• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২২:১৫:৫৪
  • ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২২:১৫:৫৪
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

‘জেলগেট থেকে নিয়ে যায় পুলিশ, আজ শুনি বন্দুকযুদ্ধে নিহত’

ছবি : সংগৃহীত

‘পরিকল্পিতভাবে আমার স্বামীকে মেরে ফেলা হয়েছে। দুই বছর দুই মাস অনেক চেষ্টা করে গত মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) স্বামীকে জামিনে মুক্ত করি। কারাগার (সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার) থেকে বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই জেলগেটে ডিবি পুলিশের সাদা পোশাকে সদস্যরা তাকে ধরে নিয়ে যায়। পরে আর তার খোঁজ পায়নি। আজ দুপুরে ফেসবুকে স্বামীর লাশ দেখতে পেলাম। থানায় এসে শুনি পুলিশের সঙ্গে নাকি বন্দুকযুদ্ধে আমার স্বামী মারা গেছে।’

শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দিনগত রাত তিনটার দিকে সিলেটের বিশ্বনাথে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মারা যান ফটিক ওরফে লিটন। শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকাল তিনটার দিকে তার লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ। লাশ নিয়ে বিশ্বনাথের বৈরাগী ইউনিয়নে বাড়ি যাওয়ার সময় কাঁদতে কাঁদতে এসব কথা বলেন ফটিকের স্ত্রী হালিমা বেগম।

হালিমা বেগম বলেন, ‘আমার এক ছেলে আছে, তার বয়স চার বছর। আমি এখন ছেলেটাকে নিয়ে কোথায় যাব, কী খাওয়াব। আমার স্বামী রঙের কাজ করত। কাঁচামালের ব্যবসাও করত, এতেই আমাদের সংসার চলত। সে কিছুতেই ডাকাত হতে পারে না। পুলিশ আমার স্বামীকে ডাকাত বলে মেরে ফেলেছে। আমি এই হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।’

পুলিশ বলেছে, ফটিক ডাকাত দলের সদস্য। তার বিরুদ্ধে ১৭টি ডাকাতি মামলা রয়েছে, এ ছাড়াও চারটি অন্য মামলা রয়েছে। পুলিশের তিন সদস্যও এই বন্দুকযুদ্ধে আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থলে নিহত ডাকাত সদস্যের হাত থেকে একটি দেশি পাইপগান ও কোমরে থাকা তিনটি তাজা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে।

বিশ্বনাথ থানার ওসি শামীম মুসা বলেন, ফটিক ওরফে লিটনের স্ত্রী যে অভিযোগ করেছেন তা পুরোপুরি মিথ্যা। সড়কে গাছ ফেলে ডাকাতির প্রস্তুতি নেয়ার সময় পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে তিনি মারা গেছেন।

নিহত ফটিক সিলেটের বিশ্বনাথের পূর্বপাড়া গ্রামের মৃত ইদ্রিছ আলীর ছেলে।

সংশ্লিষ্ট বিষয়

সিলেট বন্দুকযুদ্ধ

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0220 seconds.