• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ১০ মে ২০২০ ০০:১৬:৫৮
  • ১০ মে ২০২০ ০০:১৬:৫৮
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

ধর্ষণ করেন খালু, ভিডিও করেন আ.লীগ নেত্রী খালা

ছবি : সংগৃহীত

ইফতারের দাওয়াত দিয়ে বাড়িতে ডেকে নিয়ে যান খালা। সবাই মিলে ইফতারের পর বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্রীকে চায়ের সঙ্গে খেতে দেন নেশা জাতীয় দ্রব্য। এতে মেয়েটি অচেতন হয়ে পড়লে ধর্ষণ করেন খালু। আর সেই ধর্ষণ দৃশ্য মোবাইলে ভিডিও করেন খালা।

গত ২ মে সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার কমলাবাড়ী মোকামটিলা গ্রামে এমন ঘটনা ঘটেছে।

ঘটনার শিকার তরুণীর খালা হলেন জৈন্তাপুর উপজেলা নিজপাট ইউনিয়ন মহিলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সুমি বেগম ও খালু কয়েস আহমদ। শুক্রবার মধ্য রাতে তাদেরকে আটক করে র‌্যাব। পরি তাদেরকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

গত ৪ মে জৈন্তাপুর থানায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। শনিবার আদালতের মাধ্যমে সুমি বেগম ও কয়েস আহমদকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানান জৈন্তাপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শ্যামল বনিক। তিনি জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা অপরাধের কথা স্বীকার করেছে। 

আওয়ামী লীগ নেত্রী সুমি বেগম দীর্ঘদিন ধরে পর্নোগ্রাফির সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে সে পর্নোগ্রাফির জন্যই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে কৌশলে বাড়িতে ডেকে এনে ধর্ষণ ও মোবাইলে ভিডিও করার কথা স্বীকার করেছে। অন্যদিকে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি কয়েস আহমদ ভারতের নিষিদ্ধ জুয়া তীর খেলাসহ নানা অপকর্মের সঙ্গে জড়িত। 

পুলিশ জানায়, গত ২ মে ঘটনার খবর পেয়ে কয়েস আহমদের বাড়ি থেকে ছাত্রীর বাবা এসে তাকে উদ্ধার করেন। এরপর স্বজনদের পরামর্শে তাকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে ভর্তি করা হয়।

এই ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় বাদি উল্লেখ করেন, ইফতার শেষে রাত ৮টার দিকে সুমি বেগম চায়ের সঙ্গে নেশা জাতীয় কিছু মেশিয়ে খেতে দেয়। এই চা খেয়ে অচেতন হয়ে পড়েন তিনি। 

এরপর সুমি বেগমের সহায়তায় তার স্বামী কয়েস ভিকটিমকে ধর্ষণ করে এবং তা মোবাইলে ভিডিও ধারণ করে বলে জানায় পুলিশ।

সংশ্লিষ্ট বিষয়

সিলেট ধর্ষণ

আপনার মন্তব্য

Page rendered in: 0.0619 seconds.