• বিদেশ ডেস্ক
  • ২৩ মে ২০২০ ২০:০৪:৩৫
  • ২৩ মে ২০২০ ২০:০৪:৩৫
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

প্রধান উপদেষ্টাকে বরখাস্ত করতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী চাপে

বরিস জনসন। ফাইল ছবি

লকডাউনের নিয়ম ভাঙায় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের উপরে তার প্রধান উপদেষ্টাকে বরখাস্ত করার জন্য চাপ ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। কারণ লকডাউনের এ সময়ে বরিস জনসনের প্রধান উপদেষ্টা ডমিনিক কুমিংস এবং তার স্ত্রী তার বাবা-মায়ের সাথে দেখা করার জন্য যুক্তরাজ্যের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে গিয়েছিলেন। তিনি লকডাউনের এ নিয়ম এমন সময়ে লঙ্ঘন করেছিলেন যখন করোনভাইরাসের লক্ষণ তার শরীরে দেখা দিয়েছিলো।

দ্য গার্ডিয়ান এবং ডেইলি মিররের তদন্তে দেখা গেছে, ডমিনিক কুমিংস লন্ডন থেকে ডারহম পর্যন্ত ৪২০ কিমি গাড়ি ভ্রমন করেছেন। অথচ ইউকেতে লকডাউন চলাকালীন দূরে গিয়ে পরিবারের সাথে দেখা সাক্ষাৎ করা পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

পুলিশও নিশ্চিত করে বলেছে যে কুমিংস সস্ত্রীক এখানে এসেছিলেন এবং ৩১ শে মার্চ যুক্তরাজ্যের লকডাউনের নিয়ম সম্পর্কে একজনের সাথে কথাও বলেছিলেন। অবশ্য ডাউনিং স্ট্রিট এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

লেবার পার্টির একজন মুখপাত্র বলেছেন, ‘যদি মিডিয়ার রিপোর্টগুলি সঠিক হয় তবে প্রধানমন্ত্রীর প্রধান উপদেষ্টা লকডাউন বিধি লঙ্ঘন করেছেন বলেই মনে হচ্ছে। আর এ নিয়ে সরকারের নির্দেশনা খুব স্পষ্ট ছিল- বাড়িতে থাকুন এবং অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ করবেন না।’

তিনি আরো বলেন, ‘ব্রিটিশ জনগণ তাদের জন্য একটি নিয়ম এবং ডোমিনিক কুমিংস-এর জন্য আরেকটি নিয়ম প্রতিপালনের আশা করে না। ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটকে এমন কর্মের জন্য খুব দ্রুত ব্যাখ্যা দিতে হবে।’

যুক্তরাজ্যের করোনাভাইরাস বিধিনিষেধগুলো স্পষ্ট করে দিয়েছিল যে লোকেরা অবশ্যই দ্বিতীয় বাসস্থান বা পারিবারিক বাড়িসহ পাশের অন্য কোন পরিবারের সাথেও দেখা করতে পারবে না। সেই সাথে অবশ্যই অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণও বাদ দিতে হবে।

লকডাউন বিধিতে বলা হয়েছে, ‘আপনার পরিবারের সদস্যরা যারা আপনার বাড়িতে থাকেন না তাদের সাথে দেখা করা যাবে না।’ এজন্য পরামর্শ দেয়া হয়েছে এ রকম যে, পরিবারের সদস্যদের সাথে যোগাযোগের জন্য সবাই ফোন বা ভিডিও কল ব্যবহার করবেন।

দেশটির আইসোলেশান নির্দেশিকাতে আরো বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তির যদি কোভিড -১৯ এর লক্ষণ থেকে থাকে তবে তিনি অবশ্যই সাত দিনের আগে বাড়ির বাইরে যেতে পারবেন না।

উল্লেখ্য, যে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী জনসন করোনা আক্রান্ত হওয়ার পরে কুমিংস এর শরীরেও করোনা লক্ষণ দেখা দিয়েছিলো।

এর আগে যুক্তরাজ্য সরকারের করোনাভাইরাস সম্পর্কিত পরামর্শক নীল ফার্গুসনকে লকডাউন বিধি ভাঙার দায়ে এই মাসের শুরুর দিকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছিলো।

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

Page rendered in: 0.0891 seconds.