• বিদেশ ডেস্ক
  • ০৮ মার্চ ২০২০ ১৯:১৬:২১
  • ০৮ মার্চ ২০২০ ১৯:১৬:২১
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

করোনাভাইরাস নিয়ে ভীত না হবার ৯ কারণ

ছবি : দ্য গার্ডিয়ান থেকে নেয়া

প্রাণঘাতী করোনভাইরাস বিশ্বব্যাপী মহামারি আকার ধারণ করেছে। মাত্র কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে চীনের বাহিরে ৮০ দেশে ছড়িয়ে পড়েছে এই ভাইরাসটি। এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত মারা গেছে ৩ হাজার ৫৫৮ জন এবং আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখেরও অধিক মানুষ।

আর বড় বড় শিরোনাম দিয়ে করে করোনার আগ্রাসনের খবর প্রতিমূহুর্তেই প্রকাশ করছে সারাবিশ্বের সংবাদমাধ্যমগুলো। যা দ্রুতই ছড়িয়ে পড়ছে ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউবসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এতে করে সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়ছে আতঙ্ক।

তবে আতঙ্কিত হওয়ারও যথেষ্ঠ কারণও আছে- চিকিৎসা সংক্রান্ত, রাজনৈতিক এবং বিশেষভাবে সামাজিক ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তবে এই ভাইরাসকে প্রতিরোধ করার মতো কোন অস্ত্র এখনো বিশ্বের হাতে নেই।

এমতাস্থায় স্পেনের নাভারা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি এবং ভাইরোলজি বিভাগের অধ্যাপক ইগনাসিও ল্যাপেজ-গোয়েইসহ বেশ কয়েকজন বিজ্ঞানীর প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস নিয়ে নয়টি ‘আশ্বস্ত’ হওয়ার বিষয় প্রমাণ করেছেন। এমন খবর প্রকাশ করেছে দ্য গার্ডিয়ান।

করোনাভাইরাস নিয়ে ‘আশ্বস্ত’ হওয়ার ওই নয়টি কারণ-

১. সতর্ক থাকলে করোনায় আক্রান্ত হওয়া সহজ নয়। ১৫ মিনিটের অধিক সময় ধরে আক্রান্ত ব্যক্তির শারিরীক সংস্পর্শে আসলে বা কফ-থুতু গায়ে লাগলে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকতে। আক্রান্ত ব্যক্তিকে রাস্তায় ক্রস করতে গিয়ে আক্রান্ত হওয়ার কোনোও আশঙ্কাই নেই।

২. শুধুমাত্র ঘন ঘন হাত ধোয়ার মাধ্যমেই এই ভাইরাসকে মেরে ফেলা সম্ভব।

৩. অধিকাংশ ক্ষেত্রে করোনাভাইরাস আক্রান্তের শারিরীক অসুবিধা সামান্য। স্বাভাবিক জ্বর-সর্দির মতো।

৪. আক্রান্তদের আড়াই শতাংশের কম মৃত্যু ঝুঁকিতে থাকতে পারে। যদি তারা বার্ধক্যজনিত দুর্বলতা বা অন্যান্য বড় রোগে আগে থেকেই আক্রান্ত না হন।

৫. সুস্থ-সবল মানুষের আক্রান্ত বা ‘সংকটাপন্ন’ হওয়ার হার একেবারেই কম।

৬. এই ভাইরাসে মানুষ আক্রান্ত যেমন হচ্ছে, তেমনি ভাবে সুস্থ হয়েও উঠছে প্রতিদিন।

৭. মনে রাখা বিষয় হলো- এই ভাইরাসের উৎস, প্রকৃতি ও সংক্রমণের ধরন সাত দিনের মাথায় শনাক্ত হয়েছিল। যেখানে এইচআইভি এইডসের ক্ষেত্রে সময় লেগেছিল দুই বছর। এ ভাইরাসের প্রতিষেধক টিকা উদ্ভাবনের কাজও অনেকদূর এগিয়েছে।

৮. ল্যাব টেস্টের মাধ্যমে এই ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত করা সম্ভব।

৯. কর্তৃপক্ষ সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করলে ভৌগোলিকভাবেই এই ভাইরাসের বিস্তার আটকানো সম্ভব।

বাংলা/এনএস

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

Page rendered in: 0.0675 seconds.