• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ১৮ মে ২০২০ ১৪:০২:৪৪
  • ১৮ মে ২০২০ ১৪:০২:৪৪
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

১৪ দিনেই ৮০ কোটি ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা

ফাইল ছবি

নভেল করোনাভাইরাসের প্রকোপে গোটা বিশ্ব বিপর্যস্ত। যার প্রভাব পড়েছে দেশের রেমিটেন্সেও। গত মার্চ মাস থেকেই কমছে রেমিটেন্সের প্রবাহ। তবে ঈদুল ফিতর এগিয়ে আসায় মে মাসে ফের রেমিটেন্স আসার গতি বেড়েছে। এ মাসের প্রথম ১৪ দিনেই ৮০ কোটি ডলার রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এপ্রিল মাসের গোটা রেমিটেন্সের যা দুই-তৃতীয়াংশ।

বিভিন্ন দেশে প্রায় এক কোটি বাংলাদেশি রয়েছেন। তাদের পাঠানো অর্থ দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। জিডিপিতে এই রেমিটেন্সের অবদান প্রায় ১২ শতাংশ। প্রতি বছরই ঈদের আগে পরিবারের জন্য বেশি করে অর্থ পাঠান প্রবাসীরা। যে কারণে ঈদের মাসে রেমিটেন্স প্রবাহে গতি আসে। গত বছরের রোজার ঈদের আগে মে মাসে ১৭৪ কোটি ৮২ লাখ ডলার রেমিটেন্স এসেছিল। যা এক মাসে সর্বোচ্চ। ওই মাসের প্রথম ১৪ দিনে ৮৭ কোটি ১০ লাখ ডলার পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা।

করোনার প্রাদুর্ভাবের মধ্যে বহু দেশ থেকে ফিরে এসেছেন বিপুলসংখ্যক প্রবাসী শ্রমিক। কর্মস্থলে রয়ে যাওয়া শ্রমিকদের ভবিষ্যৎও অনেকটা অনিশ্চিত। ইতোমধ্যে বেশ কিছু দেশ সেখান থেকে বাংলাদেশিদের ফিরিয়ে আনার জন্য চাপ দিচ্ছে বলেও খবর বেরিয়েছে। যেসব কারণে এবার ঈদের আগে তেমন রেমিটেন্সের আশা করছিলেন না অর্থনীতিবিদরা।

গত মার্চ মাসে রেমিটেন্স এসেছিলো ১২৮ কোটি ৬৮ লাখ ডলার, যা আগের বছরের মার্চ মাসের চেয়ে ১৩ দশমিক ৩৪ শতাংশ কম। এপ্রিল মাসে আরো কমে আসে রেমিটেন্স। এ মাসে ১০৮ কোটি ১০ লাখ ডলার রেমিটেন্স আসে, যা আগের বছরের এপ্রিলের চেয়ে ২৪ দশমিক ৬১ শতাংশ কম।

কিন্তু মে মাসেই এ চিত্র বদলে যায়। প্রথম ১১ দিনেই ৫১ কোটি ২০ লাখ ডলার রেমিটেন্স এসেছে। আর ১৩ মে পর্যন্ত এসেছে ৬৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক কাজী ছাইদুর রহমান বলেন, ‘মহামারীর কারণে বিশ্বের প্রায় সব দেশেই সঙ্কট চলছে। আমরা ভেবেছিলাম রেমিটেন্সের পরিমাণ একেবারে তলানিতে নেমে আসবে। তবে তা হয়নি।’

প্রতিবারের মত এবারো ঈদে পরিবার-পরিজনের জন্য প্রবাসীরা বেশি রেমিটেন্স পাঠাচ্ছেন বলে জানান তিনি।

বাংলা/এসএ/

আপনার মন্তব্য

Page rendered in: 0.0743 seconds.