• বাংলা ডেস্ক
  • ০৮ এপ্রিল ২০২০ ১৫:৪০:৪৪
  • ০৮ এপ্রিল ২০২০ ১৫:৪৩:৩২
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

কী করতে হবে, বাংলাদেশকে জানালো ডব্লিউএইচও

ছবি : সংগৃহীত

করোনাভাইরাস মোকাবিলায় বাংলাদেশের জন্য আটটি করণীয় নির্দেশনা দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। এ নির্দেশনাটি ৭ এপ্রিল প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। এই নির্দেশনার সংক্ষিপ্ত কোড হলো ‘রেসপন্স’।

আর : রেডি হিউম্যান রিসোর্সেস (মানবসম্পদ প্রস্তুতকরণ), ই: এক্সপান্ড ল্যাবরেটরি টেস্টিং, (ল্যাব পরীক্ষার সম্প্রসারণ), এস: সাসটেইন রোবাস্ট সার্ভিলেন্স (টেকসই পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করা), পি : প্রায়োরেটাইজ কেস ম্যানেজমেন্ট, ( রোগী ব্যবস্থাপনায় অগ্রাধিকার), ও: অর্গানাইজ হেলথ ফ্যাসিলিটিজ (স্বাস্থ্য সুবিধাদি সংগঠিত করা), নেটওয়ার্ক এন্ড কোঅর্ডিনেট, এস: সিকিউর ফান্ডিং এন্ড সাপ্লাইজ ( অর্থায়ন ও সরবরাহ নিশ্চিত করা) এবং ই : এনসিওর ইনফেকশন কন্ট্রোল( সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা)।

ডব্লিউএইচও'র ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ৫ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির উদ্দেশ্য দেয়া ভাষণে বাংলাদেশ সরকারের নেয়া পদক্ষেপের বিবরণ দেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডব্লিউএইচও'র গাইডলাইন অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপের ঘোষণা দেন এবং ৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার (যা জিডিপির আড়াই শতাংশ) একটি বিশেষ প্যাকেজ ঘোষণা করেন।

এতে বলা হয়, ২০২০ সালের ৬ এপ্রিল ইনস্টিটিউট অফ এপিডেমোলোজি এন্ড ডিজিজ কন্ট্রোল এন্ড রিসার্চ (আইইডিসিআর) এর ঘোষণা অনুযায়ী, বাংলাদেশে কেস ফার্টিলিটি (আক্রান্তের তুলনায় মৃত্যুহার) হল ৯ দশমিক ৭৬ ভাগ।

রিপোর্ট আরো বলা, হয় ৬ এপ্রিলের মধ্যে ৩৬১০টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। তার মধ্যে ঢাকার বাইরে করা হয়েছে শতকরা ১১ ভাগ নমুনা সংগ্রহ। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশ থেকে ৫৫০ টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে । এরমধ্যে ঢাকার বাইরে করা হয়েছে শতকরা ২৩ ভাগ। মোট ১২৬টি।

রিপোর্টে বলা হয়, চৌদ্দটি ল্যাবে বর্তমানে টেস্ট চলছে ।

এর মধ্যে ইনস্টিটিউট অফ এপিডেমিওলজি ডিজিজ কন্ট্রোল এন্ড রিসার্চ (আইইডিসিআর)-এ ১১৪টি পরীক্ষা, ইনস্টিটিউট অব পাবলিক হেলথ আইপিএইচ–এ ৩৮৭ পরীক্ষা, ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ডাইরিয়াল ডিজিজ রিসার্চ (আইসিডিডিআরবি)তে ৪৬৬, আর্মি ইনস্টিটিউট অব প্যাথলজিতে শুধুমাত্র সামরিক বাহিনীর সদস্যদের পরীক্ষা করা হয়। এছাড়া চাইল্ড হেলথ এন্ড রিসার্চ ফাউন্ডেশন (ঢাকা শিশু হাসপাতাল) এ পরীক্ষা হয়েছে ৪৭ টি, ঢাকা মেডিকেল কলেজে হয়েছে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজে ৬৩, ইনস্টিটিউট ফর ডেভলপমেন্ট অফ সাইন্স এন্ড হেলথ ইনিশিয়েটিভে হয়েছে ৭৯ টি। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ল্যাবরেটরী মেডিসিনে হয়েছে পাঁচটি।

এর বাইরে ঢাকায় পাঁচটি ল্যাবরেটরীতে পরীক্ষা হচ্ছে। এর মধ্যে কক্সবাজারে ২১ টি, রংপুর মেডিকেল কলেজে ৪২টি, রাজশাহী মেডিকেল কলেজে ৬৬ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে ১২৮ টি, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ট্রপিক্যাল ইনফেকশাস ডিজিজে হয়েছে ১৪৪টি।

ডব্লিউএইচও টেস্টের উল্লিখিত চিত্র তুলে ধরে বলেছে, বাংলাদেশ এখনো পর্যন্ত সার্বিক টেস্টের শতকরা হার হচ্ছে প্রতি ১ লাখ জনসংখ্যায় ২ দশমিক ২৩ ভাগ।

সংশ্লিষ্ট বিষয়

করোনাভাইরাস ডব্লিউএইচও

আপনার মন্তব্য

Page rendered in: 0.0622 seconds.