• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৯:৫৫:১৮
  • ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২৩:১৩:০২
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

ফান্ড খালি, চীন থেকে ফিরতে হবে নিজ খরচে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। ছবি : সংগৃহীত

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, ‘করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে চীন থেকে বাংলাদেশি কাউকে এই মুহূর্তে সরকারিভাবে দেশে ফেরানো হবে না। যারা ফিরতে চান তাদেরকে নিজ খরচে ফিরতে হবে। আগে আমরা যাদের এনেছি, তিন কোটি টাকা আমার প্লেন ভাড়া দিতে হয়েছে, আমার ফান্ডে আর কোনো পয়সা নাই।’

শাহবাগে জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তনে এক রচনা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী এবং নবীনবরণ অনুষ্ঠানে শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

করোনাভাইরাসের কারণে চীনের উহান থেকে গত ১ ফেব্রুয়ারি ৩১৬ বাংলাদেশিকে বাংলাদেশ বিমান দেশে ফেরত আনা হয়। তাদের মধ্যে ১১২ জনকে গত দুই সপ্তাহ ধরে আশকোনার হজক্যাম্পে এবং চারজনকে হাসপাতালে রাখা হয়েছে। উহানের পাশের শহর ইচাংয়েও আটকে আছেন ১৭২ জন, তারাও দেশে ফিরতে আগ্রহী।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘প্রশ্ন হচ্ছে আমরা প্লেন পাঠিয়ে ওদের আনব কি-না, জনগণের টাকা খরচ করে ওদেরকে আনব কি-না। আমরা খুব সংবেদনশীল, তাদের বাবা-মা অনেকে বলছেন তাদেরকে নিয়ে আসার জন্য। আমরা তাদেরকে বলেছি, আপনারা যদি নিয়ে আসেন, আমাদের কোনো আপত্তি নাই। তারা আসলে আসতে পারে।
“কিন্তু যে জিনিসটি, আগে আমরা যাদের এনেছি, তিন কোটি টাকা আমার প্লেন ভাড়া দিতে হয়েছে, আমার ফান্ডে আর কোনো পয়সা নাই। সরকার দেবে অবশ্যই। যে জিনিসটি হচ্ছে, তারা আসতে পারে চাইলে।’

আরেক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘অর্থই প্রধান সমস্যা নয়। আগের মানুষগুলো যদি হজ্জক্যাম্প থেকে বের না হয়, বাকিদের কোথায় রাখব? আমরা বলেছি, তোমরা যদি আসতে চাও, ডেফিনিটলি আমরা চেক করে, কোয়ারেন্টিনে পৌঁছায়ে দেব।’

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জাপান, ভারত, সিঙ্গাপুর- এরকম হাতেগোণা কয়েকটি দেশ তাদের লোকদের ফিরিয়ে নিয়েছে জানিয়েছে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বাকি শত শত দেশের লোকেরা তাদের ওখানে আছে। চায়নিজরা ওদেরকে সাবধান করে দিয়েছে এবং দে আর টেকিং কেয়ার অব ইট। আমাদের ছেলেমেয়ে যারা আছে, তারা অভিযোগ করেছে, তাদের নাকি খাবার দেওয়া হয় না। কিন্তু আমরা তথ্য নেয়ার পর দেখেছি, চায়নিজরা বলেছে তাদেরকে পানি দেয়, খাবার দেয়, যথাসময়ে পৌঁছে দেয়। দুজন চায়নিজ সিনিয়র অফিসিয়াল নিয়োগ করেছে তাদের দেখভাল করার জন্য। ওখানে তারা মোটামুটি ভালো আছে।’

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0215 seconds.