• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ১৫ মার্চ ২০২০ ১৪:১৬:৫৮
  • ১৫ মার্চ ২০২০ ১৪:১৬:৫৮
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

আরিফুলের দণ্ড, ভ্রাম্যমাণ আদালতের বৈধতা নিয়ে রিট

আরিফুল ইসলাম। ফাইল ছবি

মধ্যরাতে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে বাংলা ট্রিবিউন ও ঢাকা ট্রিবিউনের কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি সাংবাদিক আরিফুল ইসলামকে ভ্রাম্যমাণ আদালত কর্তৃক এক বছর কারাদণ্ড দেয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ সংশ্লিষ্ট ১৭ জনকে বিবাদী করা হয়।

১৫ মার্চ, রবিবার বাংলা ট্রিবিউনের নির্বাহী সম্পাদক হারুন উর রশীদের পক্ষে আইনজীবী ইশরাত হাসান জনস্বার্থে এই রিট আবেদন করেন।

এ বিষয়ে ইশরাত হাসান বলেন, ‘বিচারপতি মো. আশরাফুল কামাল ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানি হতে পারে। রিটে ফৌজদারী কার্যবিধি, ভ্রাম্যমান আদালত আইন, মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন এবং সংবিধানের ৩১, ৩২, ৩৫ এবং ৩৬ অনুচ্ছেদের সুস্পষ্ট লঙ্ঘণের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।’

এর আগে গত শুক্রবার রাতে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিন্টু বিকাশ চাকমার নেতৃত্বে কয়েকজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও আনসার সদস্যদের একটি টিম আরিফুল ইসলামের বাড়িতে যান। এরপর মারধর করতে করতে তাকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নেয়া হয়। সেখানে তার পোশাক খুলে দুই চোখ বেঁধে নির্যাতন করা হয়েছে। আর এসবের নেতৃত্ব দেন ডিসি কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী কমিশনার নাজিম উদ্দিন। এরপর আরিফুলকে মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ও পরে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে জেলহাজতে পাঠান ভ্রাম্যমাণ আদালত।

এদিকে আরিফুলের স্ত্রী মোস্তারিমা সরদার নিতু বলেন, ‘মধ্যরাতে দরজা ভেঙে বাড়িতে ঢুকে আরিফকে পেটানো ও জোর করে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়। কোনো মাদক পাওয়া যায়নি।’

নিতু আরো বলেন, ‘কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসকের (ডিসি) বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ এবং ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে প্রশাসনের লোকজন আরিফুলকে এভাবে তুলে নিয়ে যায়। তিনি স্বামীর মুক্তি এবং এ ঘটনার তদন্ত করে ন্যায়বিচার দাবি করেন।’

এ ঘটনার পর রংপুর বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার কে এম তারিকুল ইসলাম এক সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। তদন্তে দোষী প্রমাণ হলে কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক মোছা. সুলতানা পারভীন দু-এক দিনের মধ্যে প্রত্যাহার হতে পারেন বলে জানিয়েছেন তদন্ত-সংশ্নিষ্ট কর্মকর্তারা।

প্রসঙ্গত, কুড়িগ্রামের ডিসি একটি পুকুরের নামকরণ নিজের নামে করেছিলেন। সেই সময় আরিফুল এ বিষয়ে একটি রিপোর্ট করেন। এছাড়া সম্প্রতি একটি নিয়োগে অনিয়ম নিয়ে ডিসির বিরুদ্ধে ফেসবুকে পোস্ট দেন আরিফ।

বাংলা/এনএস

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0277 seconds.