• বিদেশ ডেস্ক
  • ১৯ মে ২০২০ ১৪:৪৪:১৬
  • ১৯ মে ২০২০ ১৪:৪৪:১৬
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

ভ্যাকসিনের প্রথম প্রয়োগে মিলেছে সাফল্য : মার্কিন বিশেষজ্ঞ

ছবি : প্রতিকী

যুক্তরাষ্ট্রে মানুষের ওপর প্রয়োগ করা প্রথম করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনের আশানুরূপ ফল এসেছে বলে দাবি করেছেন বিশেষজ্ঞরা। ভ্যাকসিনটি মানব শরীরে কোনো ক্ষতিকর প্রভাব ফেলেনি। একই সঙ্গে এটি করোনা প্রতিরোধে এন্টিবডি তৈরিতে সক্ষম হয়েছে।

ভ্যাকসিনটির প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান মডার্না। এই ভ্যাকসিনের ফলে মানব শরীর প্রত্যাশা মতোই সাড়া দিচ্ছে বলে দাবি করে প্রতিষ্ঠানটি। ১৮ মে, সোমবার এই তথ্য জানায় মডার্না। এমন খবর প্রকাশ করেছে সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া।  

এর আগে গত মার্চ মাসে যুক্তরাষ্ট্রে আট জন নাগরিকের শরীরে ওই ওষুধের দুটি করে ডোজ প্রয়োগ করা হয়। এতে করে তাদের শরীরে যে অ্যান্টিবডি তৈরি হয় তা পরীক্ষাগারে মানব কোষের ওপর পরীক্ষা করা হয়।

ওই পরীক্ষায় দেখা গেছে, এই সব মানব কোষে নতুন করে করোনাভাইরাস প্রভাব বিস্তার করতে পারেনি। এই ভ্যাকসিন প্রয়োগের পর যে পরিমাণ অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে তা করোনা সারিয়ে সুস্থ হয়ে যাওয়ার মানুষের শরীরে উৎ‍পন্ন হওয়া অ্যান্টিবডির সমান।

এদিকে দ্বিতীয় পর্যায়ে আরো ৬০০ জন ব্যক্তির ওপরে এই ভ্যাকসিন প্রয়োগের কাজ দ্রুতই শুরু হবে বলেও জানানো হয়। আর আগামী জুলাই মাসে তৃতীয় পর্যায়ে এক হাজার ব্যক্তির ওপরে এই ভ্যাকসিনের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করা হবে।

প্রতিষ্ঠানটির প্রধান মেডিকেল অফিসার টাল জ্যাকস জানান, এসব পরীক্ষা সফল হলে চলতি বছরের শেষ অথবা ২০২১ সালের শুরুতে বাজারে আসতে পারে করোনার এই ভ্যাকসিন।

জ্যাকস আরো জানান, নিম্ন, মাঝারি ও উচ্চ এই তিন ধরনের ভ্যাকসিনের পরীক্ষা করা হয়েছিল। এর মধ্যে নিম্ন ও মাঝারি ডোজগুলোর উপর ভিত্তি করে প্রাথমিক এই ফলাফল তৈরি করা হয়েছে। এর ক্ষতিকর প্রভাব হিসেবে শরীরের যেখানে ভ্যাকসিনের প্রয়োগ করা হয়েছিল সেখানে লালভাব ও লালশিটে দাগ দেখা গেছে। আর তিনজন রোগীর জ্বর, মাংসপেশী ও মাথাব্যাথা ছিলো। যদিও সেগুলো একদিন পর সেরে গেছে।

তিনি আরো জানান, ভ্যাকসিনের উচ্চ ডোজটি গবেষনা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে। এটা কোন ক্ষতিকর প্রভাবের কারণে করা হয়েছে এমনটা নয়। বরং নিম্ন ও মাঝারি ডোজ দুটি এতো ভালো কাজ করছে যে ওটার আর প্রয়োজন নেই।

জ্যাকস আরো বলেন, ‘ডোজ কমিয়ে আনতে পারলে, আমরা আরো বেশি ভ্যাকসিন তৈরি করতে সক্ষম হবো।’   

বাংলা/এনএস 

আপনার মন্তব্য

Page rendered in: 0.0670 seconds.