• ১৩ মে ২০২০ ২২:৩৪:২১
  • ১৩ মে ২০২০ ২২:৩৪:২১
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

করোনাকালে আমাদের মিডিয়া ও গবেষণা

ছবি : সংগৃহীত


অনুপম সৈকত শান্ত :


বাংলাদেশের মিডিয়ার অবস্থা দেখলে মাঝে মধ্যে হতাশ হয়ে যেতে হয়। এমনিতে সরকারের নজরদারির মধ্যে আমাদের মিডিয়াও অনেক চাপে আছে বলে তাদের নিয়ে বেশি কথা বলি না, অনেক সময়ে অনেক কিছুই এড়িয়ে যাই- কিন্তু অধিকাংশ জাতীয় হেভিওয়েট মিডিয়াই এই করোনাকালে চরম দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়েছে বলে আমার মনে হয়েছে। অন্য সব কিছু বাদ দিয়ে শুধু বিজ্ঞান, গবেষণা, আবিষ্কার এই সংক্রান্ত খবরগুলোর দিকেও যদি তাকাই, হতাশ হওয়া ছাড়া কোন উপায় থাকে না!

একদম শুরু থেকেই তারা নানাভাবে ভুল তথ্য যেমন দিয়েছে, তেমনি দুনিয়ার নানান  গবেষণার প্রাথমিক ফলকেই প্রেক্ষিত, জনগণের মাঝে প্রভাব- এ ধরণের কোন বিবেচনা বাদ দিয়েই প্রকাশ করেছে! আবার, যেসব গবেষণা ও আবিষ্কারকে গুরুত্ব দেয়া দরকার, সেসবকে কোনরকম গুরুত্ব দেয়া হয়নি বা আড়ালেও ফেলে রেখেছে।

যখনো আমাদের দেশে করোনা ব্যাপক বিস্তৃতিলাভ করেনি, সেসময়ে “গরমে কিছু হয় না”, “বিসিজি টিকা কর্মসূচি যেসব দেশে চালু- সেখানে করোনা কিছু করতে পারে না”- এ রকম কিছু প্রাইমারি স্টাডিকেই আমাদের মিডিয়া হাইলাইট করেছে, ফলে জনগণকে একরকম সতর্কহীন, মানেড্যাম-কেয়ার বানাতে ভূমিকা রেখেছে। অমুক–তমুক ওষুধের কথা মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়েছে। এমনকি, উকুনের ওষুধ দিয়ে করোনা প্রতিরোধের খবরও এখানে প্রকাশ হয়েছে। আর, দেশের উচ্চ মুনাফা-প্রত্যাশী ওষুধ কোম্পানিগুলোর ক্লিনিকাল-ট্রায়াল বিহীন ওষুধ তৈরির খবরতো বিভিন্ন মিডিয়ায় খুবই গর্বভরে প্রকাশিত হয়েছে। “করোনা চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ দেশেই তৈরি হচ্ছে”, “করোনার পরীক্ষামূলক ওষুধ”- এরকম হেডলাইনই শুধু না, অসংখ্য মিডিয়ায় এভাবেও এসেছে “দেশেই তৈরি হচ্ছে করোনার ওষুধ”!

কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যাপক মুরগির করোনাভাইরাস গবেষণাগারে ইথানল দিয়ে মেরে ‘মানুষের করোনাভাইরাস প্রতিরোধে’ ইথানল থেরাপির (ইথানল বাষ্প নাক দিয়ে নেয়া ও ইথানল দিয়ে গারগেল করা) একটা বিপজ্জনক প্রস্তাবনা দিয়েছিলেন, সেটাই আমাদের মিডিয়া ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে বিশাল আবিষ্কার হিসেবে প্রচার করেছে। একাত্তর টিভি তো এক কাঠি লাফিয়ে বিশেষ প্রতিবেদনে বলেও ফেলেছিলো- কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এই ইথানল থেরাপি নাকি মুরগির উপরে প্রয়োগও করে সফলতা পেয়েছেন, যেটা ঐ প্রতিবেদন পরবর্তী লাইভে অধ্যাপককে এসে সংশোধন করে দিতে হয়েছিলো। এই ৭১ টিভিই পরবর্তী একটা আবিষ্কারের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে আবিষ্কারক প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে ডেকে নিয়ে নানাভাবে হেনস্থা করেছে, ট্রায়ালের আগেই কার্যকারিতা নিয়ে নানা রকম সন্দেহ প্রকাশ করেছে, অথচ সেই ইথানল থেরাপি “আবিষ্কার” করা অধ্যাপককে একবারের জন্যেও প্রশ্ন করেনি যে, ল্যাবেতো ইথানল দিয়ে করোনাভাইরাস মারাতে সফলতা পেয়েছেন- কেবল সেটাকে আবিষ্কার না বলে কোনরকম ক্লিনিকাল ট্রায়াল ছাড়াই ইথানল থেরাপির প্রস্তাবনা কে কেন ওনারা আবিষ্কার বলছেন, আর ইথানল দিয়ে যে শুধু মুরগির করোনাভাইরাস কেন নানারকম ভাইরাস-ব্যাক্টেরিয়া–রোগ জীবাণু মারা সম্ভব হয় বলেই তো হ্যাণ্ড স্যানিটাইজারে, ডিস ইনফেকশনের ব্যবস্থায় ইথানল গোটা দুনিয়াতে অনেক আগে থেকেই বহুল ব্যবহৃত, ফলে এটাকে সেই অধ্যাপক আবিষ্কার কেন বলছেন!

