• ২৮ জুন ২০২০ ২২:০৯:৩১
  • ২৯ জুন ২০২০ ০১:৪১:২৭
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

ন্যাদারল্যান্ডে স্বাস্থ্যব্যবস্থা (পর্ব-৩)

ছবি : সংগৃহীত

অনুপম সৈকত শান্ত :

ছোটবেলা থেকে বাংলাদেশে সবচাইতে যে ডাক্তারের কাছে বেশি গিয়েছি, সেটা হচ্ছে নাক কান গলা বিশেষজ্ঞ। বগুড়ায় এরকম বিশেষজ্ঞ ডাক্তার বেশ কয়েকজন ছিলেন, তাদের প্রাইভেট চেম্বারে সন্ধ্যার পরে রোগীর ভিড় লেগে থাকতো। ঐ সময়ে বগুড়ায় প্রাইভেট ডাক্তারের ভিজিট ছিল সম্ভবত প্রথমবার ২০০ টাকা, পরেরবার দেড়শো টাকা।

যতদূর মনে পড়ে চোখের এক বিখ্যাত ডাক্তার ছিলেন, এনসি বাড়ই নামে- ওনার ভিজিট বেশি ছিল এবং দিনে রোগী দেখতেনও প্রচুর। কোরেইশি নামের আরেক ডাক্তারেরও ভীষণ পসার ছিল- দিনেই কয়েকশ রোগী দেখতেন। আমি সবচাইতে বেশি নাক কান গলা বিশেষজ্ঞের কাছে গেলেও, একজনের নাম মনে নাই, অথচ মনে আছে ডাক্তার এনসি বাড়ই আর ডাক্তার কোরেইশির নাম, তারা বগুড়ায় স্টার ডাক্তার ছিলেন।

ঐ সময়ে আমাদের এক স্কুলবন্ধু একটা পাটীগণিত অংক বানিয়েছিলো। আমরা দলবেঁধে স্কুল শিক্ষকের কাছে ব্যাচে প্রাইভেট পড়তে যেতাম। সে বিষয়েই পাটীগণিত। অমুক স্যার একটি ব্যাচে ১৫ জন ছাত্র পড়ান। মাসে প্রতি ছাত্রের বেতন দুশ টাকা হলে এরকম ১০ টা ব্যাচ পড়িয়ে তিনি কত টাকা মাসে আয় করেন। এ ধরণের পাটীগণিত। আমি প্রাইভেট ডাক্তারদের চেম্বারে গেলেই ওয়েটিং রুমে বসে বসে এই সেই পাটীগণিতের অংকটা হিসাব করতাম। দিনে কতজন রোগী দেখেন, মাসে কত, প্রতি রোগীর ভিজিট কত, সেখান থেকে মাসিক আয় কত! ঢাকায় চাকরিতে ঢুকার পরে চিকিৎসার জন্যে বেশিরভাগ সময়ে ল্যাব এইড আর স্কয়ারে এপোয়েন্টমেন্ট করে চলে যেতাম। শুরুর দিকে ভিজিট ছিল ৫০০ টাকার মত, বছরে বছরে বাড়তে বাড়তে ৭০০ টাকা, ১০০০ টাকা, এমনকি ১২০০ টাকার ভিজিট দেখেছি। আমার প্রথম ছেলে হওয়ার সময়ে লোকমুখে শুনে একজন বিখ্যাত গাইনি ডাক্তারের কাছে গিয়েছিলাম। তিনি ঐ সময়ে ল্যাবএইডের পাশাপাশি সেন্ট্রাল হাসপাতালেও দেখতেন, সেখানে ভিজিট যেমন কম ছিল, ডেলিভারির খরচও কম ছিল।

