• বিনোদন ডেস্ক
  • ২৫ মার্চ ২০২০ ১৩:২৮:৩৪
  • ২৫ মার্চ ২০২০ ১৩:২৮:৩৪
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

কবিতায় করোনার প্রতি নচিকেতার আহ্বান!

ফাইল ছবি

বিশ্বজুড়ে মহামারী রূপে আবির্ভূত হয়েছে নভেল করোনাভাইরাস। কেড়ে নিচ্ছে হাজার হাজার মানুষের প্রাণ। প্রতি মুহূর্তে মৃতের তালিকার যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন নাম। এমন অবস্থায় বিস্মিত, বিমূঢ় মানবজাতি থমকে দাঁড়িয়েছে। থেমে গেছে কলকারখানা। বন্ধ হয়ে গেছে যান চলাচল। 

এমন অবস্থায় মানুষের সামনে আশা জোগাতে কাজ করছেন চিকিৎসক-গবেষকরা। এরই মধ্যে এর প্রতিষেধক আবিষ্কারে নির্ঘুম রাত কাটছে তাদের। এর উল্টো দিকও আছে। বিশ্ব থমকে যাওয়ায় দূষণ কমে আসছে। মানুষের কথিত উন্নয়নের ফলে বায়ূ কিংবা জল সর্বত্র যে দূষণের ছোঁয়া ছিল, তা যেন ধীরে ধীরে কমে আসছে। এমন অবস্থায় করোনার প্রতি আহ্বান জানিয়ে কবিতা লিখেছেন শিল্পী নচিকেতা চক্রবর্তী।

গত ২৩ মার্চ, সোমবার নিজের ভেরিফোয়েড ফেসবুক পেইজে সেই কবিতার আবৃত্তিও প্রকাশ করেছেন সবসময়ই না ইস্যুতে সোচ্চার রাজনীতিসচেতন এই শিল্পী। তা প্রকাশের পরপরই তা ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। আপাতত ‘করোনা’ শিরোনামের লেখাটি কবিতা হিসেবে প্রকাশ হলেও খুব শিগগিরই এটি গান হয়ে উঠতে পারে- এমন ইঙ্গিতই দিয়েছেন নচিকেতা।

তার কবিতাটি হলো- ‘করোনা নামের মহামারি তুমি যাও, তুমি যাও/ একটা বিনীত অনুরোধ, তোমার ভয়টাকে রেখে যাও/ ওগো ভয়, তোমারই হোক জয়/ তুমি নির্ভীক তরবারি, তুমি নির্মেদ অক্ষয়/ তোমারই হোক জয়/ তোমার জন্য বন্ধ হয়েছে/ সভ্যতা নামে দূষণ/ তোমার জন্য বহুদিন পর, আকাশে হাসছে পূষণ/ তোমার জন্য মানুষ ভুলেছে, পুষে রাখা বিদ্বেষ ভয়/ শুধু ভয় করে দিলো বিভেদহীন এক দেশ/ কারো মুখই যাচ্ছে না দেখা, আল্লাহ অথবা রাম/ সবার মুখই মাস্কেতে ঢাকা, সবার কপালে ঘাম/ হাতে নাগরিক পুঞ্জির খাতা, কাগজে চায় প্রমাণ/ এখন তারা কোথায়, দিতে পারেন সন্ধান/ মৃত্যুর কোন দেশ তো লাগে না, কাঁটাতার ছিঁড়ে যায়/ নগর থাকলে নাগরিক, সে নগরকে কে বাঁচায়/ রোজ আমাদের হিংসে মন্ত্র/ শেখায় যে পুরোহিতি,/ যুগ যুগ ধরে আমরা তো জানি/ তার নাম রাজনীতি/ করোনা তোমার ভয় বন্ধ/ সে মন্ত্র উচ্চারণ/ মানুষ বুঝেছে জীবন/ নেই পুরোহিত প্রয়োজন/ করোনা, তুমি যাও/ তুমি যাও শাহজাদী/ শুধু ভয়টুকু থাক/ হোক ভয়টা সাম্যবাদী।’

বাংলা/এসএ

আপনার মন্তব্য

Page rendered in: 0.0661 seconds.