সেদিনও কিছু মিডিয়াতে দেখলাম, খবরের হেডলাইন করেছে- “সুখবর দিল চীন, করোনা ভ্যাকসিন পরীক্ষায় শতভাগ সাফল্য”। আসল ঘটনা হচ্ছে, চীনা একটি কোম্পানি বানরের উপরে ট্রায়ালে শতভাগ সাফল্য পেয়েছে। অথচ, এরকম প্রিক্লিনিকাল পর্যায়ের ট্রায়াল পার হয়েই ভ্যাক্সিন গুলোকে ক্লিনিক্যাল ফেজে যেতে হয়, যেখানে ৩টি ফেজে হিউম্যান ট্রায়াল হওয়ার পরে একটা ভ্যাক্সিন সাধারণ মানুষের ব্যবহারের উপযোগী হতে পারে। গত ৫ মে পর্যন্ত অন্তত ৮ টি কোম্পানির ভ্যাক্সিন ক্লিনিকাল ফেজে গিয়েছে, যাদের অনেকেই ফেজ টুতেও আছে, অর্থাৎ এদের অনেকেই সেই মার্চ-এপ্রিলেই এনিম্যাল ট্রায়াল ফেজ পার হয়েছে- হ্যাঁ সেখানে ইঁদুর, বানরের মত প্রাণীর উপরে ট্রায়ালে শতভাগ সফল হওয়ার পরেই ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু করতে পেরেছে। এখনো আরো ১০০ টার মত কোম্পানির ভ্যাক্সিন প্রি-ক্লিনিকাল ফেজে আছে, যাদের অনেকেই ইদুর, বানরের উপরে ট্রায়াল চালাচ্ছে, সাফল্যও পাচ্ছে।

