• বিদেশ ডেস্ক
  • ২৭ এপ্রিল ২০২০ ১১:৪৭:৫৯
  • ২৭ এপ্রিল ২০২০ ১১:৪৭:৫৯
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

লকডাউন শিথিলের ঘোষণা দিল ইতালি

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী জিউসেপ্পে কন্তে। ছবি : সংগৃহীত

করোনাভাইরাসে মৃত্যুর হার কমতে থাকায় লকডাউন শিথিলের ঘোষণা দিয়েছে ইতালি। গত ৯ মার্চ থেকে লকডাউন চলা লকডাউন আগামী ৪ মে থেকে শিথিলের ঘোষণা দেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী জিউসেপ্পে কন্তে।

গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মাত্র ২৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা ৫০ দিনের মধ্যে সর্বনিম্ন মৃত্যু। এমন অবস্থায় দেশটির জনগণ আশার আলো দেখছেন।

দেশটির সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে পর্যালোচনা করে গতকাল ২৬ এপ্রিল, রবিবার সংবাদ সম্মেলনে লকডাউন শিথিলের ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী জিউসেপ্পে কন্তে।

এর অংশ হিসেবে ৪ মে থেকে উৎপাদন শিল্প, নির্মাণ খাত ও পাইকারি দোকান পুনরায় চালুর প্রক্রিয়া শুরু হবে। তবে সবকিছুই আপাতত সীমিত আকারে খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বিশেষ করে জনসমাগম এড়িয়ে চলতে খাবারের হোম ডেলিভারি আরও বৃদ্ধি করতে চায় সরকার। সেইসাথে প্রতিষ্ঠানগুলোকে কঠোরভাবে স্বাস্থ্য সুরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে বলে সতর্ক করে দেয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ১৮ মে থেকে বাণিজ্যিক কিছু অংশ, প্রদর্শনী, জাদুঘর, প্রশিক্ষণ টিম, ক্রীড়া ক্ষেত্র এবং গ্রন্থাগার খোলার ঘোষণা করা হয়। ১ জুন থেকে রেস্টুরেন্ট, বার, সেলুন, ম্যাসাজ সেন্টার খোলার ঘোষণা দেয়া হয়।

লকডাউন শিথিল হলে মাস্ক পরে আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে যেতে পারবেন ইতালীয়রা। সেই সঙ্গে পার্কগুলোও খুলে দেয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সব কিছু নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রেখে আমাদের কাজ করে যেতে হবে।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি ভালো না হওয়ায় আগামী সেপ্টেম্বরেও স্কুলগুলো খোলা সম্ভব হচ্ছে না। পাশাপাশি শিথিলের অর্থ এ নয় যে, একজন আরেকজনের বাসায় বেড়াতে যাবেন।‘

এসময় কন্তে বলেন, ‘যতদিন পর্যন্ত কোনো ভ্যাকসিন আবিষ্কার না হয়, ততদিন পর্যন্ত মৃত্যুর হার শূন্যে আনা সম্ভব নয়।’

উল্লেখ্য, লকডাউন জারি করার আগে ইউরোপের এই দেশটিতে ভয়াবহ আকারে ছড়িয়ে পড়ে কোভিড-১৯ নামের ভাইরাসটি। এখন পর্যন্ত এতে আক্রান্ত হয়ে দেশটিতে ২৬ হাজার ৬৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। সেখানে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ৯৭ হাজার ৬৭৫ জন। যাদের মধ্যে ৬৪ হাজার ৯২৮ জন সুস্থ হয়েছেন। চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৬ হাজার ১০৩ জন, যাদের ২ হাজার ৯ জনের অবস্থা গুরুতর।

বাংলা/এসএ/

আপনার মন্তব্য

Page rendered in: 0.0634 seconds.