• বিদেশ ডেস্ক
  • ১৬ মে ২০২০ ২০:৫৮:৩৬
  • ১৬ মে ২০২০ ২০:৫৮:৩৬
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

বিভিন্ন রাজ্য থেকে লকডাউন তুলে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ছবি : সংগৃহীত

করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক বিভাগ দ্বারা তৈরিকৃত প্রস্তাবনার আলোকে শুক্রবার হতে বিভিন্ন রাজ্য থেকে লকডাউন উত্তোলন শুরু হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে নিউইয়র্ক, ভার্জিনিয়া এবং মেরিল্যান্ডের কম জনবহুল অঞ্চল থেকে লকডাউন তুলে নেয়া হয়েছে বলে রয়টার্স পরিবেশিত খবরে জানা গেছে।

নিউইয়র্ক রাজ্যের ১০ টির মধ্যে পাঁচটি এলাকায় নির্মাণ ও উৎপাদন কাজ শুরু করার জন্য সবুজ সংকেত দেয়া হয়েছে। যদিও সবচেয়ে জনবহুল নিউইয়র্ক সিটি এখনো কঠোর লকডাউনের মধ্যে রয়েছে।

নিউইয়র্ক রাজ্যের গ্রামীন অঞ্চল, কানাডার সীমান্ত পর্যন্ত বিস্তৃত ম্যানহাটান এর পার্বত্য এবং কৃষিঅঞ্চল কেন্দ্রিক জায়গাতে মহামারিটির বিস্তার সেভাবে ঘটেনি। ফলে এসব এলাকা থেকে লকডাউন তুলে নেয়া হয়েছে।

জো ডন্ডন নামের একজন নির্মাণ ব্যবসায়ী যার নিউইয়র্কে ব্যবসা রয়েছে তা মার্চ মাসে বন্ধ হয়ে গিয়েছিলো। এখন লকডাউন শিথিল করায় তিনি উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। শুক্রবার তিনি বলেন, আমরা কাজে ফিরে যেতে পেরে খুবই খুশি।

নিউইয়র্কের মেয়র অ্যান্ড্রু কুমো শুক্রবার বলছিলেন, নিউইয়র্কের করোনাভাইরাস হাসপাতালে ভর্তি হ্রাস পেয়ে ৬৩৯৪ জনে নেমে এসেছে যা গত ১ মাস আগে ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যার মাত্র এক তৃতীয়াংশ। আর করোনাভাইরাসের মৃত্যুর সংখ্যা বৃহস্পতিবার ছিলো ১৩২ জন; যা ২৫ মার্চের পরে এই রাজ্যের সর্বনিম্ন মৃত্যুর ঘটনা।

কুমো বলেছিলেন যে ২৩-২৫ মে পুরো নিউইয়র্ক রাজ্য নিকটস্থ নিউ জার্সি, কানেক্টিকাট এবং ডেলাওয়্যার রাজ্যের সাথে খোলার ব্যাপারে আশাবাদী।

এদিকে ভার্জিনিয়া এবং মেরিল্যান্ডের কিছু কিছু এলাকা ব্যবসায়ের জন্য পুনরায় খোলার অনুমতি দেয়া হয়েছে। যদিও ওয়াশিংটন ডিসি এবং বাল্টিমোরে করোনাভাইরাসে মৃত্যুর সংক্রমণের ভয়ে লোকজনকে বাড়ি থাকার আদেশ বহাল রয়েছে।

লকডাউন তুলে দেয়ার এ পরিকল্পনা মূলত ভৌগলিক এবং রাজনৈতিক চিন্তার ভিত্তিতে করা হয়েছে। রিপাবলিকান গভর্নররা পঙ্গু অর্থনীতিকে দ্রুত সচল করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছেন। এজন্য বিশেষত দক্ষিণাঞ্চলীয় জর্জিয়া এবং টেক্সাসের মতো রাজ্যে প্রথমেই দোকান এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালু করার অনুমতি দেয়া হয়েছে।

ডেমোক্রেট গভর্নররা জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগ প্রকাশ করে তাদের বড় শহরগুলোর সম্পর্কে আরো বেশি সতর্কতা অবলম্বন করছেন। কারণ করোনায় এ অবধি ৮৫,০০০ এরও বেশি আমেরিকান মারা গেছেন।

আপনার মন্তব্য

Page rendered in: 0.0906 seconds.