• বিনোদন প্রতিবেদক
  • ২৭ মে ২০২০ ১৪:৩২:৫১
  • ২৭ মে ২০২০ ১৪:৪৯:৪১
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

হতাশা থেকে হয়ে গেলো ‘আশা চর্চা কেন্দ্র’!

ফাইল ছবি

এবারের ঈদের বিশেষ অনুষ্ঠানমালায় বাংলাভিশনে প্রচার হতে যাচ্ছে নাটক ‘আশা চর্চা কেন্দ্র’। যদিও নাটকটির আগে নামছিলো ‘হতাশা চর্চা কেন্দ্র’। পরে বদলে এর নাম রাখা হয়েছে ‘আশা চর্চা কেন্দ্র’।

নাটকটিতে দেখা যাবে একদল তরুণের গল্প। যারা হতাশা চর্চা করে বেড়ায়! যেখানে মানুষ ‘আশা-স্বপ্ন’ বাঁচিয়ে রাখতে এতো লড়াই করে সেখানে রীতিমত হতাশা চর্চা কেন্দ্র খুলে বসা! এই হতাশা চর্চার মাধ্যমেই হাসিঠাট্টা আর আড্ডাবাজি করতে করতে একদল তরুণের লড়াইয়ের গল্প উঠে আসে। এই হতাশা চর্চা কেন্দ্র থেকেই শুরু হয় একটি অন্যায় আর প্রহসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের লড়াই। সেই লড়াইটা করতে গিয়ে জানা যায় তাদের হতাশা চর্চা করার কারণও। যার পেছনে রয়েছে আরেক ট্রাজেডি।

নাটকটির রচনা ও চিত্রনাট্য করেছেন আবদুল্লাহ মাহফুজ অভি এবং এটি যৌথভাবে পরিচালনা করেছেন বিশ্বজিত দত্ত ও আবদুল্লাহ মাহফুজ অভি। নাটকটিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন তৌসিফ মাহবুব, জোভান, সাল্লা খানম নাদিয়া, নাফিস বিন্দু, জাকি আহমদ জারিফ আবদুল্লাহ, রানা নাসির এবং একটি বিশেষ চরিত্রে অভিনয় করেছেন তানভির খান। নাটকটি প্রচার হবে ঈদের ষষ্ঠ দিন বাংলাভিশনে বিকেল সাড়ে ৫টায়।

নাটকটির রচয়িতা ও নির্মাতা আবদুল্লাহ মাহফুজ অভি বলেন, ‘আমরা একটি বেঁচে থাকার গল্প বলতে চেয়েছি। যে জীবনে প্রতিবাদ আছে, লড়াই করার স্বপ্ন আছে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাথানত না করার তারুণ্যের স্পর্ধা আছে। আমরা খুব ছোট করে সার্বিক বাস্তবতার কথা মাথায় রেখেই হালকা মেজাজে শুধু এইটুকু বলার চেষ্টা করেছি- প্রতিটা মানুষের নিজস্ব বেঁচে থাকার ভঙ্গি আছে, প্রতিটা মানুষেরই যার যার মতো করে বাঁচার এবং কথা বলার অধিকার আছে। আমরা বলতে চেয়েছি- ‘বন্ধু তোমার লাল টুকটুকে স্বপ্ন বেঁচো না’।’

নির্মাতাদ্বয়ের অপরজন বিশ্বজিত দত্ত বলেন, ‘কিছু কিছু গল্প থাকে যার সাথে অনেক আবেগ জড়ানো থাকে। এটি তেমনই এক গল্প। এটি নির্মাণ করতে গিয়ে আমরা নিজেরাই এর ভেতর ঢুকে গিয়েছিলাম। অনেক চড়াই-উৎরাই পার করতে হয়েছে। কাজটি দর্শকের কাছে পৌঁছাচ্ছে বাকিটা এর দর্শকরাই বলবেন। তবে আমার জায়গা থেকে এটুকুই বলবো নানা সীমাবদ্ধতা থাকার পরও গল্পটি তরুণদের ছুঁয়ে যাবে।’

নাটকের নাম বদলে যাওয়ার প্রসঙ্গে অভি বলেন, ‘আসলে আমরা সার্বিক বিবেচনা মাথায় রেখেই হতাশা চর্চা কেন্দ্র নাম দিয়েছিলাম। সেভাবেই আমরা বিভিন্ন গণমাধ্যমে ও সামাজিক মাধ্যমে বক্তব্যও রেখেছি। কিন্তু পরে সম্প্রচার করতে এসে নাম বদলাতে হয়েছে।’

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

Page rendered in: 0.1013 seconds.