• বিদেশ ডেস্ক
  • ০৯ মে ২০২০ ১৯:০৬:৫০
  • ০৯ মে ২০২০ ১৯:০৬:৫০
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

করোনা চিকিৎসায় উদ্ভাবিত হলো নতুন ‘ট্রিক্স’

ছবি : সংগৃহীত

হংকংয়ের চিকিৎসকরা করোনা চিকিৎসায় নতুন 'ট্রিক্স' উদ্ভাবনের কথা জানিয়েছেন। তাদের এ গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে চিকিৎসা বিজ্ঞান সম্পর্কিত সবচেয়ে প্রভাবশালী জার্নাল 'ল্যানসেট' এ।

শুক্রবার এ চিকিৎসক দলটি জানিয়েছে, তিনটি অ্যান্টিভাইরাল ড্রাগের সাথে ইমিউন সিস্টেম বাড়ানোর ওষুধের সংমিশ্রণ- রোগীদের করোনা ভাইরাস সংক্রমণ থেকে দ্রুত সুস্থ করে তুলতে পারে।

তারা বলছেন, যদিও পদ্ধতির আরো পরীক্ষার প্রয়োজন তবে কোভিড -১৯ রোগীদের জন্য এটি আর একটা নতুন চিকিৎসা সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিতে পারে। বর্তমানে করোনা চিকিৎসায় একমাত্র অনুমোদিত অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ হচ্ছে রেমডিসিভির। বলা হচ্ছে এটা রোগীর অসুস্থতার সময়কাল কমিয়ে দেয়। তবে ওষুধটি পর্যাপ্ত না থাকায় সরবরাহের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ রয়েছে এখনো।

গবেষণার সারসংক্ষেপ :

হংকং ইউনিভার্সিটির ডা. কোভাক-ইয়ুং ইউয়েন (Dr. Kwok-Yung Yuen) এবং সহকর্মীরা রিটোনভির এবং লোপানিভির নামক এইচআইভি/এইডসের ওষুধের সাথে সাধারণ অ্যান্টিভাইরাল ড্রাগ রিবাভিরিন এবং বিটা ইন্টারফেরন নামক ওষুধ যা মাল্টিপল স্ক্লেরোসিসে ব্যবহার করা হয় - এই ৩ টি ওষুধ একত্রে করোনা রোগীদের উপর পরীক্ষা করেছিলেন।

গবেষণায় থাকা সমস্ত রোগীদের করোনার আক্রমণের লক্ষণ হালকা থেকে মাঝারি ধরণের ছিল এবং পজেটিভ টেস্টের সাত দিনের মধ্যে তাদের চিকিৎসা শুরু করা হয়েছিল। কিছু চিকিৎসক মনে করেন সংক্রমণের শুরুর দিকেই এ ওষুধ ব্যবহার করে রোগীদের চিকিৎসা করা হলে আরো ভাল ফল পাওয়া যেতে পারে।

ডা. ইউয়েনের এ দল কিছু রোগীদের শুধুমাত্র এইচআইভিতে ব্যবহৃত ওষুধ দুটোর সংমিশ্রণ দিয়েছিলেন। অন্যদের এইচআইভি/এইডসের ওষুধের এর সাথে অ্যান্টিভাইরাল ড্রাগ রিবাভিরিন এবং বিটা ইন্টারফেরন ইঞ্জেকশন ব্যবহার করা হয়েছিলো।

দেখা গেছে, যারা একত্রে ৩টি ওষুধ পেয়েছেন এমন রোগীরা গড়ে সাত দিন পরেই করোনা ভাইরাস পরীক্ষায় নেগেটিভ হয়েছেন। তবে যারা শুধু এইচআইভির ওষুধ পেয়েছেন দেখা গেছে, পরীক্ষায় তারা গড়ে ১২ দিন পরে নেগেটিভ হয়েছিলেন।

গবেষণা আরো বলছে, ৩টি ওষুধ একত্রে পাওয়া রোগীরা ওষুধ শুরু করার চার দিনের মধ্যেই সুস্থতা অনুভব করতে শুরু করেছিলেন।

গবেষকরা লিখেছেন, ‘প্রাথমিকভাবে এই ৩টি অ্যান্টিভাইরাল থেরাপি শুধু এইচআইভিতে ব্যবহৃত লোপানিভির-রিটোনভিরের চেয়ে এককভাবে নিরাপদ এবং উন্নততর। এ যৌথ ওষুধগুলো করোনার লক্ষণ কমিয়ে দেয়। এবং হাসপাতালের থাকার সময়কালও কমিয়ে দেয়।’

হালকা থেকে মাঝারি কোভিড-১৯ উপসর্গে যারা ভুগছেন সেসব রোগীদের জন্য এ ওষুধ কার্যকর হতে পারে বলে গবেষকরা উল্ল্যেখ করেছেন।

সংশ্লিষ্ট বিষয়

হংকং করোনাভাইরাস

আপনার মন্তব্য

Page rendered in: 0.0854 seconds.