• ক্রীড়া ডেস্ক
  • ২১ মে ২০২০ ১৬:০১:৪১
  • ২১ মে ২০২০ ১৬:০১:৪১
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

করোনাকালে স্টেডিয়াম ‘মাতাবে’ রোবট-সেক্স ডল

ছবি : এএফপি থেকে নেয়া

করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) পরিস্থিতির পর ভক্তদের উপস্থিতি ছাড়া প্রতিযোগিতা করা প্রাণবন্ত খেলার জন্য একটি চ্যালেঞ্জ। তাই খালি স্টেডিয়ামগুলো আরো আকর্ষণীয় করতে বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করছেন আয়োজকরাও। রেকর্ড পরিমাণ জরিমানা দিয়ে সেক্স ডল দিয়ে দর্শকদের আসন পূরণ করেছে দক্ষিণ কোরিয়ার ফুটবল ক্লাব এফসি সিউল।

এই কাজে কিভাবে আরো আকর্ষণীয় এবং ভক্তদের অভাব পূরণ করা যায়, তার কিছু নতুন উপায় তুলে ধরেছেন সংবাদ সংস্থা এএফপি। নিচে তা তুলে ধরা হলো-

রোবট ড্রামার :

তাইওয়ানে গত মাসে বেসবল লিগ অনুাষ্ঠিত হয়। সেখানে অবিশ্বাস্যভাবে রোবটারা ড্রাম বাজিয়ে লাইভ মিউজিক সরবরাহ করেছিলো।

এটা ‘স্টার ওয়ারের’ কোনো দৃশ্য মনে হতে পারে। যেখানে কিছু রোবট নকল চুল পরে ‘রাকুটেন মানকি’ দলের হয়ে ড্রাম বাজাচ্ছেন। তাদের সবাইকে দলীয় রঙের পোশাক পড়ানো হয়। একই সঙ্গে ভক্ত, গণমাধ্যম ও খেলোয়াড়দের পরিবারের সদস্যদের ছবি সম্বলিত কার্ডবোর্ড রাখা হয়েছিল।

ক্রাউড সোর্সিং :

ছবি সম্বলিত কার্ডবোর্ড দিয়ে আসন পূরণ করা জনপ্রিয় একটা পদ্ধতি। কিন্তু জার্মান ফুটবল ক্লাব বরুসিয়া মোইনচেংলাদবাচ এই ধারণাটি আরো একধাপ এগিয়ে নিয়েছিলেন। তারা ভক্তদের ছবি কার্ডবোর্ড স্থান দেয়ার সুযোগ দিয়ে ছিলেন। হাজারো মানুষ এই সুযোগ গ্রহণ করেন। তারা ১৯ ইউরো প্রদান করেন তাদের ছবি বরুসিয়া-পার্ক স্টেডিয়ামে রাখার জন্য।

পাইপের আওয়াজ :

স্টেডিয়ামের দর্শকদের গর্জনের বিকল্প হিসেবে রেকর্ড করা হালকা ধাতুর শব্দ ও উল্লাস ব্যবহার করা হয়। দক্ষিণ কোরিয়ার কে-লিগের সময় রেকর্ড দেশটির জনপ্রিয় সংগীতের প্রতিধ্বনি করা হয় খালি ফুটবল মাঠে। এভাবে ২০০২ সালের বিশ্বকাপের কয়েকটি ম্যাচও অনুষ্ঠিত হয়।

এদিকে, আগামী মাসে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত ফুটবল ম্যাচগুলো যারা টিভিতে দেখবেন, তারা আগের ম্যাচের রেকর্ড করা দর্শকদের শোরগেলের শব্দ শুনতে পাবেন।

সাধুবাদ বা প্রশংসা ধ্বনির অ্যাপ :

‘মাই অ্যাপ্লাওস’ নামে একটি এক ধরনের অ্যাপ তৈরি করেছে সফটওয়্যার ডেভলপাররা। যা বাড়ি থেকেই ভক্তদের তাদের উল্লাসের শব্দ একত্রিত করা সুযোগ দেয়। অ্যাপটির ব্যবহার করে উল্লাস, হাততালি, শিস দিতে পারবেন ভক্তরা। যা ওই অ্যাপসের মাধ্যমে মাঠে থাকা লাউডস্পিকার এবং বাসার সাউন্ড সিন্টেমেও বাজাবে। সেখানে নির্দিষ্ট দল লোগো ও সংগীত যুক্ত থাকবে।

দক্ষিণ কোরিয়া বেসবল খেলায় ভক্তদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য উচ্চ-প্রযুক্তি গ্রহণ করেছে। এতে করে দর্শকরা স্ট্রেডিয়ামের বড় পর্দায় যুক্ত হতে পারবে এবং অনলাইনেই খেলা দেখতে পারবে।

বেসবল বারবিকিউ :

তাইওয়ানের বেসবলের উল্লাসকারী নেতারা স্টেডিয়াম থেকে ভক্তদের সঙ্গে লাইভ সংযোগ স্থাপন করেছিলো। তারা চ্যাট ও নাচের ভিডিও মোবাইলের মাধ্যমে প্রচার করেছিল। এমনকি একজন নেতা ইন্টারনেটে নিজেকে স্ট্রিমিং করার সময় স্যান্ডে বসেই একটি বারবিকিউ বানিয়েছিল। করোনা কালে তাইওয়ানের এই বেসবল লিগ যথেষ্ট জনপ্রিয়তা পেয়েছিল।

সেক্স ডল:

দক্ষিণ কোরিয়ার ফুটবল ক্লাব অনেক বিতর্ক সৃষ্টি করেছিল। এজন্য তাদের ১০০ মিলিয়ন উন বা ৮১ হাজার ডলার জরিমানাও দিতে হয়। তাদের স্টেডিয়ামে সেক্স ডল রাখার জন্য এই জরিমানা দিতে হয়। যা কো-লিগের জন্য একটা বড় ইতিহাস।

পরে বিষয়টি পর্যালোচনা করে কে-লিগ জানায়, তারা জানতেন না পুতুলগুলো (ম্যানিকিন) সেক্স টয় ছিলো। তবে তারা এটাও বলেছিলেন, ‘সারারণ জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা ব্যবহার করে তাদের এই ব্যবহারকে স্বীকৃতি দিতে পারতো।’

এতে আরো বলা হয়, এই ‘আসল পুতুল’ বিতর্ক তাদের নারী ভক্তদের গভীরভাবে হেয় ও আঘাত করেছে এবং লিগের পবিত্রাও ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। এফসি সিউল এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে ক্ষমা চান এবং পরবর্তীতে এ ধরণের কাজ না করার প্রতিশ্রুতিও দেয়।

বাংলা/এনএস   

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

Page rendered in: 0.1563 seconds.