• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ১৮ জানুয়ারি ২০২০ ১০:০৬:৫৮
  • ১৮ জানুয়ারি ২০২০ ১১:১১:৫৮
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

তারিখ পরিবর্তন পক্ষে সবাই, অনড় ইসি

ফাইল ছবি

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি নির্বাচনের ভোটের তারিখ পরিবর্তন প্রতিবাদে মুখর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু), শিক্ষক সমিতি, হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন সংগঠন। কারণ ৩০ জানুয়ারি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সরস্বতী পূজা। নির্বাচনে অংশ নেয়া প্রধান রাজনৈতিক দল, প্রার্থীরাও এ বিষয়ে একমত হলেও অনড় অবস্থানে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

এই দাবিতে ঢাবি’র শিক্ষার্থীদের ব্যানারে শাহবাগ মোড় অবরোধ, সভা-সমাবেশের মতো ঘটনা ঘটেছে। শিক্ষার্থীদের কেউ কেউ আমরণ অনশনে বসেছেন, অনেকেই হয়েছেন অসুস্থ। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। এমনকি সাধারণ ভোটারাও এই দাবিকে সমর্থন করছে।

সবার দাবিকে অগ্রাহ্য করে নির্বাচন কমিশন জানান, এই পর্যায়ে এসে এটা সম্ভব না। একই দিনে ভোট ও পূজা অনুষ্ঠানে কোনো সমস্যা হবে না। দুটোই উৎসব। আলাদা আলাদাভাবে তা অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে ১৭ জানুয়ারি, শুক্রবার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জানান, নির্বাচন কমিশন ভোটের তারিখ পরিবর্তন করলে তাদের কোনো আপত্তি থাকবে না। ভোটের তারিখ নির্ধারণে নির্বাচন কমিশনকে আরো সতর্ক হওয়া উচিত ছিল বলেও এর আগে তিনি মন্তব্য করেছিলেন।

শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পূজার দিন ভোটের তারিখ নির্ধারণ করায় এর সমালোচনা করেন। গত কয়েক দিন ধরেই ভোটের তারিখ পরিবর্তনের দাবিটি বিবেচনায় নেয়ার আহ্বান জানিয়ে আসছে বিএনপি।

এমনকি তারিখ পরিবর্তনের পক্ষে মতামত দিয়েছেন প্রধান চার মেয়রপ্রার্থী আওয়ামী লীগের আতিকুল ইসলাম, শেখ ফজলে নূর তাপস এবং বিএনপির তাবিথ আউয়াল, ইশরাক হোসেন।

প্রসঙ্গত, ১৬ জানুয়ারি,  বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচন পেছানোর দাবিতে  আমরণ অনশন শুরু করেন ঢাবি’র প্রায় ৪০ জন শিক্ষার্থী। পরদিন শুক্রবার আমরণ অনশন অন্তত চারজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েন।

বাংলাদেশ হিন্দু মহাজোট আজ এক বিবৃতিতে পূজার দিন ভোট হলে তা বর্জনের জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ কাল সংবাদ সম্মেলন করে তাদের বক্তব্য তুলে ধরবে। এই সংগঠনটি ভোটের তারিখ পরিবর্তনের দাবিতে সোচ্চার।

কমিশনের সূত্র মতে, তাদের কাছে থাকা তথ্যমতে ৫৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একই দিনে ভোট ও পূজা হবে। এ কারণে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পূজা ও ভোট যেন নির্বিঘ্নে হতে পারে সে জন্য ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তনে নির্দেশনা চেয়ে ৬ জানুয়ারি হাইকোর্টে রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অশোক কুমার ঘোষ। ১৪ জানুয়ারি হাইকোর্ট রিট সরাসরি খারিজ করে দেন। অবশ্য বৃহস্পতিবার রিট খারিজের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করা হয়। এ বিষয়ে ১৯ জানুয়ারি, রবিবার আপিলের শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

বাংলা/এনএস

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0289 seconds.