দুই বছর পরে দ্বিতীয় বাচ্চা যখন হবে, সে সময়ে খোঁজ নিয়ে দেখি, তিনি কেবল ল্যাবএইডেই দেখেন, ফলে সেন্ট্রাল বাদ দিয়ে আমরা এবারে ল্যাবএইডেই গেলাম। সেখানে পাগলের মত রোগীর ভিড় লেগে থাকতো! হাজার টাকা ভিজিট। আমি পাটীগণিত কষতাম। সেই গাইনী ডাক্তারের প্ররোচনায়, উৎসাহ উদ্দীপনায় এবং নরমাল ডেলিভারির ব্যাথার ভয়ে আমাদের বাচ্চা দুটোই এসেছে সিজার অপারেশনে, কোনরকম কমপ্লিকেশন না থাকার পরেও। মা'র শরীরের উপরে দীর্ঘমেয়াদে সিজারের ক্ষতির কথা একজন গাইনি চিকিৎসকের না জানার কথা না! কিন্তু প্রতি সিজার অপারেশনে যে আয়টা হয়, সেই প্রলোভন বিশাল। অফিসে বিল সাবমিটের জন্যে ডাক্তারের খরচ, হাসপাতাল খরচ, ওষুধ খরচ- এরকম্ম ব্রেক ডাউ করে দেখাতে হতো, সেখান থেকেই দেখেছিলাম, সিজার অপারেশন প্রতি বিপুল টাকা আয় হয় গাইনি ডাক্তারের। ফলে, পাটীগণিতে এরকম অপারেশনের হিসাবটাও যুক্ত হয়ে গেল! ডেইলি ৫-৭ টা, ১০-১২ টা সিজার অপারেশন থেকে আয়ের পাটীগণিত বসে বসে কষতাম।

আমার বাচ্চা হওয়ার পরে শিশু বিশেষজ্ঞ একজনকে পেলাম। নিয়মিত রুটিন চেক আপের জন্যে তার কাছে যেতাম। ল্যাব এইডের ৭ তলায় বসতেন। প্রথম বাচ্চা হওয়ার পরে- শুরুর দিকে ভিজিট ছিল কম, ভিড়ও ছিল কম। তারপরে ভিড় বাড়তে থাকে, সেই সাথে ভিজিটও। বাচ্চা জন্মের প্রথম বছরে নিয়মিত ভিজিট, তারপরে বাচ্চা দুটোর বিভিন্ন অসুখ বিসুখে সেখানে যেতাম। আমরা সহজে টেস্ট করতে চাইতাম না, এন্টিবায়োটিক খাওয়াতে চাইতাম না, ফলে শিক্ষিত - সচেতন বাবামা হিসেবে কিছুটা সমীহ করতেন বোধ হয়। ফলে, প্রেসক্রিপশনে যে এন্টিবায়োটিক এর নাম লেখতেন- সেটা থাকতো নিচের দিকে। মুখে বলে দিতেন, তিন চার দিনেও যদি দেখেন ঠিক না হচ্ছে, এটা শুরু করে দিবেন। দেখতে দেখতে সেই শিশু রোগ বিশেষজ্ঞের ব্যাপক পসার হলো। রোগীর চাপ সামলাতে দেখা যেত- একসাথে একাধিক বাচ্চাকে তার রুমে ঢুকিয়ে নিয়েছেন! আমি ওয়েটিং রুমে বসে পাটীগণিত কষতাম। শুধু ভিজিট তো নয়, আয়ের আরো অনেক লেভেল আছে। প্রেসক্রিপশনে ওষুধের নাম লেখতে পারলে আয়, ল্যাবএইড, স্কয়ার, পপুলার- এগুলো সবই তো ডায়গনস্টিক সেন্টারও, ফলে একেকটা টেস্ট করতে বলে দিলেও সেখান থেকে আয়ের বিষয় আছে। বাংলাদেশে আরেকটা কালচারও ব্যাপকভাবে শুরু হতে দেখে এসেছি। বিভিন্ন ফার্মেসির পাশে ছোট একটা ঘর বানিয়ে সেখানে একজন চিকিৎসক রোগী দেখেন। যেহেতু ফার্মেসির চিকিৎসক, সেই চিকিৎসককে ওষুধের নাম লেখতে হয় গণ্ডা খানেক। এছাড়া আমাদের ওষুধ কোম্পানিগুলোতে আছে ওষুধ রিপ্রেজেন্টেটিভ নামে একটা পদ। তারা ডাক্তারদের কাছে গিয়ে নিজেদের কোম্পানির ওষুধের গুনাগুন তুলে ধরেন। তার সাথে সাথে নাকি সেই কোম্পানির ওষুধ বেশি করে প্রেসক্রিপশনে লেখার গুনাগুনও তারা তুলে ধরেন। 

