• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ২৬ মার্চ ২০২০ ১৮:৪১:৫৬
  • ২৬ মার্চ ২০২০ ১৯:১৩:৫১
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

চিকিৎসকদের ‘পক্ষে’ স্ট্যাটাস দিয়ে দুই শিক্ষক বরখাস্ত

ফাইল ছবি

করোনাভাইরাস মোকাবিলায় চিকিৎসকদের পক্ষে স্ট্যাটাস দেয়া দুই শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়- তারা ওই স্ট্যাটাসে ‘উসকানিমূলক’ বক্তব্য দিয়েছেন।

২৫ মার্চ, বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন স্বাক্ষরিত এক আদেশে তাদের সাময়িক বরখাস্ত করে শোকজ করা হয়।

বরখাস্তকৃত শিক্ষকরা হলেন- ময়মনসিংহের গফরগাঁও সরকারি কলেজের ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কাজী জাকিয়া ফেরদৌসী এবং বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজের দর্শন বিভাগের প্রভাষক সাহাদাত উল্লাহ কায়সার।

কাজী জাকিয়া ফেসবুকে লিখেছিলেন, ‘খা সব খেয়ে ফল (ফেল)। শিক্ষা খেয়েছিস, ছাব্বিশটা ক্যাডার খেয়েছিস, সরকারকে খেয়েছিস, সরকারের সুনাম, অর্জন, স্বপ্ন সব খেয়েছিস। এবার পিপিই খা। সব তোরাই খা। আমাদের লাগবে না। মুখে মাস্ক দিয়ে বসে থাক সব নির্লজ্জ, রাক্ষসের দল। বিপদে পড়লে কোনো অরক্ষিত ডাক্তারের কাছে যাবি না, যদি সামান্য লজ্জা থাকে। আর দেশের সবাই মরে গেলে নিজেরা ঝাড়ুদার ক্যাডারে এবজর্বড হয়ে যাস, আর সেলফি দিস।’

সাহাদাত উল্লাহ লিখেছিলেন, ‘করোনার ভয়ে চাকরি ছাড়ার সংবাদটা বুলগেরিয়ার। বাংলাদেশের ডাক্তার ভাইয়েরা আপনার নিজের জীবন আগে, তারপর আপনার পরিবার, ছেলে মেয়ে, স্ত্রী তারপর অন্যসব। যে দেশ আপনার পেশার মূল্যায়ন করে না সে দেশের জন্য কাজ করে কী হবে। সেখানে তিন দিনের ইউএনও ৫৫ বছরের একজন প্রফেসর ডাক্তারের নিয়ন্ত্রক থাকে, যে কিনা ডাক্তারির ‘ড’ ও জানে না।”

বরখাস্তের আদেশে বলা হয়েছে, ‘দেশব্যাপী করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়, দপ্তর, সংস্থা বর্তমানে বিভিন্ন পর্যায়ে সমন্বিতভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সে অবস্থায় আপনি আপনার ফেসবুক আইডি থেকে নিজ নামে অনভিপ্রেত ও উস্কানিমূলক বক্তব্য ও ছবি পোস্ট করেছেন, যা সরকারের চলমান সমন্বিত কার্যক্রমের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। শিক্ষা ক্যাডারের এসব কর্মকর্তাদের আচরণকে ‘সরকারি ব্যবস্থাপনা ও জনস্বার্থ বিরোধী এবং শৃঙ্খলা পরিপন্থী’ আচরণ উল্লেখ করে একে অসদাচরণ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।’

নোটিশে বলা হয়, বরখাস্তকালীন তারা বিধান মোতাবেক খোরপোষ ভাতা পাবেন এবং তাদের নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের ‘গোচরে’ অবস্থান করতে হবে।

বিজ্ঞাপন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

করোনাভাইরাস শিক্ষক

আপনার মন্তব্য

Page rendered in: 0.1827 seconds.