• ক্রীড়া ডেস্ক
  • ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৫:১৬:৪৩
  • ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৫:১৬:৪৩
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

রোনালদোর যে ১০টি তথ্য অনেকেই জানেন না

ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ছবি : সংগৃহীত

বছরের পর বছর সেরার তকমা জড়িয়ে ফুটবল বিশ্বকে মুষ্টিবদ্ধ করে রেখেছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। এই রোনালদোর জন্ম ১৯৮৫ সালে পর্তুগালের মাদেইরা শহরে। মা-বাবা নাম রেখেছিলেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগানের সঙ্গে মিল রেখে।

ছোটবেলায় রোনালদো ছিলেন অত্যন্ত গোবেচারা, নিরীহ প্রকৃতির। মজার বিষয় হচ্ছে সমবয়সী বন্ধুদের সঙ্গে নয়, রোনালদো খেলতে পছন্দ করতেন বড়দের সঙ্গে। বড়দের সঙ্গে খেলার সময় অনেক বেশ আঘাত পেতে হয়েছে। তবুও হাল ছাড়েননি। ছোটবেলা থেকেই অনুভব করতেন ফুটবলার হবেন। ফুটবলার হওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা নিয়েই মাত্র ১২ বছর বয়সে খেলা শুরু করেন স্পোর্টিং দ্য লিসবোয়াতে। একপর্যায়ে মাদেইরা থেকে পরিবার-পরিজন ছেড়ে চলে আসেন। এরপর কেবলই এগিয়ে চলার গল্প।

২০০৩-এ যোগ দিলেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে। সেখানে ছয় বছর কাটিয়ে ২০০৯-এ গায়ে চাপালেন রিয়াল মাদ্রিদের জার্সি। একাধিক ব্যালন ডি অরের শিরোপা নিজের করে নিয়েছেন সময়ের সেরা এই তারকা।

আজ ৫ ফেব্রুয়ারি, বুধবার পর্তুগিজ এই উইঙ্গার ৩৫-এ পা দিলেন। তবে বয়সের ছাপ তার খেলায় বিন্দুমাত্র পড়েনি! এখনো তিনি তার চেয়ে বছর দশেক ছোট খেলোয়াড়দের সঙ্গে দিব্যি পাল্লা দিয়ে গোল করে চলেছেন। কীভাবে নিজেকে এত ফিট আর আরো সাফল্যের জন্য ক্ষুধার্ত রাখছেন, এটা একটা রহস্য বটে। 

সেই রহস্য জানার অপেক্ষায় থাকা যাক। আপাতত তার ৩৫ তম জন্মদিনে রোনালদো সম্পর্কে এমন কিছু তথ্য দেয়া যেতে পারে, যেগুলো অনেকেরই হয়তো অজানা।

১. পুরো নাম ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো দস সান্তোস আভেইরো। রোনালদো নামটা রেখেছিলেন তাঁর বাবা, সাবেক আমেরিকান প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যানের নামের সঙ্গে মিল রেখে। অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদ হয়েছিলেন রিগ্যান। ছিলেন রোনালদোর বাবার প্রিয় অভিনেতা।

২. ২০০৪ সালে ইন্দোনেশিয়ায় সুনামির থেকে বেঁচে ফেরা একটা ছেলের ছবি ছড়িয়ে পড়েছিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে, যার গায়ে ছিল পর্তুগালের জার্সি। সেই ছেলের সঙ্গে দেখা করতে ইন্দোনেশিয়া উড়ে গিয়েছিলেন রোনালদো, নিয়েছেন তাঁর পড়ালেখার খরচ চালানোর দায়িত্বও।

৩. একটা গবেষণায় দেখা গেছে, রোনালদো যখন লাফান তখন একটা উড়ন্ত চিতার চেয়েও বেশি শক্তি তৈরি হয়ে তাঁর শরীরে।

৪. দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় গড়ে ৪৪ সেন্টিমিটার লাফাতে পারেন রোনালদো, দৌড়ে এসে ৭৮ সেন্টিমিটার। যেটা একজন বাস্কেটবল খেলোয়াড়ের চেয়েও বেশি।

৫. অন্যদের চেয়ে হৃৎপিণ্ড একটু বেশি দ্রুত চলত বলতে মাত্র ১৫ বছর বয়সে হৃৎপিণ্ডে অস্ত্রোপচার করাতে হয়েছিল রোনালদোর।

৬. বেড়ে ওঠার সময় রোনালদোর প্রিয় খেলোয়াড় ছিলেন আরেক পর্তুগিজ কিংবদন্তি লুইস ফিগো।

৭. নিজের শরীরে কোনো উলকি আকেঁননি রোনালদো, কারণ তিনি নিয়মিত রক্তদান করেন। যাদের শরীরে উলকি আছে, তাঁদের রক্ত দেওয়ার জন্য ছয় মাস বা এক বছর অপেক্ষা করতে হয়।

৮. বিশ্বের প্রথম তারকা যার ইনস্টাগ্রাম অনুসারী ২০ কোটি ছাড়িয়েছে।

৯. ইনস্টাগ্রাম পোস্ট থেকে বছরে ৪ কোটি ৭৮ লাখ ডলার আয় করেন রোনালদো, যেটা জুভেন্টাসে তাঁর বার্ষিক বেতনের (৪ কোটি ৪০ লাখ ডলার) চেয়েও বেশি।

১০. কানাডার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে রোনালদোর ওপর আলাদা একটি কোর্স পড়ানো হয়। ব্রিটিশ কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ওকান্যাগান ক্যাম্পাসের ওই কোর্সের মূল প্রতিপাদ্য সমাজ ও সংস্কৃতিতে রোনালদোর প্রভাব।

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0248 seconds.