নেদারল্যাণ্ডে এই ক' বছরে নিজের বা পরিবারের সদস্যদের ছোটখাট নানান অসুস্থতায় হাউজ আর্টসেন প্রাক্টাইকে (স্থানীয় চিকিৎসকের কেন্দ্রে) অনেকবার গিয়েছি। সেখানকার চিকিৎসককে আলাদাভাবে অনুরোধ করতে হয়নি, তারা নিজেরাই আজ পর্যন্ত কোন এন্টিবায়োটিক প্রেসক্রাইব করেনি। অধিকাংশ সময়েই প্যারাসিটমল ছাড়া কোন ওষুধও দেয়নি। এভাবেই নেদারল্যাণ্ড ইউরোপের মধ্যে সবচাইতে কম এন্টিবায়োটিক খাওয়া দেশ। দুনিয়ার মধ্যেও কেবল চিকিৎসা সেবার আওতায় জনগোষ্ঠীর হিসাবটা করা হলে, সেখানেও নেদারল্যাণ্ড সবচাইতে কম এন্টিবায়োটিক খাওয়া দেশের শীর্ষে থাকবে। শুধু এন্টিবায়োটিক কম দেয়া নয়, হরে দরে একগাদা ওষুধ দেয়া, বা রোগী পাওয়া মাত্র একগাদা টেস্ট ধরিয়ে দেয়ার কোন কারবার নেদারল্যাণ্ডে নেই।  আমার ব্যাক-পেইনের সমস্যাটি বাদে কখনো আসলে আমার, বা আমার পরিবারের সদস্যদের কোনরকম টেস্ট, এক্সরে- এসবও করতে হয়নি। 

প্রতি রোগীকে পর্যাপ্ত সময় দেয়া- এখানকার চিকিৎসা ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য। হাউজ আর্টসেন প্রাক্টাইকের ওয়েটিং রুমে রোগীর উপচে পড়া ভিড় কখনোই দেখিনি। প্রতি সাড়ে ৩ হাজার জনগণের জন্যে যদি এরকম একটা করে হাউজ আর্টসেন প্রাক্টাইক থাকে- যেখানে কমপক্ষে দুজন চিকিৎসক সেবা দেন, সেখানে উপচে পড়া ভিড় থাকার কথাও নয়। এখানে চিকিৎসকেরা রোগী দেখেন প্রতিদিন সকাল ৭ টা থেকে সাড়ে ১২ টা পর্যন্ত। সকাল ৭ টা থেকে ৮ টা পর্যন্ত যেকেউই সরাসরি যেতে পারবেন, কোনরকম এপোয়েন্টমেন্ট ছাড়াই। সেখানে ওয়েটিং রুমে বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়, যেহেতু আগে আসলে আগে সেবা পাবেন- ভিত্তিতে সেবা দেয়া হয়। সকাল সাড়ে ৮ টা থেকে সাড়ে ১২ টা পর্যন্ত এপোয়েন্ট এর ভিত্তিতে চিকিৎসকেরা রোগী দেখেন। এর বাইরেও সন্ধায়, রাতে বা সাপ্তাহিক ও অন্যান্য ছুটির দিনে ফোন করেও চিকিৎসা পরামর্শ পাওয়ার ব্যবস্থা আছে। যেহেতু রোগীর লম্বা ভিড় নেই, চিকিৎসক রোগী ও রোগীর এটেণ্ডেন্ট এর সাথে লম্বা সময় কাটাতে পারেন। সে সময়ে রোগীর সমস্যাগুলো ভালোভাবে যেমন শুনেন, চিকিৎসা পরামর্শ যেমন দেন, তেমনি অসুস্থতা বা রোগ সম্পর্কে সাধারণ কিছু জ্ঞানও দেয়ার চেস্টা করেন, যেই তথ্যগুলো আসলে রোগীর না জানলেও চলে বলে মনে হতে পারে! 

