• বিদেশ ডেস্ক
  • ৩০ মে ২০২০ ১৩:২৪:০৮
  • ৩০ মে ২০২০ ১৩:৫৬:৪৪
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

ডেটিং ওয়েবসাইটে ভুয়া ডাক্তার পরিচয়ে প্রেম, গ্রেপ্তার ২

ছবি : প্রতিকী

বিভিন্ন ডেটিং ওয়েবসাইটে ডাক্তার পরিচয় দিয়ে প্রোফাইল খোলেন আনন্দ কুমার (৩০)। সেই মিথ্যা পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন নারীদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে টাকা হাতিয়ে নিতেন তিনি। এই কাজে তাকে সহযোগিতা করতেন যাদব নামের এক ব্যক্তি। অবশেষে প্রতারণার একাধিক অভিযোগে ওই যুবক ও তার সঙ্গীকে গ্রেপ্তার করলো ভারতের দিল্লি পুলিশ।

আনন্দ নিজেকে রোহিত গুজরাল হিসেবে পরিচয় দিতেন এবং নিজেকে অর্থোপেডিক সার্জন হিসেবেও দাবি করতেন তিনি। এমন খবর প্রকাশ করেছে ভারতের সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এক নারী চিকিৎসক আনন্দের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। একটি ডেটিং ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তার সঙ্গে আনন্দের প্রথম পরিচয় হয়। তখন নিজের নাম রোহিত গুজরাল বলে জানান আনন্দ। নিজেকে অর্থোপেডিক সার্জন হিসাবে পরিচয় দেন তিনি।

পুলিশ আরো জানায়, পরিচয়ের কিছু দিনের মধ্যেই ওই নারীর সঙ্গে আনন্দের ঘনিষ্ঠতা বাড়তে শুরু করে। ওই নারীকে প্রেমের জালে ফেলে তার বিভিন্ন গোপন ছবি ও ভিডিও হাতিয়ে নেয় আনন্দ। এরপরই ৩০ হাজার টাকা দেয়ার জন্য ওই নারী চিকিৎসকে চাপ দিতে থাকেন তিনি। টাকা না দিলে আনন্দ ওই সব ছবি ও ভিডিও ফাঁস করে দেয়ার হুমকি দেয়। এর পরই পুলিশের দ্বারস্থ হন ওই ভুক্তভোগী নারী।

দিল্লি পুলিশের সাইবার সেলের ডেপুটি কমিশনার অন্বেষ রায় জানান, চিকিৎসা পেশার সঙ্গে আনন্দের কোনো সম্পর্কই নেই। একটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থা চালান ওই যুবক। বহু উঠতি মডেলের সঙ্গে আনন্দের যোগাযোগ ছিল। ওই সব মডেলদের ছবি ব্যবহার করেই বিভিন্ন ডেটিং ও ম্যাট্রিমনিয়াল সাইটে প্রোফাইল খুলত আনন্দ। আর এ কাজে তার সঙ্গী ছিলো প্রিয়ম।

জিজ্ঞাসাবাদে আনন্দ পুলিশকে জানায়, ‘কবির সিং’ নামের সিনেমাটি দেখেই এই পরিকল্পনা তার মাথায় আসে। নারীদের সঙ্গে পরিচয় হওয়ার পর ফোন নম্বর আদানপ্রদান করতেন তিনি। তবে পরিচয় ফাঁস হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় ভিডিও কলে কথা বলতেন না আনন্দ। নারীদের বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দিতেন তিনি। ব্ল্যাকমেল করার উদ্দেশ্যে তাদের গোপন ছবি ও ভিডিও হাতিয়ে নিতেন তিনি। আনন্দ ও প্রিয়ম গত চার মাসে ধরে এই কাজ করছিলেন বলে জানায় পুলিশ।

ওই নারী চিকিৎসকের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে দিল্লি পুলিশের সাইবার সেল। আনন্দের কম্পিউটারের আইপি অ্যাড্রেস পায় পুলিশ। তার ভিত্তিতেই শুরু হয় তল্লাশি। শেষ পর্যন্ত তাদের ধরে ফেলে পুলিশ।

বাংলা/এনএস

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

Page rendered in: 0.1061 seconds.