• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৫:০৫:১৭
  • ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৫:০৫:১৭
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

চীনের করোনায় বাংলাদেশের ৮০ ভাগ গার্মেন্টস বন্ধের শঙ্কা

ছবি : সংগৃহীত

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের মারাত্বক আকার ধারণ করায় কার্যত বিশ্ব বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে চীন। এর নেতিবাচক প্রভাবে পড়েছে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে। দেশটি থেকে পণ্যবাহী জাহাজ আসা মারাত্মকভাবে হ্রাস পেয়েছে। এতে বিপর্যয়ের মুখে বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য।

সাধারণত প্রতি মাসে চট্টগ্রাম বন্দরে চীন থেকে সরাসরি ১৫টি জাহাজ এলেও এ মাসে এসেছে মাত্র দুটি জাহাজ। এছাড়াও কমেছে দেশটি থেকে কন্টেইনার আসার পরিমাণও। এমতাবস্থায় মার্চের পর দেশের ৮০ ভাগ গার্মেন্টস বন্ধ হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।  

এদিকে চীন থেকে আসা জাহাজগুলোকে যাত্রা শুরু থেকে ১৪ দিন অতিবাহিত না হলে বন্দরে প্রবেশের অনুমতি না দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। মূলত করোনাভাইরাসের ঝুঁকি এড়াতেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

এ বিষয়ে ব্যবসায়ীরা জানান, ফেব্রুয়ারি মাসে পণ্য নিয়ে চীন থেকে যে দু'টি জাহাজ এসেছে সেগুলো মূলত ডিসেম্বর বা তার আগে ঋণপত্র খোলা হয়েছিলো। প্রথমে চীনা নববর্ষ ও পরে করোনাভাইরাসের কারণে জানুয়ারি থেকে ঋণপত্র খোলা এক প্রকার বন্ধ।

গার্মেন্টেসের কাঁচামালসহ চামড়াজাত পণ্য, ঢেউটিন, রড, সিরামিক তৈরির কাঁচামাল চীন থেকে আমদানি করা হয়। এছাড়া কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মালামালও চীন থেকে আসে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ শিপিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি শফিকুল আলম বলেন, ‘দেশের ৮০ ভাগ বিদ্যুৎকেন্দ্রই চীনের ওপর নির্ভরশীল। প্রায় সব চাইনিজ প্রজেক্ট বন্ধ হয়ে গেছে।’

চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক এস এস আবু তৈয়ব বলেন, ‘মার্চ মাসের পর থেকে দেশের ৮০ ভাগ গার্মেন্টস বন্ধ হয়ে যাবে। কারণ বাংলাদেশের প্রায় সব কাঁচামালই চীন থেকে আসে।’

এদিকে চীন ব্যতিত অন্য জাহাজগুলো বন্দরে প্রবেশের আগে নাবিক এবং ক্রুদের শারীরিক তথ্য বন্দরের কাছে জমা দেয়ারও নিয়ম করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। শিপিং এজেন্টকেই এটা জমা দিতে হবে।

এ বিষয়ে ফ্রেইট ফরোয়ার্ডার অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালক খায়রুল আলম সুজন বলেন, ‘এটি একটি ভালো পদক্ষেপ। তবে আমাদের আমদানী বাণিজ্যে কোনো প্রভাব যেনে না পরে তা খেয়াল রাখতে হবে।’

বর্তমানে চীন থেকে আসা ৩টি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের বর্হিনোঙ্গরে অবস্থান করছে। যাত্রাপথে তাদের ১০ দিন অতিক্রান্ত হলেও আরো চারদিন বর্হিনোঙ্গরে পর্যবেক্ষণে থাকবে বলে জানা গেছে।

বাংলা/এনএস

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

Page rendered in: 0.0659 seconds.