বাংলাদেশে থাকতে বাচ্চাদের জন্যে আগের ট্রিটমেন্টের সমস্ত প্রেসক্রিপশন, ডায়গনসিস টেস্টের রিপোর্ট- সবকিছু একটা ফাইলে মেইনটেন করার চেস্টা করতাম। (বড়দের ক্ষেত্রে এসব কিছু মেইনটেইন করা কঠিনই হয়ে যেত)। সেই ফাইল সাথে করে নিয়ে গেলেও যে চিকিৎসক সেটা দেখার মত সময় সুযোগ পেতেন, তা বলা যাবে না। এখানে নেদারল্যাণ্ডে এরকম ফাইল মেইনটেন করার কোন বালাই নেই। প্রতিটি রোগী সেন্ট্রাল ডাটাবেজের সাথে যুক্ত। চিকিৎসক প্রথমেই ডেট অব বার্থ জিজ্ঞেস করেন, ফলে সেখান থেকেই রোগীর ডাটাবেজে ঢুকে যান (ঐ অঞ্চলের একইদিনে জন্ম নেয়া মানুষের সংখ্যা প্রায়ই ইউনিক হওয়ার কথা)। সেখানেই তার আগের যাবতীয় রোগের ইতিহাস, মেডিকেশন সব তথ্য পেয়ে যাচ্ছেন। বর্তমান রোগের বর্ণনা ও প্রেসক্রিপশন- তিনি অনলাইনেই লিখে ফেলছেন যা সরাসরি সেই ডাটাবেজে যুক্ত হয়ে যাচ্ছে। একজন যখন হাউজ আর্টসেন প্রাক্টাইক থেকে কোন হাসপাতালেও যাচ্ছেন কোন স্পেশালিস্টের কাছে বা অন্য কোথাও কোন চিকিৎসকের কাছে, সেখানকার চিকিৎসকও রোগীর নিজস্ব আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার দিয়ে সেই ডাটাবেজে ঢুকতে পারছেন। ফলে, চিকিৎসকের সামনে রোগীর বর্তমান সমস্যার পাশাপাশি পাস্ট হিস্টোরিটাও সবসময়ই রেডিমেড থাকছে, তা যেখানেই যে চিকিৎসকের কাছেই যাওয়া হোক না কেন।

চিকিৎসার মানের দিক দিয়ে বস্তুত এখানকার চিকিৎসা সেবার গুনগান না গেয়ে উপায় নেই। কিন্তু আগের পর্বে বলেছি, নেদারল্যাণ্ডের চিকিৎসা সেবার মূল সমস্যা হচ্ছে, এটি ভীষণ ব্য্যবহুল। সে ব্যাপারে আরো বিস্তারিত পরে আলোচনা করবো। এখানে, একটা বিষয় উল্লেখ করা দরকার। শুরুতে আমার অভিজ্ঞতার আলোকে বাংলাদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার চিত্র তুলে ধরেছি, সেটি প্রাইভেট। বাংলাদেশের প্রাইভেট চিকিৎসার সাথে যদি নেদারল্যাণ্ডের তুলনা করি, তাহলে নিম্নবিত্ত শ্রেণীর মানুষের বেসিক চিকিৎসা সেবা পাওয়াটাকে অনেক সহজ মনে হবে, যেহেতু প্রায় প্রতিটি মানুষই এখানে বাঁচার জন্যে ন্যুনতম খোরাকি পায়, যার মধ্যে এই বেসিক হেলথ ইন্সিওরেন্সের খরচটাও অন্তর্ভুক্ত এবং চিকিৎসক, হাসপাতাল থেকে শুরু করে কোথাও ডাকাতের মত টেস্ট, ওষুধ- এসব কেনা বাবদ পকেট টাকার বিষয়ও নেই। কিন্তু, বাংলাদেশের সরকারি হাসপাতালের সাথে যদি তুলনা করি, এখনো আমি আর্থিক দিক দিয়ে অন্তত বাংলাদেশের সরকারি হাসপাতালগুলোকে এগিয়ে রাখবো!

