• ০৭ জুলাই ২০২০ ২১:১৩:৪৫
  • ১১ জুলাই ২০২০ ০০:৩৩:১৯
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

কফিল আহমেদের ‘মাসানোবোফুকোওকা’

ছবি : সংগৃহীত

কবি ও সংগীত শিল্পী কফিল আহমেদের গান ‘মাসানোবোফুকোওকা রিলিজ হওয়ার পর নতুন করে সাড়া ফেলেছে শ্রোতাদের ভেতর। স্টুডিও কাউবেল থেকে গত ৩০ জুন প্রকাশ পেয়েছে গানটি।

গানটির জন্ম সেই ২০০১ সালে। এতো বছর শ্রোতারা বিভিন্ন কনসার্টে, অনলাইনে বিভিন্ন লাইভ অনুষ্ঠানের রেকর্ডিং ভার্সন শুনতেন। স্টুডিও কাউবেলের ইউটিউব চ্যানেলে এবার অফিসিয়াল ভার্সন ‍শোনা যাচ্ছে।

গানটিতে মাসানোবোফুকোওকা নামে যে যার কথা শোনা যায় তিনি জাপানের একজন কৃষক ও দার্শনিক। ওই কৃষক চাষবাসের জন্য কোনো কীটনাশক প্রয়োগ করেন না, আগাছা পরিষ্কার করেন না। প্রাসঙ্গিক চরিত্র হিসেবে গানটিতে এসেছেন এই কৃষক মাসানোবোফুকোওকা।

এ প্রসঙ্গে সর্বপ্রাণবোধের শিল্পী কফিল আহমেদ বলেন, “আমার কাছে মাসানোবোফুকোওকা শব্দটির আরো একান্ত অর্থ বা মর্ম রয়েছে। এই গানে মাসানোবোফুকোওকা একটি সাংগীতিক ধ্বনি বা রব। এই ধ্বনি বা রব নিয়ে যেমন সত্যবোধের ধেয়ান করা যায়, আবার অন্যায়ের বিরুদ্ধে জেগে উঠা যায়, জ্বলে উঠা যায়। জীবনের আরো অনেক নীরব গভীর সত্য যেমন ‘আলোছায়া বনে ভাঙা ডালে ছোটো ফুলের’ একাকীত্বকেও দেখিয়ে দেয় এই গান। সভ্যতা নামের বর্বর আলোর কারাগারে আটক আজকের পৃথিবী থেকে সকল জীবনকে আপ্রাণ জেগে ওঠার ডাক দেয়। এমন অনেক কিছুই!”

কফিল আহমেদের কথা ও সুরে গানটিতে সঙ্গীতায়োজন করেছেন রাশিদ শরীফ শোয়েব। শোয়েব বলেন, ‘২০১৪ সাল থেকে তার সঙ্গে আমার যাত্রা শুরু। গানগুলোর রেকর্ডিং শুরু সেই সময় থেকে। কফিল দা আমার কাছে শুধু একজন গায়ক বা আর্টিস্ট নয়; আমার কাছে তিনি একজন দার্শনিক, যিনি গান করেন। লালন যেমন তার দর্শনকে গানের মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন, কফিল আহমেদও তার দর্শনকে মূলত গানের মধ্য দিয়ে প্রকাশ করছেন। একজন মানুষ এবং মিউজিশিয়ান হিসেবে আমার যে বোধের জায়গা সেখানে একজন কফিল আহমেদ যেভাবে বিচরণ করেন, সেটাকেই আমি মিউজিকে ধরার চেষ্টা করেছি। আমি চাই আমাদের এই ভ্রমণ আমৃত্যু চলুক।’

গানটির জন্য চিত্রকর্ম এঁকেছেন সোহাগ হাবিব। দীর্ঘ ১৮ বছর পর গানটি রেকর্ড করলেন কফিল আহমেদ। তিনি বলেন, ‌‌“গানটার জন্ম ২০০১ সালে। যখন ‘পাখির ডানায় দারুণ শক্তি/গরুর চোখে মায়া’ অ্যালবামের কাজ করছিলাম। ২০০১ সালে গানটা জন্মালেও এই সময়ে ভুবনকে, তার প্রকৃতিকে অনুধাবন করবার জন্য এই গানটা একধরনের চিন্তা-চেতনা-শক্তি-মূল্যবোধের জায়গা হিসেবে কাজ করে।”

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

Page rendered in: 0.3678 seconds.