• ফিচার ডেস্ক
  • ১১ এপ্রিল ২০২০ ১৩:১৫:৪৮
  • ১১ এপ্রিল ২০২০ ১৩:১৫:৪৮
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

শুকনো কাশি মানেই করোনা নয়, তবে হেলাফেলাও নয়

ছবি : প্রতীকী

বিশ্বব্যাপী আতঙ্ক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে কোভিড-১৯ বা নভেল করোনাভাইরাস। এতে সংক্রমিত হয়ে এখন পর্যন্ত লক্ষাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যাও প্রায় ১০ লাখ। যে কারণে গোটা পৃথিবীতেই করোনা নিয়ে সচেতনতা বাড়ছে। তবে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হলে শুরুতে বুঝা যায় না। স্বাভাবিক জ্বর-সর্দি ও কাশি দেখা দেয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়ে, শুকনো কাশিসহ গলা ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, জ্বর, ক্লান্তি এবং শরীরের ব্যথা এ ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার প্রাথমিক লক্ষণ। তবে এর পাশাপাশি ডায়রিয়া, বমি এবং নাক দিয়ে পানি পড়ে, যদিও এ সংখ্যা খুবই কম।

এতে আক্রান্ত হলে প্রথমে লক্ষণগুলো প্রকাশিত হয় না, প্রাথমিকভাবে সাধারণ ফ্লু হিসেবেই ধরে নেয়া হয়।  যে কারণে পরীক্ষায় এর উপস্থিতি শনাক্ত হওয়ার আগেই সংক্রমিত ব্যক্তি নিজের অজান্তেই তার আশেপাশে ছড়িয়ে দেন ভাইরাসটি। এমন পরিস্থিতিতে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা জরুরি হয়ে পড়ে।

করোনাভাইরাসের সাধারণ উপসর্গ হলো জ্বর-শুকনো কাশি। তবে, যদি আপনি সাধারণ ফ্লু এবং করোনাভাইরাস সংক্রমণের মধ্যে পার্থক্য করতে চান তখন বলতে হবে- প্রধান উপসর্গ শুধুই শুকনো কাশি। ঋতু পরিবর্তনজনিত কারণে যে জ্বর-সর্দি-কাশি দেখা দেয়, সেই কাশি শুকনো হয় না। চিকিৎসকদের মতে, করোনায় সংক্রমিত হলেই শুকনো কাশি দেখা দেয়। আর সাধারণ ফ্লুতে শ্লেষ্মা জড়ানো কাশি থাকে।

আর এই শুষ্ক কাশি হতে থাকে একটানা। এই জাতীয় কাশির ফলে গলায় চুলকানি বা জ্বলজ্বলে জ্বলন সৃষ্টি করতে পারে।

শ্বাসতন্ত্রের ফোলাভাব বা জ্বালা প্রায়শই শুষ্ক কাশির কারণ হিসেবে বিবেচিত হয়। ভেজা কাশির পরিবর্তে ফ্লু নিরাময়ের পরে শুকনো কাশি বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে থাকে। শুকনো কাশি সুস্থ হতে সময় নেয়। কখনো কখনো এটি সারতে লেগে যায় দীর্ঘ সময়।

আর ভেজা কাশিতে থাকে শ্লেষ্মা, যা নাক ও গলা দিয়ে বেরিয়ে আসতে পারে। এই শ্লেষ্মা মূলত শরীরের প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষামূলক উপাদান। অনেক ক্ষেত্রে ক্লান্তি, মাথা ব্যথার মতো লক্ষণগুলিতেও ভেজা কাশি দেখা যায়।

তবে জেনে আশ্বস্ত হবেন যে, শুকনো কাশি মানেই করোনাভাইরাসের লক্ষণ নয়। যদি আপনার শরীরে এই ভাইরাসটি অনুপ্রবেশ করে তবে শুকনো কাশির পাশাপাশি জ্বর, শ্বাসকষ্ট এবং ডায়রিয়া দেখা দেবে।

আপনি সম্প্রতি যদি কোনো সংক্রমিত ব্যক্তির সংস্পর্শে গিয়ে থাকেন বা বিদেশ  সফর করে থাকেন তাহলে অবশ্যই উপরোক্ত উপসর্গগুলো দেখা দেয় তবে দেরি না করে দ্রুতই চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

বাংলা/এসএ

আপনার মন্তব্য

Page rendered in: 0.0723 seconds.