• বিদেশ ডেস্ক
  • ২৪ এপ্রিল ২০২০ ১৪:৪৯:০২
  • ২৪ এপ্রিল ২০২০ ১৪:৪৯:০২
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

কোভিড রোগীর মৃত্যুর কারণ নিয়ে যা বললেন ডা. গুলেরিয়া

ডা. রণদীপ গুলেরিয়া। ছবি : সংগৃহীত

কোভিড -১৯ রোগী ও তাদের পরিবারসমূহ সামাজিক কলঙ্কের চিহ্ন লেগে যাওয়ার ভীতি থেকেই তীব্র শ্বাসকষ্ট নিয়ে একদম শেষ সময়ে এসে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। আর এ কারণে মৃত্যুর হার বাড়ছে বলে অল ইন্ডিয়া মেডিকেল ইনস্টিটিউট অফ মেডিকেল সায়েন্স (এআইএমএস) এর ডিরেক্টর ডা. রণদীপ গুলেরিয়া বৃহস্পতিবার এমন তথ্য জানিয়েছেন।

ডা. গুলেরিয়ার মতে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই রোগটির সফলভাবে চিকিৎসা করা সম্ভব। ৮০ শতাংশ রোগীর কেবলমাত্র সহায়ক যত্ন প্রয়োজন। বাকি ২০ শতাংশ রোগীর ক্ষেত্রে বাড়তি যত্ন নেয়া প্রয়োজন এবং মাত্র ৫ শতাংশের ক্ষেত্রে প্রয়োজন ভেন্টিলেটর সাপোর্টের। তিনি বলেছিলেন যে, আরো গুরুতর ১৫ শতাংশ রোগীদের জন্য ভেন্টিলেটর এর পরিবর্তে মূলত অক্সিজেনের সহায়তা প্রয়োজন।

তিনি রোগী ও তাদের পরিবারকে কলঙ্কিত করার পরিবর্তে তাদের সহায়তা করার আহ্বান জানান। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের কোভিড -১৯ রোগী এবং তাদের পরিবারকে কীভাবে সহায়তা করা যায় সেদিকেই নজর দেয়া উচিত। আরো বেশি বেশি লোকের পরীক্ষা করার জন্য (লক্ষণ প্রকাশিত হওয়ার সাথেই) আসতে হবে।’

তিনি ভারত সরকারের বরাতে দাবি করছেন যে, গত এক মাসে রোগীদের চিকিৎসার জন্য স্বাস্থ্যসেবা সুবিধা ৩.৫ গুণ বেড়েছে। ডা. গুলেরিয়া আরো বলেছেন, কোভিড -১৯ আক্রান্তের ৯০-৯৫ শতাংশ রোগী সুস্থ হয়ে উঠলেও এই রোগের সাথে সাথে মৃত্যুর হারও বাড়ছে।

তিনি আরো বলেছিলেন, যেসব রোগীরা করোনা থেকে সুস্থ্য হয়ে উঠেছেন তাদের আমাদের সম্মান জানানো উচিত। কারণ তারা রীতিমতো একটা যুদ্ধে জয়লাভ করেছেন। তিনি আরও যোগ করেন এভাবে যে, আইসোলেশানে থাকাটা মোটেও সহজ কোন কাজ নয়। কারণ পুরো শরীরের হ্যাজমাট স্যুট (করোনা চিকিৎসার বিশেষ পোশাক) পরা চিকিৎসক এবং নার্সরা সারাক্ষণ রোগীদেরকে ঘিরে থাকছেন।

ডা. গুলেরিয়া বলছিলেন, আমাদের মনে রাখতে হবে যে এটি এমন একটি রোগ-যা গুরুতর নয়। কিন্তু আক্রান্ত রোগীরা দেরী করে স্বাস্থ্যসেবা নিতে আসার কারণেই এ রোগটি মৃত্যুর হার বাড়িয়ে তুলছে।

আমাদের দেশের আইইডিসিআর এর মতো ভারতে এইমস সারা দেশে কোভিড সংক্রমণের ক্লিনিকাল পরিচালনায় নেতৃত্ব দিচ্ছে। এ রোগটির কারণে এখন অবধি ভারতে ৭০০ জনেরও বেশি মানুষ মারা গেছেন।

আপনার মন্তব্য

Page rendered in: 0.0716 seconds.