একইভাবে, বাংলাদেশে সার্স-কোভ-২ এর জিনোম সিকুয়েন্স বের করা নিয়ে মিডিয়াগুলোজুড়ে মাতম শুরু হয়ে গিয়েছে। নিউজগুলো দেখলে মনে হচ্ছে, যেন বা এই করোনাভাইরাসের এবারেই জিনোম সিকুয়েন্স "আবিষ্কার" হয়েছে। নিউজে বলা হচ্ছে, এই আবিষ্কারের ফলে "ভাইরাসের গতি প্রকৃতি বুঝা যাবে", "ভাইরাস প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেয়া যাবে" ইত্যাদি। এমনকি এরকম হেডলাইনও চোখে এসেছেঃ "করোনার জিনোম সিকোয়েন্স আবিষ্কার করল বাংলাদেশ", "করোনার জিনোম আবিষ্কার দেশের মানুষের প্রতিষেধক আবিষ্কারে সহায়তা করবে"! রিসার্চ হেলথ ফাউণ্ডেশন যে প্রথমবারের মত বাংলাদেশে এই  ভাইরাসের পূর্ণাঙ্গ জিনোম সিকুয়েন্স বের করেছে, তাতে  আমি ব্যক্তিগতভাবে দারুণ খুশি। ডঃ সেঁজুতি সাহা ও তাঁর বিজ্ঞানী দলকে অভিনন্দন জানাই। কিন্তু মিডিয়ায় যেরকম মাতম দেখছি, তাতে মনে হচ্ছে- এই একটি ভাইরাসের জিনোম সিকুয়েন্স করেই এবার একদম বাংলাদেশ থেকে করোনা নির্মূল হয়ে যাবে! বাস্তবে এরকমএকটি জিনোম সিকুয়েন্স বের করা বেসিক পর্যায়ের রিসার্চ হওয়া দরকার ছিল, এরকম প্যানডেমিক সিচুয়েশনে বস্তুত এই কাজটা হওয়ার কথা ছিল একটি রুটিন কাজ। গোটা দুনিয়ার যাবতীয় জিনোম সিকুয়েন্স গুলোর একটা অনলাইন ডাটাবেজ আছে, GISAIDডটঅর্গনামের সেই ডাটাবেজ-সাইটে গেলেই দেখাযায়, এর মধ্যেই সার্স-কোভ-২ বা hCoV-19 এর ২৪০০০ এর বেশি জিনোম সিকুয়েন্স সেখানে আছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মুশতাক ইবনে আয়ূব গত মাসে তাঁর একটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণায় সারা দুনিয়ার জিনোম সিকুয়েন্সগুলোকে ডাটাবেজ থেকে নিয়ে ক্যাটেগোরাইজ করে দুর্বল ভাইরাসকে নির্দেশ করেছিলেন। একই সময়ে এমআইটির আরেক গবেষণাতেও করোনাভাইরাসের বিভিন্ন স্ট্রেইনকে তিনটা ক্যাটেগরিতে ভাগ করে দেখা গেছে দুটো ক্যাটেগরির তুলনায় একটা ক্যাটেগরির ভাইরাস বেশ দুর্বল। ঐ স্টাডিগুলো দেখার সাথে সাথে প্রথম প্রশ্ন মাথায় আসে, বাংলাদেশে কোন ক্যাটেগরির ভাইরাস এসেছে! আফসোসের ব্যাপার ছিল- বাংলাদেশে এতদিন একটা ভাইরাসেরও জিনোম সিকুয়েন্স ছিল না। ঢাবি গবেষক ড. মুশতাক ইবনে আয়ূব সেই ২৩ এপ্রিল তারিখে বলেছিলেন, "এটা আক্ষেপের বিষয় যে আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ তাদের শতাধিক ভাইরাসের জিনোম তথ্য উদঘাটন করেছে। কিন্তু বাংলাদেশ থেকে একটিও হয়নি। আসলে আমাদের দেখা দরকার বাংলাদেশে কোনটা এসেছে"। NEXT STRAIN ডট অর্গ নামের সাইটে সরাসরি GISAID ডাটাবেজ থেকে থেকে জিনোম সিকুয়েন্স নিয়ে বিভিন্ন দেশের ভাইরাসের জিনোম সিকুয়েন্সের সাথে মিলের ভিত্তিতে কোন দেশের ভাইরাসের সাথে কোন দেশের ভাইরাসের মিল আছে- সেটা ম্যাপে দেখাযায় (বাংলাদেশের একটিমাত্র এন্ট্রি সেখানে দেখা যাচ্ছে- খুব সম্ভবত এটিই হেলথ ফাউণ্ডেশনের জিনোম-মাপটিতে দেখা যাচ্ছে এই ভাইরাসটি ইউরোপ থেকে এসেছে, ম্যাপটা এনলার্জ করে যতটুকু দেখলাম- তাতে মনে হচ্ছে এটি বেলজিয়াম থেকে আসা বা বেলজিয়ামের ভাইরাসের জিনোমের সাথে মিলে)। সেই ম্যাপে গেলেও দেখা যায়, আফ্রিকার সেনেগাল, গাম্বিয়া, আলজেরিয়া, নাইজেরিয়া, কঙ্গো, ঘানার মত দেশগুলোতে সেই কত আগে কতগুলো করে ভাইরাসের জিনোম সিকুয়েন্স করে ফেলেছে, এমনকি পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতও গত দুইদিনে ১০ এর বেশি জিনোম আপলোড করেছে। সেখানে বাংলাদেশ এই প্রথমবারের মত একটি ভাইরাসের জিনোম সিকুয়েন্স করাতেই এখানকার মিডিয়ার এমন মাতমের চাইতে কেন এতদিনেও এখানে একটিও জিনোম সিকুয়েন্স করা হয়নিবাকরাহচ্ছেনাবলে গত ৩ মাসে যদি ৩০ টা রিপোর্ট হতো, এমনকি ঢাবি গবেষকের সেই বক্তব্যটাকে হেডলাইন করে কয়েকটা নিউজ করা হতো- এমন গবেষণার দিকেআরো কিছু মনোযোগ ফিরতোহয়তো! এই জিনোম সিকুয়েন্স আবিস্কার করায় দেশে করোনার প্রতিষেধক তৈরি হয়ে যাবে- এমনউদ্ভট ধরণের নিউজ না করে যদি ওনারা নিউজ করতেন, আমাদের দেশে ভ্যাক্সিন নিয়ে কেন গবেষণা হচ্ছে না, সেই জানুয়ারিতে চীনা গবেষক জিনোম সিকুয়েন্স আবিস্কার করার পর থেকেই যে ভ্যাক্সিন তৈরির গবেষণাটা শুরু করে দেয়া সম্ভব ছিল- তারপরেও আমাদের দেশে ভ্যাক্সিন নিয়ে গবেষণার চিত্রটা কি কেমন- সেসব নিয়ে প্রতিবেদন যদি মিডিয়াওয়ালারা করতো, হয়তোচিত্রটি ভিন্নহতো, আমাদের দেশের কোন কোন গবেষক আগ্রহী হতেন, সরকারের তরফ থেকে গবেষণায় উদ্যোগ নেয়া হতো, বরাদ্দ দেয়া হতো!

