• বিদেশ ডেস্ক
  • ২১ মে ২০২০ ১৬:৩৫:০৮
  • ২১ মে ২০২০ ১৬:৩৫:০৮
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

শেষ মুহূর্তে গতি না বাড়ালে আরো ক্ষতি করতো আম্পান

ছবি : সংগৃহীত

ভয়াবহতায় কলকাতাবাসীর কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে ঘূর্ণিঝড় আম্পান। ২০ মে, বুধবার বিকেলের পর পশ্চিমবঙ্গকে প্রায় বিধ্বস্ত করে দিয়ে গেছে ঘূর্ণিঝড়টি।

প্রচণ্ড গতিতে বাতাস, উথালপাথাল হল সমুদ্র, চারিদিকে নেমে এল আঁধার, কেড়ে নিল প্রাণ। গাছ-পালা, বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে দিয়ে কয়েকঘণ্টা ধরে ধ্বংসলীলা চালাল আম্পান।

তবুও আবহাওয়াবিদদের অভিমত, শেষ দিকে যদি গতি না বাড়াতো আম্পান, তবে ক্ষতির মাত্রাটা আরো মারাত্মক হতো। গতি কম থাকলে তার অবস্থানের সময়টাও বেশি থাকতো। মানে ঘূর্ণিঝড়টি যখন গতি বাড়িয়েছে তখন তার অবস্থানটাও সরে গেছে। পশ্চিমবঙ্গ ছেড়ে বাংলাদেশের দিকে গেছে।

ভারতীয় গণমাধ্যম এই সময়’এর খবরে বলা হয়, পূর্বাভাস অনুযায়ী, বুধবার বিকেলে তাণ্ডব শুরু করে আম্পান। সুন্দরবনের কাছে বকখালিতে আছড়ে পড়ার সময় ঝড়ের সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিলো ঘণ্টায় ১৮৫ কিলোমিটারে। রাত যত বাড়তে থাকে দুর্যোগের ভযাবহতাও তত বাড়তে থাকে।

আইলা, বুলবুল, ফণীর মতো অনেক ঘূর্ণিঝড়ের ঝাপটা খেয়েছে, তবে স্মরণকালে এমন ধ্বংসলীলা দেখেনি কলকাতাবাসী।

১৬ মে বিকেল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ সদ্য ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়া আম্পান ছিল দিঘা থেকে ১২০০ কিলোমিটার দূরে। এর ঠিক ১৮ ঘণ্টার মধ্যে সুপার সাইক্লোনে পরিণত হয় আম্পান। এত দ্রুত শক্তিবৃদ্ধি তেমন একটা দেখা যায় না। ১৮ মে বিকেল সাড়ে পাঁচটায় দিঘা থেকে আম্পানের দূরত্ব কমে দাঁড়ায় ৮৬০ কিলোমিটার। অর্থাৎ, ৪৮ ঘণ্টায় ঘূর্ণিঝড় সরে মাত্র ৩৪০ কিলোমিটার। আবার সেই আম্পান বঙ্গোপসাগরে বাঁক নেয়ার পর গতি বাড়ায়। পরের ৪৮ ঘণ্টায় ৮৬০ কিলোমিটার পথ পেরিয়ে সরাসরি ঢুকে পড়ে পশ্চিমবঙ্গের উপকূলে। উপকূলে ঢোকার পর গতি আরো বাড়ে। ঘণ্টায় প্রায় ৩০ কিলোমিটার গতিতে বনগাঁ হয়ে বাংলাদেশের পথে এগোয় আম্পান।

দেশটির আবহাওয়া অধিদপ্তরের ডিরেক্টর জেনারেল মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র বলেন, ‘গতি আর কিছুটা ধীরে হলেই বেশি সময় ধরে তাণ্ডব চালাত ঝড়। তা হলে ক্ষতির মাত্রাটা আরো বাড়তে পারতো।’

সংশ্লিষ্ট বিষয়

ঘূর্ণিঝড় আম্পান কলকাতা

আপনার মন্তব্য

Page rendered in: 0.0726 seconds.