• ফিচার ডেস্ক
  • ১৭ মার্চ ২০২০ ১৬:৪৪:৫৯
  • ১৭ মার্চ ২০২০ ১৬:৪৪:৫৯
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

হঠাৎ সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত হলে যা করবেন...

ছবি : সংগৃহীত

সারা বিশ্বের সাথে সাথে দেশজুড়ে সবাই এখন করোনাভাইরাস আতঙ্কে। বাংলাদেশে আরো দুইজনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত করা হয়েছে। এ নিয়ে দেশে প্রাণঘাতী এ ভাইরাসে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১০ জনে দাঁড়িয়েছে। তাদের মধ্যে ৩ জন সুস্থ হয়েছেন বাকীরা চিকিৎসা নিচ্ছেন।

এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে প্রাথমিক ভাবে জ্বর, শুকনো কাশি, নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট এবং পেশিতে যন্ত্রণা হবে। আর তার সঙ্গে ক্লান্তও মনে হবে।

এই রোগ সারানোর কোনো ওষুধ বা পন্থা এখনো পর্যন্ত আবিষ্কার করতে পারেননি চিকিৎসক-বিজ্ঞানীরা। তবে আমেরিকা একটি প্রতিষেধক আবিষ্কারের কথা জানিয়েছে। পরীক্ষামূলকভাবে সেই প্রতিষেধক জেনিফার হ্যালার নামে এক নারীর দেহে ইতোমধ্যে প্রয়োগ করা হয়েছে। বিজ্ঞানীরা এখন অপেক্ষা করছেন ফলাফলের।
এদিকে প্রাথমিক যারা করোনার শঙ্কায় রয়েছেন তাদের কোয়ারেনটাইনে পাঠানো হয়েছে। বাংলাদেশে অনেককে হোম কোয়ারেনটাইনেও থাকতে বলা হচ্ছে। এতে ১৪ দিন বাড়িতে অনেকটা আলাদা অবস্থায় থাকতে হয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) নির্দেশ দিয়েছে, কোনো রকম অসুস্থতা অনুভব করলেই দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। প্রয়োজনে বাড়িতেই স্বেচ্ছায় কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। এবার প্রশ্ন জাগছে, বাড়িতে থাকলেই কি এই রোগ ঠেকানো সম্ভভ? হঠাৎ অসুস্থ বোধ করলেই বা কী করতে হবে?

প্রথম ও সবচেয়ে বড় সমস্যা হল কতজনকে কোয়ারেন্টাইন এবং কতজনকে বাড়িতে থাকতে বলা হবে। নিজে থেকেই মানুষকে স্ক্রিনিংয়ের জন্য এগিয়ে আসতে হবে। যদিও এতে দেশের মেডিক্যাল সিস্টেমে বিরাট চাপ পড়বে। এমনকী বেশিরভাগ মানুষই জানেন না কোথায় গিয়ে স্ক্রিনিং করাতে হবে। কিন্তু কাছের ক্লিনিকে গেলেই এই স্ক্রিনিং করানো সম্ভব নয়।

সবাই কিন্তু শুধু বাড়িতে থাকলেই হবে না। অনেকেই ভাবছেন সামান্য সর্দি-কাশি-জ্বরের লক্ষণ থাকলে বাড়িতে থেকেই তা ঠিক করে নেয়া যাবে। কিন্তু তা একেবারেই নয়। হাসপাতালে গিয়ে সঠিক চিকিৎসার প্রয়োজন। এটি পাবলিক হেলথ ইস্যু।

ডাক্তাররা বলছেন, সাধারণ সার্জিক্যাল মাস্ক বায়ুবাহিত ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে সুরক্ষা দিতে এক্কেবারেই যথেষ্ট নয়। তবে হাঁচি বা কাশি থেকে ভাইরাসের সংক্রমণের ঝুঁকি কিছুটা কমাতে সাহায্য করতে পারে এই মাস্ক। কিন্তু ট্রিপল লেয়ার মাস্ক হওয়া জরুরি। হাত থেকে মুখের সংক্রমণের বিরুদ্ধেও কিছু সুরক্ষা দেয় এমনতর মাস্ক।

তাই কোনো রকম অসুস্থতা অনুভব করলেই ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

 

সংশ্লিষ্ট বিষয়

সর্দি কাশি

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0199 seconds.