• ফিচার ডেস্ক
  • ২৪ জানুয়ারি ২০২০ ১৩:০৮:১২
  • ২৪ জানুয়ারি ২০২০ ১৩:০৮:১২
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

করোনা ভাইরাসের লক্ষণ ও প্রতিরোধ

ছবি : সংগৃহীত

চীনের করোনা ভাইরাসর আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত ২৫ জন ব্যক্তির মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এছাড়াও ৮০০ অধিক মানুষ এই ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হযেছে। এর মধ্যেই সারা বিশ্বে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। যদিও এই ভাইরাসটির উৎস সম্পর্কে এখনো তেমন কিছু জানা যায়নি।

তবে প্রাথমিকভাবে কিছু লক্ষণ দেখে করোন ভাইরাস রোগিকে সনাক্ত করা হচ্ছে। এই ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির জ্বর, কাশি ও মারাত্মক শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। এই ভাইরাস আক্রান্ত ব্যক্তির কিডনি বিকল করে দিতে পারে, যার ফলে হতে পারে মৃত্যু। তাই এমন লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

এদিকে ২৩ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার চীন থেকে ছড়ানো নতুন ধরনের করোনা ভাইরাস বিশেষ সতর্কতার পরামর্শ দিয়েছে সরকার। লক্ষণ ছাড়াও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে দেয়া এক প্রেস নোটে চারটি সতর্কতা কথাও বলা হয়েছে।

 ভাইরাসটি প্রতিরোধে চারটি পরামর্শ হলো-

১. আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে কমপক্ষে দুই হাত দূরে থাকতে হবে।

২. বার বার প্রয়োজন মতো সাবান পানি দিয়ে হাত ধুতে হবে। বিশেষ করে আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এলে বা ভাইরাস ছড়িয়েছে এমন এলাকা ভ্রমণ করলে এই সতর্কতা নিতে হবে।

৩. জীবিত ও মৃত গবাদি পশু বা বন্য প্রাণী থেকে দূরে থাকতে হবে।

৪. ভ্রমণকারী আক্রান্ত হলে হাঁচি বা কাশির সময় দূরত্ব বজায় রাখা, মুখ ঢেকে হাঁচি বা কাশি দেয়া এবং যেখানে সেখানে থুথু না ফেলা।

এছাড়াও ভ্রমণের সময় বিশেষ করে চীন থেকে বাংলাদেশে ও বাংলাদেশ থেকে চীনে গেলে শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ ঠেকানোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

প্রসঙ্গত, ১৯৬০ সালে প্রথম করোনা ভাইরাস সনাক্ত করা হয়। বিভিন্ন ধরনের করোনা ভাইরাসের মধ্যে মানুষে সংক্রমিত হয় সাতটি ভাইরাস। এই ভাইরাস বিভিন্ন প্রাণী থেকে মানুষে সংক্রমিত হয় কিন্ত এখন পর্যন্ত সংক্রমণের নির্দিষ্ট উৎস বের করতে পারেনি চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা।

বাংলা/এনএস

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0878 seconds.