• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ১১ মে ২০২০ ১০:৪২:৩৪
  • ১১ মে ২০২০ ১১:৩৪:৫৬
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

অনলাইনে আদালতের কার্যক্রম শুরু আজ

ফাইল ছবি

তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আজ থেকে আদালতের বিচার কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকারঘোষিত ছুটিতেও শারীরিক উপস্থিতি ছাড়া বিচার কার্যক্রম সচল রাখার জন্য এ কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র মোহাম্মদ সাইফুর রহমান।

উচ্চ আদালতে শুধুমাত্র জরুরি বিষয় ও নিম্ন আদালতে জামিন শুনানি হবে বলেও জানান সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র।

এদিকে আপিল বিভাগের রেজিস্ট্রার মো. বদরুল আলম ভূঞা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, শুধু ভার্চুয়াল উপস্থিতির মাধ্যমে আপিল বিভাগের বিচারকার্য পরিচালনার জন্য চেম্বার জজ হিসেবে বিচারপতি মো. নূরুজ্জামানকে মনোনয়ন দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি। বিচারপতি মো. নূরুজ্জামান আগামী ১৪ ও ২০ মে সকাল সাড়ে ১১ টা থেকে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে চেম্বার কোর্টে শুনানি গ্রহণ করবেন।

গতকাল ১০ মে, রবিবার হাইকোর্ট বিভাগের আরো দুইটি বেঞ্চ গঠন করে দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। বিচারপতি ওবায়দুল হাসানকে জরুরি রিট ও দেওয়ানি মোশন, বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেনকে সকল ফৌজদারি মোশন ও জামিন আবেদন নিষ্পত্তি করতে বলা হয়েছে। আর বিচারপতি মোহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারকে অন্যান্য বিষয় শুনানির দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

এর আগে ভিডিও কনফারেন্সে সুপ্রিম কোর্টের ফুলকোর্ট সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উভয় বিভাগের বিচারপতিরা অংশগ্রহণ করেন। ওই সভায় এসব বেঞ্চ গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।

এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ এম আমিন উদ্দিন বলেন, ‘ভার্চুয়াল উপস্থিতির মাধ্যমে বিচার কার্যক্রম শুরু দেশের বিচার বিভাগের ইতিহাসে প্রথম ও নতুন সংযোজন। করোনা পরিস্থিতির কারণে আদালতের স্বাভাবিক কার্যক্রম প্রায় দুমাস ধরে বন্ধ রয়েছে। এতে বিচারপ্রার্থীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।’

এমন প্রেক্ষাপটে ভার্চুয়াল উপস্থিতিতে আদালতের কার্যক্রম পরিচালনা করা অত্যন্ত সময় উপযোগী সিদ্ধান্ত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার করে আদালত পরিচালনার লক্ষ্যে গত ৯ মে, শনিবার 'আদালত কর্তৃক তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার অধ্যাদেশ ২০২০' জারি করেন রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ। এর ফলে অডিও-ভিডিও বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে বিচারকাজ পরিচালনার সুযোগ তৈরি হয়।

অধ্যাদেশের বিধান অনুসারে, আপিল বিভাগ বা ক্ষেত্রমতো হাইকোর্ট বিভাগ সময়ে সময়ে এ বিষয়ে প্রাকটিস নির্দেশনা (বিশেষ বা সাধারণ) জারি করতে পারবে। আর জারি করা প্রাকটিস নির্দেশনা (বিশেষ বা সাধারণ) সাপেক্ষে অডিও-ভিডিও বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে বিচারপ্রার্থী পক্ষগণ বা তাদের আইনজীবী বা সংশ্লিষ্ট অন্য ব্যক্তি বা সাক্ষীগণের ভার্চুয়াল উপস্থিতি নিশ্চিতক্রমে যে কোনো মামলার বিচার বা বিচারিক অনুসন্ধান বা দরখাস্ত বা আপিল শুনানি বা সাক্ষ্য গ্রহণ বা যুক্তিতর্ক গ্রহণ বা আদেশ বা রায় প্রদান করতে পারবে বলেও অধ্যাদেশে উল্লেখ করা হয়।

বাংলা/এসএ/

আপনার মন্তব্য

Page rendered in: 0.0722 seconds.