• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ০৯ এপ্রিল ২০২০ ১০:১৯:০০
  • ০৯ এপ্রিল ২০২০ ১০:১৯:০০
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

কড়াকড়ি সত্ত্বেও নানা ছুতোয় ঢাকার সড়কে মানুষ

ছবি : সংগৃহীত

নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমন ঠেকাতে দেশজুড়ে সরকারঘোষিত সাধারণ ছুটি চলছে। সরকারিভাবে ‘সাধারণ ছুটি’ চললেও কার্যত চলছে অঘোষিত ‘লকডাউন’। উপযুক্ত কারণ দেখানো ছাড়া জনসাধারণকে রাজধানী ঢাকা ছাড়তে বা ঢুকতে দিচ্ছেন না আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

তবে এ অবস্থায়ও নানা ছুতো দেখিয়ে চলছে যানবাহন। কেউ ফাঁকা রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন, আবার কেউ কেউ ঢাকা ছেড়ে যাচ্ছেন গ্রামের বাড়িও। তবে তাতেও ছাড় পাচ্ছেন না তারা। অহেতুক চলাচল করলে পুলিশ সতর্ক করার পাশাপাশি মামলা ও জরিমানাও করছে তাদের।

পুলিশ বলছে, অনেক যাত্রীই পারিবারিক সংকটের অজুহাত দেখাচ্ছেন। তবে যাত্রীরা সঠিক কারণ দেখাতে না পারলে তাদের মোটা অংকের জরিমানা ও মামলার শিকার হতে হচ্ছে।

রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে ব্যারিকেড ও চেকপোস্ট বসিয়ে জনসাধারণের চলাচল নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। প্রায় প্রতিটি গাড়ি থামিয়েই চালককে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন তারা। উপযুক্ত কারণ দেখিয়েই ছাড় পেতে হচ্ছে তাদের।

এ অবস্থার মধ্যেও বেশ কিছু এলাকায় এখনো অস্বাভাবিক হারে গাড়ি চলাচল করতে দেখা যাচ্ছে। এসব গাড়ির অধিকাংশই ব্যক্তিগত। এর আড়ালেই কোনো কোনো গাড়িতে যাত্রীও পরিবহন করা হচ্ছে। এছাড়াও অ্যাম্বুলেন্সে করেও সেবার নামে অধিক মুনাফার লোভে যাত্রী পরিবহন করছেন অনেকে। ঢাকার আশেপাশের জেলাগুলো থেকে অনেকেই এসব অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকায় ঢুকছেন।

পুলিশ সূত্র জানায়, গাড়িচালকরা তাদের সাথে চালাকি করছেন। একবার মামলার শিকার হলে দ্বিতীয়বার তাদের মামলা দেয়া যায় না- এই ফাঁক কাজে লাগিয়ে মামলার শিকার চালকরা ফের বের হচ্ছেন। ফলে তাদের নামে মামলা দেওয়া যাচ্ছে না, বাধ্য হয়ে তাদের ছেড়ে দিতে হচ্ছে।

তবে সাধারণ চলাচলকারীদের বাড়িতে ফিরিয়ে দিচ্ছে পুলিশ। অহেতুক বের হলেই কেবল আইনঅনুযায়ী ব্যবস্থা নিচ্ছেন তারা। এর বাইরেও মানবিক কারণে অনেককেই ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। জরুরি প্রয়োজনে বের হতে পারবেন জনসাধারণ- পুলিশকে এমন নির্দেশনা দেওয়া থাকায় তারা জরুরি প্রয়োজনে বের হওয়া কাউকে আটকাচ্ছেন না। এরই সুযোগ নিচ্ছেন কিছু ব্যক্তি। তবে পুলিশ সদস্যরা বলছেন, জনসাধারণকে এ বিষয়ে সচেতন ও সৎ হতে হবে। তবেই তাদের এই ঝুঁকি নিয়ে দায়িত্ব পালন সার্থক হবে।

উল্লেখ্য, গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম কোনো ব্যক্তির শরীরে কোভিড-১৯ বা নভেল করোনাভাইরাসের উপস্থিতির বিষয়ে সরকারিভাবে জানানো হয়। এরপর ধীরে ধীরে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। এখন পর্যন্ত এতে আক্রান্ত হয়েছেন মোট ২১৮ জন। যাদের মধ্যে ২০ জন মৃত্যুবরণ করেছেন।

বাংলা/এসএ

আপনার মন্তব্য

Page rendered in: 0.0672 seconds.