• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ০৭ মার্চ ২০২০ ২০:৩৮:০৪
  • ০৭ মার্চ ২০২০ ২০:৩৮:০৪
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

মেয়েলি কারণে ছাত্রলীগে মারামারি, ছুরিতে আহত ৩

ছবি : সংগৃহীত

গার্লফ্রেন্ডের দিকে তাকানো নিয়ে সাতক্ষীরা কলেজ ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে তিনজন আহত হয়েছেন। আহতরা সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের ১৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

৭ মার্চ, শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল হোসেন, উত্তর কাটিয়া এলাকার ছাত্রলীগ নেতা মির্জা ইব্রাহিম ও আরিয়ান আলিফ।

আটক ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা হলেন- নাহিদ হাসান, আদনান রাহিত, আশরাফুল, হাসান, ইমরান হোসেন, রায়হান, ফয়সাল, হারুন, ফারদিন খান, মুক্তাছির, শারুফ, আরিয়ান ও রোকসানা পারভীন। তারা সবাই কলেজ শিক্ষার্থী।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আটক রোকসানা পারভীন বলেন, সকাল ১০টার দিকে কলেজ ক্যাম্পাসে আমার সঙ্গে মির্জা ইব্রাহিমের ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে ঝগড়া হয়। দুপুর ১টার দিকে ইব্রাহিম, আরিফ, আকিব, নোমান, আলামিন, আশাসহ ১০-১২ জন দাঁড়িয়ে ছিল। তখন আমিও সেখানে ছিলাম। পরবর্তীতে তাদের মধ্যে হাতাহাতি হয়। এ সময় ইব্রাহিমের পেটে ছুরি ঢুকিয়ে দেয় উজ্জ্বল। পরে মির্জা ইব্রাহিমের গ্রুপের নেতাকর্মীরা উজ্জ্বল হোসেনের হাতে, পায়ে ও মাথায় ছুরিকাঘাত করে। ইব্রাহিম জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি প্রার্থী আশিকুর রহমানের অনুসারী।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মির্জা ইব্রাহিম বলেন, ছাত্রলীগ নেতা উজ্জ্বলের সহযোগীদের কলেজ ক্যাম্পাসে গাঁজা খেতে নিষেধ করে দুজনকে কলেজ থেকে বের করে দেই। পরবর্তীতে উজ্জ্বল এসে আমাকে ছুরি মারে। উজ্জ্বল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুনসুর আহমেদের অনুসারী।

তবে ছাত্রলীগ নেতা উজ্জ্বল হোসেন বলেন, গার্লফ্রেন্ডের সঙ্গে দাঁড়িয়ে ছিল ইব্রাহিম। এ সময় ছাত্রলীগ কর্মী সজীব তাদের পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। সঙ্গে সঙ্গে ইব্রাহিম বলে ওর (গার্লফ্রেন্ডের) দিকে এভাবে তাকাইলি কেন; বলেই সজীবকে মারধর শুরু করে ইব্রাহিম। পরবর্তীতে সজীব আমার মোবাইল নম্বরে কল দিলে ঘটনাস্থলে যাই। গিয়ে তাদের থামানোর চেষ্টা করি। এ সময় আমার পেটে ছুরি ঢুকিয়ে দেয় ইব্রাহিম ও তার গ্রুপের কর্মীরা।

এ বিষয়ে সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘মেয়েলি কারণে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।’

 

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0218 seconds.