• বিনোদন ডেস্ক
  • ১৪ জানুয়ারি ২০২০ ১২:৪০:১৫
  • ১৪ জানুয়ারি ২০২০ ১২:৪০:১৫
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

মাহবুবুল খালিদের গানে ধর্ষণ-হত্যার প্রতিবাদ

ছবি : সংগৃহীত

নারী ও শিশু ধর্ষণ এবং হত্যা যেন আজ মহামারীর রূপ পেয়েছে। নরপশুদের লালসা থেকে রক্ষা পাচ্ছেন না কোলের শিশুও। তনু, নুসরাত কিংবা সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীর ঘটনা আমাদের সামনে এই প্রশ্ন তুলে ধরে নারী ধর্ষণ ও হত্যার শেষ কোথায়?

নারীর প্রতি নিষ্ঠুর নির্যাতনে ব্যথিত কবি, গীতিকার ও সুরকার মাহবুবুল এ খালিদ। বিশেষ করে ফেনীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় হতবাক তিনি। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নারী নির্যাতনের প্রতিবাদে তিনি মুখর হয়েছে। মানবতাবাদী এ গীতিকার লিখেছেন ’আর কতোটা লজ্জা ছিনে’ শিরোনামের গান।

এ গানের প্রতিটি শব্দ যেন মানুষরূপী হায়েনাদের প্রতি এক একটি চপেটাঘাত। গানের কথা লেখার পাশাপাশি সুরও দিয়েছেন মাহবুবুল এ খালিদ। আর কন্ঠে ধারণ করেছেন রন্টি দাস।
সম্প্রতি ইউটিউবের ‘খালিদ সংগীত’ চ্যানেলে গানটির একটি ভিডিও মুক্তি দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি মাহবুবুল এ খালিদের নিজস্ব ওয়েবসাইট ‘খালিদ সংগীত’ (www.khalidsangeet.com)-এ গানটি প্রকাশিত হয়েছে। 

এ প্রসঙ্গে মাহবুবুল খালিদ বলেন, নারী ও শিশু ধর্ষণ এবং হত্যা যে কোনো সভ্য সমাজের জন্য কলঙ্ক ও লজ্জার। ধর্ষক কিংবা হত্যাকারীও কোনো না কোনো মায়ের সন্তান। একজন মানুষ যখন কোনো নারীর প্রতি এরূপ অন্যায় করেন, তখন মা হিসেবে সব নারীই লজ্জ্বিত হন, ক্ষুব্ধ হন। সন্তানকে সঠিক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে না পারার আক্ষেপে পোড়েন। আর কী পরিমাণ লজ্জাজনক ঘটনার পর সবার বোধদয় হবে? নিরব প্রতিবাদ করে শুধু চেয়ে চেয়ে দেখা ছাড়া আমাদের কি আর কিছুই করার নেই? এ গানটি আমাদের সামনে এই প্রশ্ন তুলে ধরে। আশা করছি এর মাধ্যমে সবাই সচেতন হবে।

উল্লেখ্য, মাহবুবুল এ খালিদ সমাজসচেতন ও মানবতাবাদী কবি ও সংগীত ব্যক্তিত্ব। শিল্পমনস্ক এ মানুষটি বিভিন্ন ব্যতিক্রমী বিষয় নিয়ে গান লিখে থাকেন। যার মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস, ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব, মানবপ্রেম, মানবতাবাদ, জন সচেতনতা, শিশুতোষ, বাউল, রোমান্টিক ইত্যাদি।

’আর কতোটা লজ্জা ছিনে’ গানটির ইউটিউব লিংক: https://youtu.be/efqWBH6G6H0

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0236 seconds.