আমাদের মিডিয়া যে কতখানি দেউলিয়া সেটা সবচাইতে ভালো দেখা গিয়েছে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কিট নিয়ে মিডিয়াগুলোর অবস্থানে! ৭১ চ্যানেল, বিডিনিউজ২৪ এর মত কত কিছু মিডিয়া তো সরাসরি নির্লজ্জ বিরোধী প্রচারণায় নেমে গিয়েছে, কিন্তু বাকি মিডিয়াগুলোর অবস্থা কি? ট্রায়ালের জন্যে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজকে ঠিক করা হয়েছে, এই খবরের দুই সপ্তাহ হয়ে গেল। ৫-১৫ মিনিটে টেস্ট করতে সক্ষম র‍্যাপিড কিট দিয়ে এরকম ট্রায়াল ৫০০ স্যাম্পলে চালালে ১ দিনে করা যায়, ২০০০ স্যামলে চালালে ম্যাক্সিমাম ৫ দিন লাগে... অথচ, দুই সপ্তাহেও কোন খবর নেই। অথচ আমাদের মূলধারার কোন  মিডিয়াতে একটা কথাও নেই, কোন ফলো-আপনিউজ নাই। এটা আসলে কিভাবে সম্ভব? ট্রায়াল হচ্ছে কি হচ্ছে না, পজিটিভ–নেগেটিভ যে ফলই আসুক, এরকম মহামারী অবস্থায় এটিতো এরকম অনিশ্চিত অবস্থায় পড়ে থাকতে পারে না! ভাবটা এমন যে, সমস্ত দায় সেই গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে ডঃ জাফরুল্লাহর আর বিজ্ঞানী ডঃ বিজন কুমার শীলের! আর কারোর এ ব্যাপারে কোন চিন্তা ভাবনা নেই। এটা কিভাবে সম্ভব? আমাদের গণমাধ্যমের দায়বদ্ধতার জায়গাটি আসলে কোথায়?

দুনিয়ার দেশে দেশে গবেষণার কাজেও এই এন্টিবডি টেস্টিং কিট ব্যবহৃত হচ্ছে। অন্তত সেই গবেষণার উদ্দেশ্যেও যে এই কিটগুলো ব্যবহার করা কত দরকার, সে দিকটাও কি আমাদের মিডিয়া সামনে আনতে পারতো না? যুক্তরাষ্ট্রে যে এরকম এন্টিবডি কিট অনুমোদনের পুরা প্রকৃয়া কত শিথিল করে দেয়া হয়েছে- সেখানে এন্টিবডি কিট দিয়ে তিন স্তরের সার্ভে প্রোগ্রাম চলছে, ভিয়েতনাম আরটিপিসিআরের পাশাপাশি মাস পাবলিকের মাঝে টেস্টিং এর জন্যে কোরিয়া থেকে লাখ লাখ এন্টিবডি কিট আমদানি করেছে, নেদারল্যাণ্ডে জনগণের মাঝে ইম্যুউনিটি কতখানি গ্রো করেছে- তার জন্যে এন্টিবডি টেস্টিং এর মাধ্যমে সার্ভে প্রোগ্রাম চলছে- এই ধরণের খবরগুলো কি আমাদের মিডিয়ায় আসতে পারতো না? এসব গবেষণার খবর এলে কি সরকার অনুমোদন নিয়ে এমন গড়িমসি করতে পারতো, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কি ঢাকার বস্তিগুলোতে, ঢাকা গার্মেন্টসগুলোতে, বিভিন্ন হটস্পটগুলোতে, কম আক্রান্ত জেলাগুলোতে- এরকম নানান পর্যায়ের গবেষণায় আগ্রহী হতো না?

এই করোনা পরিস্থিতি আসলে চোখে আঙ্গুল দিয়ে আমাদের এই সমাজ ব্যবস্থার অনেকগুলো ফাঁক ফোকর উন্মোচন করে চলছে। আমাদের দেশে সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থার অপ্রতুলতা, ভঙুর স্বাস্থ্য ব্যবস্থা, আমাদের শিক্ষা ও গবেষণার দশা এসব যেমন প্রকাশ করেছে, তেমনি আমাদের মিডিয়ারও দায়িত্ব হীনতা, মেরুদণ্ড হীনতা ও অযোগ্যতাকেও প্রতিনিয়ত উন্মোচিত করে চলেছে।

লেখক : প্রকৌশলী ও গবেষক।

আপনার মন্তব্য

Page rendered in: 0.0723 seconds.