• বাংলা ডেস্ক
  • ২৬ এপ্রিল ২০২০ ১৬:৩২:০০
  • ২৬ এপ্রিল ২০২০ ১৬:৪০:৪০
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

র‌্যাপিড এন্টিবডি টেস্টিং

ফাইল ছবি

এখন বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস শনাক্তের জন্য আরটিপিসিআর (rtPCR)-এর পাশাপাশি র‌্যাপিড এন্টিবডি টেস্ট (Rapid Antibody Test) নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। এ নিয়ে হচ্ছে পরীক্ষানিরীক্ষাও। সেই সাথে চলছে বিতর্কও। কথা উঠছে এর কার্যকারিতা নিয়েই।

এসব তর্ক-বিতর্ককে সামনে রেখেই Rapid AntibodyTest নিয়ে ২৫ এপ্রিল, রয়টার্সে প্রকাশিত ক্রিস্টিন সোরেসের Reasons for hope: the drugs, tests and tactics that may conquer coronoavirus শিরোনামের লেখাটি ভাষান্তর করে পাঠকের কাছে তুলে ধরা হলো:

বিভিন্ন দেশের সরকার এবং একাডেমিক নানা গোষ্ঠী করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে শরীরে তৈরি হওয়া এন্টিবডির জন্য রক্ত ​​পরীক্ষা শুরু করেছে। এর ফলে কোন ব্যক্তির লক্ষণ প্রকাশিত হওয়া ছাড়াই ভাইরাস সংক্রমিত হয়েছে কিনা এন্টিবডি টেস্টের মাধ্যমে তা নির্ণয় করা সম্ভব হবে।

কারণ রক্তে এন্টিবডির উপস্থিতির মাধ্যমে ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার বর্তমান বা অতীত সংক্রমণের ইঙ্গিত আমরা পেতে পারি। তবে ভাইরাস-নিরপেক্ষ এন্টিবডি কী ধরণের এবং রক্তে কতটুকু ঘনত্বে একটি নতুন সংক্রমণের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দেয় এবং কতক্ষণ সে সুরক্ষা স্থায়ী হতে পারে তা জানতে পৃথক, চলমান গবেষণা প্রয়োজন।

এন্টিবডিগুলোর জন্য ব্যাপক সেরোলজি পরীক্ষা শিগগিরই মহামারীটির ব্যাপ্তি এবং গতিবিদ্যা সম্পর্কে বিস্তৃতভাবে বোঝার ব্যবস্থা করবে। রোগ থেকে সুস্থ হওয়া কোন কোন রোগীগুলো আবার নতুন করে আক্রান্ত হতে পারে এবং তা কতদিনের মধ্যে সেটাও আমরা জানতে পারব এ টেস্টের মাধ্যমে। এছাড়াও নিরপেক্ষ এ এন্টিবডিগুলোর নির্দেশিকা হয়ে উঠতে পারে ‘মনোক্লোনাল এন্টিবডি থেরাপি’ এর জন্য। সেই সাথে এটা একটা মডেল হয়ে উঠতে পারে কাঙ্খিত ভ্যাকসিন প্রত্যাশীদের জন্য। সেরোলজি টেস্টিংয়ের এ ডেটা কয়েক সপ্তাহের মধ্যে প্রকাশিত হতে শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সংযোজন: 

চীনের কোভিড -১৯ রোগীর প্রাথমিক তথ্য থেকে জানা যায় যে সংক্রমণের পরে বেশিরভাগ এন্টিবডি বিভিন্ন রোগীর ক্ষেত্রে বিভিন্ন পরিমাণে তৈরি হয়েছে। একটি প্রাক-প্রকাশনা রিপোর্টে ১৭৫ জন রোগীর কাছ থেকে প্রাপ্ত প্লাজমা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে যে আক্রমণের লক্ষণ উচ্চতর অ্যান্টিবডি টাইটারগুলোর সাথে সম্পর্কযুক্ত এবং কম বয়সী রোগীদের ক্ষেত্রে যথেষ্ট পরিমাণে এন্টিবডি তৈরি হয়নি।।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন যে, সুস্থ হওয়া রোগীদের ‘পুনরায় সংক্রমণ’ হওয়ার উদাহরণগুলো সম্ভবত এমন রোগীদের মধ্যে হয়েছে যাদের শরীর থেকে ভাইরাস পুরোপুরি নির্মূল হয়নি। হালকা বা লক্ষণহীন সংক্রমণ অর্থপূর্ণ অ্যান্টিবডি তৈরি করে বা সুরক্ষা দেয় কিনা তা বুঝতে এখনও তথ্যউপাত্তের যথেষ্ট অভাব রয়েছে।

আপনার মন্তব্য

Page rendered in: 0.0826 seconds.