• বিদেশ ডেস্ক
  • ০৩ মে ২০২০ ১৫:১৫:৫০
  • ০৩ মে ২০২০ ১৫:১৫:৫০
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

লিটার লিটার অক্সিজেন দেয়া হয়েছিলো আমাকে: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

ছবি : সংগৃহীত

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ‘দি সান’কে দেয়া সাক্ষাৎকারে করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার দিনগুলোর কথা তুলে ধরেছেন। গতকাল রবিবার তিনি ‘দি সান’কে এই সাক্ষাৎকার দেন।

সাক্ষাৎকারে জনসন জানান, তাকে বাঁচিয়ে রাখতে ‘লিটারের পর লিটার অক্সিজেন’ দেয়া হয়েছিল।
তিনি বলেছিলেন লন্ডনের সেন্ট থমাস হাসপাতালে ভর্তি পরবর্তী অভিজ্ঞতা তাকে অন্যদের ভোগান্তি কমাতে এবং যুক্তরাজ্যকে আবার ‘তার নিজের অবস্থানে ফিরিয়ে আনার’ নতুন আকাঙ্ক্ষায় উজ্জীবিত করেছে।

এদিকে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পরে তার বাগদত্ত, ক্যারি সাইমন্ডস একটি ছেলে সন্তানের জন্ম দেন। তারা ছেলেটির নাম রেখেছেন উইলফ্রেড ল্যারি নিকোলাস জনসন।

তাদের পিতামহ এবং দুজন চিকিৎসকের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে (যারা মি. জনসনকে করোনভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে থাকাকালীন চিকিৎসা করেছিলেন) তারা ছেলের এমন নাম রেখেছেন বলে আগেই জানিয়েছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী তার এ সাক্ষাৎকারে বলেন, মনিটরের দিকে তাকিয়ে যখন দেখছিলেন যে তার শারীরিক অবস্থা খারাপ হতে চলেছে তখন তার কাছে মনে হয়েছে ‘আমি এটি অস্বীকার করব না যে একটি কঠিন মুহূর্ত ছিল।’ তিনি নাকি তখন শুধু ভাবছিলেন ‘এ অবস্থা থেকে আমি কিভাবে বের হতে পারি।’

বরিস জনসনের ২৬ শে মার্চ করোনভাভাইরাস ধরা পড়েছিলো এবং তার ১০ দিন পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। আর তার পরের দিন তাকে নিবিড় চিকিৎসা কেন্দ্রে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল।

প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন সাক্ষাৎকারে আরো বলেছেন, ‘এটা বিশ্বাস করা কঠিন যে মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে আমার স্বাস্থ্যের এতদূর অবনতি হয়েছিল। যদি আমার অবস্থা আরে খারাপের দিকে যায় তবে যা যা করণীয় সে জন্য চিকিৎসকরা সমস্ত ব্যবস্থা নিয়ে রেখেছিলেন।’

বরিস জনসন বলেছেন যে তিনি নিজেকে ‘ভাগ্যবান’ মনে করেছেন। আর এর মধ্য দিয়ে আরো অনেক লোক যারা এখনো করোনায় আক্রান্ত তাদের জন্য তিনি আরো বেশি কিছু করার তাড়না অনুভব করছেন বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘তাই আপনি যদি আমাকে জিজ্ঞাসা করেন আমি কি অন্য লোকদের দুর্দশা বন্ধ করার চেষ্টায় রত আছি? উত্তরে আমি বলব হ্যাঁ, আমি পুরোপুরি সে কাজেই আছি।’

যুক্তরাজ্যকে আবার আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেয়ার আশা ব্যক্ত করে জনসন বলেন, ‘সুস্থ হওয়ার পর থেকে আমি আমাদের দেশকে পুরোপুরি নিজের পায়ে দাঁড় করানোর এক অপ্রতিরোধ্য ইচ্ছা পোষন করে চলেছি। আমি খুব আত্মবিশ্বাসী যে আমরা আবার আমাদের আগের জায়গায় পৌঁছে যাব।’

আপনার মন্তব্য

Page rendered in: 0.0714 seconds.