বাংলাদেশের চিকিৎসা সেবা পাওয়ার আরো দুটো অভিজ্ঞতা শেয়ার করা যেতে পারে। কয়েকবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, পিজি হাসপাতাল, বগুড়া মোহাম্মাদ আলী হাসপাতাল, ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও চিকিৎসার জন্যে গিয়েছিলাম। আউটডোরে মাত্র ৫ টাকার টিকেট কেটে যে চিকিৎসা পেয়েছি, সেটাকে ল্যাবএইড, স্কয়ারের হাজার টাকার ভিজিটের চিকিৎসার চাইতে  আমি  অনেকগুণ বেটার বলবো। এমার্জেন্সি চিকিৎসা সেবার ক্ষেত্রে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসা ঢাকা বা গোটা বাংলাদেশের মাঝেই অপ্রতিদ্বন্দ্বী। এমনকি জেলা হাসপাতালগুলোতেও বাংলাদেশের প্রাইভেট হাসপাতালের  ইমার্জেন্সি সেবার চাইতে বেটার। একবার রিকশা এক্সিডেন্টে পড়ে গিয়ে পায়ে মারাত্মক চোট লাগা রোগীকে নিয়ে গিয়েছিলাম ঢাকা মেডিক্যাল হাসপাতালের ইমার্জেন্সিতে- বন্ধু ডাক্তারের পরামর্শে (সে বলেছিলো ভুলেও যেন প্রাইভেটে নিয়ে না যাই), সেখানে এক্সরে থেকে শুরু করে, সবকিছুই এত দ্রুত ও দারুণভাবে হলো, আমার কাছে স্বপ্নের মত মনে হয়েছিলো। আমার হাত কেটে যাওয়ার পরেও ঢাকা মেডিকেলের ইমার্জেন্সিতে দ্রুত সেবা পেয়েছি। অথচ, আরেকবার ল্যাব এইডের ইমার্জেন্সিতে গিয়ে- দেখেছি, রোগীকে বসিয়ে রেখে একবার ক্যাশ কাউন্টারে বিল দিতে পাঠাচ্ছে, চিকিৎসককে ফোন করে ডাকছে- সবমিলেই প্রচণ্ড বিরক্তিকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছিলো। নেদারল্যাণ্ডের চিকিৎসা ব্যবস্থার সাথে যদি তুলনা করি- বাংলাদেশের প্রাইভেট হাসপাতালগুলোকে ডাকাত মনে করি, কিন্তু বাংলাদেশের সরকারি হাসপাতালগুলোকে আর্থিক দিক দিয়ে (মানের দিক দিয়ে নয়) স্বপ্নের মত মনে হয়! দেশের একদম সাধারণ মানুষের, নিম্নবিত্ত শ্রেণীর নামমাত্র মূল্যে চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা করছে, এই সরকারি হাসপাতালগুলো, সীমাহীন দুর্নীতি আর একেবারেই অপ্রতুল বরাদ্দের পরেও।

(চলবে...)

লেখক : প্রকৌশলী ও গবেষক।

বিজ্ঞাপন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

নেদারল্যান্ড স্বাস্থ্য

আপনার মন্তব্য

Page rendered in: 0.0723 seconds.