• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ১৬ মার্চ ২০২০ ১৫:৪৮:৪৬
  • ১৬ মার্চ ২০২০ ১৫:৪৮:৪৬
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীর প্রশংসায় হাইকোর্ট

ফাইল ছবি

কুড়িগ্রামের সাংবাদিক আরিফুল ইসলাম রিগ্যানকে নির্যাতন ও দণ্ড দেয়ার ঘটনায় গণমাধ্যমে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেনের দেয়া বক্তব্যের প্রশংসা করেছেন আদালত।

আদালত বলেন, ‘কুড়িগ্রামের ওই ঘটনার পর জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী গণমাধ্যমে কথা বলেছেন। উনি বলেছেন, ডিসি যদি অপরাধ করে তাহলে আমরা আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব। আমরা উনার বক্তব্যের প্রশংসা করছি।’

মধ্যরাতে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে সাংবাদিক আরিফুলকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ড দেয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা রিটের শুনানি চলাকালে সোমবার হাইকোর্ট প্রতিমন্ত্রীর প্রশংসা করেন।

এদিন বিচারপতি মো. আশরাফুল কামাল ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে রিটের শুনানি হয়। শুনানির এক পর্যায়ে আদালত বলেন, সংবাদপত্র হচ্ছে সমাজের চতুর্থ স্তম্ভ। এই চতুর্থ স্তম্ভ যদি সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করে তাহলে রাষ্ট্রের বাকি তিন স্তম্ভ (আইন সভা, নির্বাহী বিভাগ ও বিচার বিভাগ) সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করে।

হাইকোর্ট বলেন, একজন ব্যক্তি বা একজন পদধারী রাষ্ট্র বা সরকারকে প্রতিনিধিত্ব করে না। ওই ব্যক্তি বা পদধারী যদি কোনো অন্যায় করে থাকে সেক্ষেত্রে রাষ্ট্র বা সরকার যদি তাকে সমর্থন না দেয়, সেটাই হবে আইনের শাসন। আর সরকার বা রাষ্ট্র যদি ব্যক্তির অন্যায়কাজে সমর্থন দেয়, সেটা হবে আইনের লঙ্ঘন।

এ প্রসঙ্গে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেনের প্রশংসা করে আদালত বলেন, 'কুড়িগ্রামের ওই ঘটনার পর জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী গণমাধ্যমে কথা বলেছেন। উনি বলেছেন, ডিসি যদি অপরাধ করে তাহলে আমরা আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব। আমরা উনার বক্তব্যের প্রশংসা করছি। আমি মনে করি আমরা একজন ভালো মন্ত্রী পেতে যাচ্ছি।'

শুনানি শেষে আদালত মধ্যরাতে বাসার দরজা ভেঙে সাংবাদিক আরিফুলকে ধরে নিয়ে সাজা দেওয়ার মামলার নথি তলব করেন এবং পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী সোমবার দিন ধার্য করেন।

আদালতে রিটের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল দেবাশিষ ভট্টাচার্য।

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

Page rendered in: 0.4017 seconds.