• বিদেশ ডেস্ক
  • ২০ জানুয়ারি ২০২০ ১৮:৫১:১৬
  • ২১ জানুয়ারি ২০২০ ০০:৫৩:৫৫
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

চীনের রহস্যময় ভাইরাসে আক্রান্ত বেড়ে ৩ গুণ

ছবি: বিবিসি থেকে নেয়া

চীনের সেই রহস্যময় ভাইরাসে সংক্রামিত মানুষের সংখ্যা এই সপ্তাহে তিন গুণ বেড়েছে। উহান শহরের হাসপাতালগুলোর বরাতে খবর প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক বার্তাসংস্থা বিবিসি।

২০ জানুয়ারী, সোমবার হাসপাতালগুলোতে শ্বাসকষ্টজনিত অসুস্থতার ১৩৬ টি নতুন কেস রিপোর্ট করা হয়েছে। এছাড়াও রাজধানী বেইজিংয়ে দুটি ও শেনজেন থেকে একটি সংক্রামনের বিষয়ে নিশ্চিত করেছে হাসপাতালগুলো। এখন পর্যন্ত এই রোগের মোট সংক্রমণের সংখ্যা ২০০’র বেশি এবং তিন জন এতে মারা গেছেন বলে জানিয়েছে চীনা সরকার।

স্বাস্থ্য বিষয়ক কর্মকর্তারা সনাক্ত করে বলেন, ‘এই সংক্রমণটি ডিসেম্বর মাসের শুরুতে উহান শহরে এর প্রাদুর্ভাব ঘটায় এবং এটি ছড়ায় করোনা ভাইরাসের স্ট্রেন হিসাবে।’ তারা জানান, এই রহস্যময় রোগটি ভাইরাল নিউমোনিয়ার প্রাদুর্ভাব ঘটায়, তবে এটি সম্পর্কে অনেক কিছুই জানা যায়নি বলে মন্তব্য করেন তারা। যদিও একটি মার্কেট থেকে এই প্রকোপটির উদ্ভব হয়েছে বলে ধারণা করা হলেও স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এবং বিজ্ঞানীরা এখনও কীভাবে ঠিক এটি ছড়িয়ে পড়েছে তা নির্ধারণ করতে পারেনি বলে জানিয়েছেন।

এদিকে দক্ষিণ কোরিয়ায় সোমবার ভাইরাসটির প্রথম নিশ্চিত হওয়া রোগীর খবর পাওয়া গেছে এবং এর পরে থাইল্যান্ডে দুজন এবং জাপানে একজন রোগীর খোঁজ মেলে। এই প্রকোপটি ভয়াবহ সারা ভাইরাসের স্মৃতিগুলিকে পুনরুজ্জীবিত করছে। সারাও একটি করোনভাইরাসও যা ২০০০ সালের গোড়ার দিকে এশিয়ার বেশিরভাগ দেশ জুড়ে ৭৭৪ জনের প্রাণহানি ঘটায়। উল্লেখ্য, নতুন এই ভাইরাসের জিনগত কোড বিশ্লেষণে দেখা যায় যে এটি অন্য কোনও মানব করোনা ভাইরাস থেকে সারসের সাথে আরও নিবিড়ভাবে জড়িত রয়েছে।

প্রসঙ্গত, যুক্তরাজ্যের বিশেষজ্ঞরা বিবিসিকে এর আগে বলেন, ‘সরকারি পরিসংখ্যানগুলোর তুলনায় আক্রান্তদের সংখ্যা এখন আরো বেশি হতে পারে এবং অনুমান অনুসারে তা ১৭০০ এর কাছাকাছি।’

গতকাল, ১৯ ডিসেম্বর রবিবার চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন জানায়, ‘ভাইরাসটি এখনও প্রতিরোধযোগ্য এবং নিয়ন্ত্রণযোগ্য, যখন উৎস ,সংক্রমণ এবং মিউটেশন পদ্ধতি অজানা থাকার কারণে নিবিড় পর্যবেক্ষণ করা দরকার বলে মানুষকে সতর্ক করা হয়েছিল।’ স্বাস্থ্য কমিশন আরো জানায়, ভাইরাসটি এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তিতে ছড়িয়ে যাওয়ার কোনও ঘটনা এখনো ঘটেনি, তবে এটি প্রজাতির বাধা অতিক্রম করে সামুদ্রিক খাবার এবং বন্য প্রাণীর বাজারে থাকা সংক্রামিত কোন প্রাণী থেকে ভাইরাসটি ছড়িয়েছে বলে তাদের ধারণা।

বাংলা/এসজে

সংশ্লিষ্ট বিষয়

ভাইরাস উহান চীন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0285 seconds.