রাজধানীতে পৃথক অভিযানে ক্যাসিনো মামলায় পলাতক শীর্ষ আসামি দুই ভাইকে বিপুল পরিমাণ অর্থসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ বিষয়ে আজ দুপুরে সিআইডির সদরদপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে।’

প্রসঙ্গত, গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরু হলে প্রথম দিনই রাজধানীর ইয়াংমেনস ফকিরাপুল ক্লাবে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে গ্রেপ্তার হন ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক (পরে বহিষ্কার করা হয়) খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া।

এরই ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন অভিযানে একে একে গ্রেপ্তার হন কথিত যুবলীগ নেতা ও ঠিকাদার এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীমসহ অনেকেই। গ্রেপ্তার হওয়া এসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে অবৈধভাবে বিপুল অর্থের মালিক হওয়া, অর্থ পাচারসহ নানা অভিযোগ ওঠে। জিজ্ঞাসাবাদে তাদের অপকর্মে সহযোগী ও পৃষ্ঠপোষক হিসেবে সংসদ সদস্য, রাজনীতিক, সরকারি কর্মকর্তাসহ বিভিন্নজনের নাম উঠে আসে। তখনই এই দুই ভাই এনামুল হক এনু ভূঁইয়া ও রূপন ভূঁইয়া আলোচনায় আসেন। তবে শুরু থেকেই তারা পলাতক ছিলেন।

গত বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর এনামুল ও রূপনদের বাসায় এবং তাদের দুই কর্মচারীর বাসায় অভিযান চালায় র‍্যাব। সেখান থেকে পাঁচ কোটি টাকা এবং সাড়ে সাত কেজি সোনা উদ্ধার করা হয়। এরপর সূত্রাপুর ও গেন্ডারিয়া থানায় তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়। একাধিক বার অভিযান চালিয়েও এত দিন তাদের ধরা যায়নি।

এনামুল ও রূপন গত ৬-৭ বছরে পুরান ঢাকায় বাড়ি কিনেছেন কমপক্ষে ১২টি। ফ্ল্যাট কিনেছেন ৬টি। পুরোনো বাড়িসহ কেনা জমিতে গড়ে তুলেছেন নতুন নতুন ইমারত। স্থানীয় লোকজন জানান, এই দুই ভাইয়ের মূল পেশা জুয়া। আর নেশা হলো বাড়ি কেনা।

জুয়ার টাকায় এনামুল ও রূপন কেবল বাড়ি ও ফ্ল্যাটই কেনেননি, ক্ষমতাসীন দলের পদও কেনেন বলে জানা যায়।

২০১৮ সালে এনামুল পান গেন্ডারিয়া থানা আওয়ামী লীগের সহসভাপতির পদ। আর রূপন পান যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের পদ। তাদের পরিবারের ৫ সদস্য, ঘনিষ্ঠজনসহ মোট ১৭ জন আওয়ামী লীগ ও যুবলীগে পদ পান। তারা সরকারি দলের এসব পদ-পদবি জুয়া ও ক্যাসিনো কারবার নির্বিঘ্নে চালানোর ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে আসছিলেন বলে স্থানীয় লোকজন জানান।

সংশ্লিষ্ট বিষয়

ক্যাসিনোকাণ্ড

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0196 seconds.