• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ০৮ এপ্রিল ২০২০ ২০:৩৯:০৯
  • ০৮ এপ্রিল ২০২০ ২০:৩৯:০৯
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

লকডাউন: খাবার না পেয়ে রাস্তায় এলাকাবাসী

ছবি : সংগৃহীত

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে নারায়ণগঞ্জ এখন লকডাউন। তবে এই লকডাউনের সময়ে খাবার না পেয়ে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করেছেন এলাকার হাজার খানেক মানুষ। এলাকাবাসীর অভিযোগ, কাশিপুর ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার ও প্যানেল চেয়ারম্যান আয়ুব আলী গত ১৫ দিনে কোনো খাদ্য সহায়তা দেননি। তাদেরকে না খেয়ে থাকতে হচ্ছে।

৮ এপ্রিল, বুধবার সকালে তারা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করেন। পরে পুলিশের আশ্বাসে তারা ঘরে ফেরেন।

কয়েক দিনের মধ্যে করোনা আক্রান্ত হয়ে ৬ জনের মৃত্যু হওয়ায় আজ বুধবার নারায়ণগঞ্জকে ‘সম্পূর্ণ লকডাউন’ করেছে সশস্ত্র বাহিনীর আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)। এছাড়া গত শুক্রবার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের এক বাসিন্দা মারা যাওয়ার পর ওই এলাকায় তিনশ পরিবারকে কোয়ারেন্টাইনে আওতায় রাখা হয়েছে। আর কাশিপুরের এই ওয়ার্ডেই নিম্ন আয়ের মানুষের সংখ্যা তুলনামূলক বেশি। 

সব ধরনের অর্থনৈতিক কার্যক্রম বন্ধ থাকায় এই ওয়ার্ডের শ্রমজীবী মানুষ বিপাকে পড়েছেন। অনেকের ঘরেই এখন চাল নেই। বিক্ষোভকারীরা বলেন, ৮নং ওয়ার্ড মেম্বার ও প্যানেল চেয়ারম্যান আইয়ুব আলীর খাদ্য সামগ্রী দেয়ার কথা বলে তাদের কাছ থেকে ভোটার আইডি কার্ড নিয়েছেন। কিন্তু খাদ্য সামগ্রী নিতে গেলে তারা বলেন, সরকার খাবার দিয়েছে ২০০ মানুষের জন্য। আসছেন আপনারা এক হাজার মানুষ। এতো মানুষের খাবার কোথা থেকে দিব।

বিক্ষোভে যোগ দেয়া এক বৃদ্ধা বলেন, ‘আমি চাউল আনতে গেছি, মেম্বার রাত ১০ পর্যন্ত আমাকে বসিয়ে রেখে বলে সকালে আসেন। সকালে গেলে বলে সরকারি চাউল নাই। ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, আমরা ঘরে খাবার নাই।  পেটে ভাত না দিতে পারলে লকডাউন দিয়ে কী হবে।’

এ ব্যাপারে কাশিপুর ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার আয়ুব আলীর কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

তবে কাশিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাইফুল্লাহ বাদল বলেন, ‘কাশিপুর ইউনিয়নে সরকারি বরাদ্দ আসা এক হাজার পরিবারের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। কাশিপুর ওয়ার্ডের সুচিন্তানগর ও আমবাগানে লকডাউনে থাকা ২শ পরিবারের মধ্যে এরই মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।’

ইউএনওর কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ মার্চ নারায়ণগঞ্জ জেলার জন্য ৭৫ টন চাল ও ৯ লাখ নগদ টাকা ৭৫০০ পরিবারের জন্য বরাদ্দ আসে। এরপর ২০০ টন চাল ও ২ লাখ টাকা নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার জন্য আসে।

সংশ্লিষ্ট বিষয়

করোনাভাইরাস নারায়ণগঞ্জ

আপনার মন্তব্য

Page rendered in: 0.0723 seconds.