• বিদেশ ডেস্ক
  • ২২ মে ২০২০ ১০:৩০:২১
  • ২২ মে ২০২০ ১০:৩০:২১
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

কেন বঙ্গোপসাগর দানবীয় ঘুর্ণিঝড়ের আঁতুরঘর?

ছবি : সংগৃহীত

রহস্যের আধার বঙ্গোপসাগর, যা আজও অনাবিষ্কৃত। বিশ্বের ৩৫টি সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড়ের মধ্যে ২৬টির জন্মই এই বঙ্গোপসাগরে। ‌‘ওয়েদার আন্ডারগ্রাউন্ড‌’ নামক একটি ওয়েবসাইটে এই তথ্য উঠে আসে। কেন বঙ্গোপসাগর সব দানবীয় ঘুর্ণিঝড়ের আঁতুরঘর?  

বেঙ্গল সাইক্লোন, ক্যালকাটা সাইক্লোন, ভোলা, সুপার সাইক্লোন, আইলা, বুলবুল সর্বশেষ আম্পানের মতো ঘুর্ণিঝড় জন্ম এই সাগরে। আরবসাগর, ভারত মহাসাগরের তুলনায় বঙ্গোপসাগর থেকে অনেক বেশি প্রাকৃতিক দুর্যোগ আঘাতহানে আসে ভারত ও বাংলাদেশের স্থলভাগে। এমন খবর প্রকাশ করেছে সংবাদমাধ্যম নিউজ এইট্টিন।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিশ্বের ইতিহাসে প্রতি দশটি প্রলয় সৃষ্টিকারী ঘূর্ণিঝড়ের মধ্যে ৮টির জন্ম হয়েছে বঙ্গোপসাগরে। আর ৩৬টি ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ের মধ্যে ২৬ টিরই জন্মস্থান এইসাগরে।

ভূতাত্ত্বিকরা জানান, বঙ্গোপসাগরের ত্রিভুজাকৃতি ও অগভীর তলদেশই ঘূর্ণিঝড় তৈরির আসল কারণ। এই সাগরের তলদেশের তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা ঘূর্ণিঝড় তৈরির জন্য আদর্শ স্থান। সারাবছর এই সাগরতলের তাপমাত্রা ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকে। ক্রমাগত বৃষ্টি ধরে রাখে আর্দ্রতা। তাই নিম্নচাপ থেকে ঘূর্ণিঝড় এবং ঘূর্ণিঝড় থেকে মহাঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে বেশি সময় লাগে না। একই সঙ্গে বিশ্ব উষ্ণায়নের কারণে ঘূর্ণিঝড় তৈরির এই আঁতুরঘর আরো উর্বর হয়েছে।

এ বিষয়ে আবহাওয়াবিদরা জানান, সামুদ্রিক জলোচ্ছাস সবচেয়ে ভয়ংকর হয়ে উঠে অবতল আকৃতির অগভীর উপসাগর। মৌসুমি ঘূর্ণিঝড়ের তীব্র বাতাস যখন এরকম জায়গায় সাগরের পানিকে ঠেলতে থাকে। তখন ফানেল বা চোঙার মধ্যে তরল পদার্থ যেমন আচরণ করে, এখানেও ঠিক তাই ঘটে। সাগরের ফুঁসে উঠা পানি চোঙা বরাবর ছুটতে থাকে।

বাংলা/এনএস

সংশ্লিষ্ট বিষয়

ঘূর্ণিঝড় বঙ্গোপসাগর

আপনার মন্তব্য

Page rendered in: 0.0833 seconds.