• বিদেশ ডেস্ক
  • ২৫ মে ২০২০ ১৫:৪৮:০৫
  • ২৫ মে ২০২০ ১৫:৪৮:০৫
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

ব্রাজিল থেকে যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি : সংগৃহীত

করোনাভাইরাস আক্রান্তের জন্য বিশ্বের দ্বিতীয় হট স্পট হয়ে ওঠার দু'দিন পরেই ব্রাজিল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ নিষিদ্ধ করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। ২৪ মে, রবিবার হোয়াইট হাউস এ তথ্য জানিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে হঠাৎ এমন ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা ডানপন্থী ব্রাজিলিয়ান রাষ্ট্রপতি বলসোনারোর জন্য রীতিমতো এক আঘাত হিসেবে এসেছে। কারণ ব্রাজিলের প্রেসিডেন্টও করোনা মহামারী মোকাবিলায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদাহরণ অনুসরণ করেছেন। ট্রাম্পের মতোই তিনিও শারীরিক দূরত্ব এবং অপ্রমাণিত ওষুধ ব্যবহারের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। অবশ্য ব্রাজিলিয়ান রাষ্ট্রপতির কার্যালয় এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

ব্রাজিলের মার্কিন দূতাবাস একটি বিবৃতিতে বলেছে, ‘যুক্তরাষ্ট্র ব্রাজিলের সাথে একটি শক্তিশালী অংশীদারিত্ব বজায় রেখেছে এবং আমরা ব্রাজিলের কোভিড -১৯ এর আর্থ-সামাজিক ও স্বাস্থ্য প্রভাবকে কমানোর জন্য নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছি।’

নতুন এ ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা ২৮ মে থেকে কার্যকর হবে বলে দূতাবাস জানিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের মধ্যে কেউ ব্রাজিলে গেলে তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ নিষিদ্ধের আওতায় পড়বেন। তবে, গ্রিন কার্ডধারীরা, মার্কিন নাগরিকের ঘনিষ্ঠ আত্মীয়স্বজন এবং বিমানের ক্রু সদস্য ও সুনির্দিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এর আওতামুক্ত থাকবেন।
এমন নিষেধাজ্ঞার পরে ব্রাজিলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে যে হোয়াইট হাউজ কোভিড -১৯ মহামারী মোকাবিলার জন্য ‘গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা’ এর অংশ হিসেবে প্রযুক্তিগত সিদ্ধান্তগ্রহণের জন্য ৬৫ লাখ মার্কিন অনুদান এবং এক হাজার শ্বাসকষ্টের রেসপাইরেটর মেশিন দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ম্যাকেনি বলেছেন, নতুন বিধিনিষেধ বিদেশী নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে অতিরিক্ত সংক্রমণ তৈরিতে বাধা দিবে। তবে এ নিষেধাজ্ঞা দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য প্রবাহের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

মার্কিন জাতীয় সুরক্ষা উপদেষ্টা রবার্ট ও'ব্রায়েন রবিবার সিবিএসের ‘ফেস দ্য ন্যাশন’ অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে এই পদক্ষেপ যে কোন পর্যায়ে পুনর্বিবেচনা করা যেতে পারে।

ওব্রায়েন বলছিলেন, ‘আমরা আশা করি এটা অস্থায়ী হবে। কারণ ব্রাজিলের পরিস্থিতির কারণে আমরা আমেরিকান জনগণকে সুরক্ষিত করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রতিটি পদক্ষেপ নিব।’

আর মার্কিন আন্তর্জাতিক উপদেষ্টা ফিলিপ মার্টিন টুইটে লিখেছেন, ‘ব্রাজিলের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কিছু নেই।’

ব্রাজিলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় রবিবার নিশ্চিত হওয়া করোনাক্রান্তের সংখ্যা ৩ লাখ ৬৩ হাজার ২১১ জন বলে জানিয়েছে। করোনা আক্রান্তের দিক থেকে আমেরিকার পরেই এখন ব্রাজিলের অবস্থান।

 

বিজ্ঞাপন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

ব্রাজিল যুক্তরাষ্ট্র

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.2027 seconds.