• বিদেশ ডেস্ক
  • ০৬ জুলাই ২০২০ ১৬:০৬:২৩
  • ০৬ জুলাই ২০২০ ১৬:০৬:২৩
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

উপকূলজুড়ে রয়েছে বহু ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র শহর: ইরান

আলী রেজা তাংসিরি। ছবি: সংগৃহীত

উপকূলজুড়ে ভূগর্ভে বহু ক্ষেপণাস্ত্র শহর নির্মাণ করেছে ইরান। এমনকি এসব ভূগর্ভস্থ শহর থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার সব ধরণের ব্যবস্থাও রয়েছে। দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) নৌ ইউনিটের প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল আলী রেজা তাংসিরি এই মন্তব্য করেছেন।

ইরানের ‘সুবহে সাদেক’ সাময়িকীকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেছেন বলে জানিয়েছে পার্সটুডে। 

এ বিষয়ে রিয়ার অ্যাডমিরাল আলী রেজা তাংসিরি বলেন, আমরা সাগর উপকূলে ভূগর্ভে বহু ক্ষেপণাস্ত্র শহর নির্মাণ করেছি। এসব ভূগর্ভস্থ শহরে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার সব ধরণের ব্যবস্থা রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, আমাদের শত্রুরাও এটা ভালো করেই জানে পারস্য উপসাগর ও মোকরান উপকূল জুড়েই রয়েছে আইআরজিসি ও সেনাবাহিনীর ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র শহর। এছাড়া পারস্য উপসাগর এবং ওমান সাগরের সর্বত্রই আমাদের উপস্থিতি রয়েছে। এমন স্থানেও আমাদের উপস্থিতি যেসব জায়গার কথা শত্রুরা কল্পনাও করতে পারে না। তাদের জন্য অকল্পনীয় স্থানেও আমরা শত্রুদের জন্য দুঃস্বপ্ন হয়ে দেখা দিতে পারি।

নৌ ইউনিটের এই প্রধান আরো বলেন, সাগর রক্ষার জন্যও স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী বা বাসিজের ইউনিট গঠন করা হয়েছে। এই স্বেচ্ছাসেবী বাহিনীর নৌ ইউনিটের অধীনে রয়েছে ২৩ হাজার সদস্য।

তিনি আরো বলেন, আমাদের পুরো উপকূলকেই ক্ষেপণাস্ত্রে সজ্জিত করা হয়েছে। ভূগর্ভস্থ শহরগুলো বিভিন্ন কাজে ব্যবহারের উপযোগী করে গড়ে তোলা হয়েছে। এগুলো কোনো স্লোগান নয়, এটা বাস্তবতা।

তাংসিরি আরো বলেন, হরমুজ প্রণালীতে যখনই কোনো নৌযান প্রবেশ করে তখন থেকে সেটা আমাদের পর্যবেক্ষণে চলে আসে। সেখান থেকে বের হওয়ার আগ পর্যন্ত ওই নৌযানের সব ধরণের তৎপরতা আমরা নজরদারি করি। আমরা জানি ওই যানটি ঠিক কোথায় অবস্থান করছে এবং কী করছে। এসব নৌযান ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায় রয়েছে এবং ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা অনেক।

তিনি আরো বলেন, অদূর ভবিষ্যতে আরো বেশি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র এবং নৌযানের খবর আসছে। এমন সব নৌযান আসছে যা শত্রুদেরকে বিস্মিত করবে।

বাংলা/এনএস

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

Page rendered in: 0.0829 seconds.