• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৪:২৩:৫৯
  • ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৪:৩৬:৪১
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

ওবায়দুল কাদেরকে ফোন করলেন মির্জা ফখরুল

ছবি : সংগৃহীত

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে টেলিফোন করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দলটির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গুরুতর অসুস্থতার বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অবহিত করার জন্যই এই ফোন করেন বিএনপির এই মহাসচিব।

১৪ ফেব্রয়ারি, শুক্রবার সকালে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের এ তথ্য জানান।

এ সময় ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘খালেদা জিয়ার অসুস্থতার কথা বিবেচনায় নিয়ে প্যারোলে মুক্তির বিষয়ে আমার সঙ্গে ফখরুল ইসলাম আলমগীরের টেলিফোনে কথা হয়েছে। তিনি আমাকে অনুরোধ করেছেন, আমি যেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে খালেদা জিয়ার প্যারোলের বিষয়টি বলি।’

তিনি আরো বলেন, ‘খালেদা জিয়ার প্যারোলে মুক্তির বিষয়ে আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আইনমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। এ ব্যাপারে তারা লিখিত কোনো আবেদন পাননি। তারা (বিএনপি) শুধু মুখে মুখেই মুক্তির কথা বলছেন, কিন্তু লিখিত কোনো আবেদন করেননি। এটা দুর্নীতির মামলা। রাজনৈতিক মামলা হলে সরকার বিবেচনা করতে পারতো।’

সেতুমন্ত্রী আরো বলেন, ‘বিএনপি বারবার সরকারের কাছে খালেদা জিয়ার মুক্তি বা প্যারোলে মুক্তি চাচ্ছে, কিন্তু বিষয়টি রাজনৈতিক মামলা নয়। সরকার বিষয়টি তখনই বিবেচনা করতে পারতো, যদি সেটা রাজনৈতিক হতো। এছাড়া বিএনপি প্যারোলোর জন্য আবেদন করলে কি কি কারণে প্যারোল চান তা আবেদনে উল্লেখ করতে হবে। সেটা নিয়মের মধ্যে পড়ে কি-না তাও খতিয়ে দেখতে হবে।’

খালেদা জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে বিএনপি নেতারা রাজনীতি করছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মেডিকেল বোর্ড যে রিপোর্ট দেবে তা আদালতের কাছে পৌঁছাতে হবে। খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে নেতারা যেভাবে বলেন, দায়িত্বরত ডাক্তাররা সেভাবে বলেন না।’

তিনি আরো বলেন, ‘বিএনপি যদি প্যারোলে মুক্তির আবেদন করে, আবেদনে উল্লেখ করা কারণের সঙ্গে প্যারোলে মুক্তির কারণ মিলে কিনা সেটা কর্তৃপক্ষ দেখবে। খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে সরকার এতটা অমানবিক আচরণ করবে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

প্রসঙ্গত, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় দণ্ডিত হয়ে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি কারাগারে যান বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয় আদালত। রায় ঘোষণার পরই সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে নাজিমুদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারকে বিশেষ কারাগার ঘোষণা দিয়ে সেখানেই তাকে রাখা হয়।

এরপর সেখানে অবস্থানকালে শারীরিকভাবে অসুস্থ হলে গত বছরের ১ এপ্রিল খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) নেয়া হয়। এখন পর্যন্ত তিনি বিএসএমএমই ‘তেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

গত মঙ্গলবার খালেদা জিয়ার ৬ স্বজন তাকে হাসপাতালে দেখে আসেন। বেরিয়ে এসে তারা জানান, খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য তারা বিদেশ নিয়ে যেতে চান। এজন্য প্যারোলে মুক্তি দিলে তাতে তাদের আপত্তি থাকবে না। অবশ্য প্যারোলে মুক্তির বিষয়ে বিএনপি নেতারা দ্বিধাবিভক্ত।

বাংলা/এনএস

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

Page rendered in: 0.1277 seconds.