• ক্রীড়া ডেস্ক
  • ১১ জুলাই ২০২০ ১৩:৫১:২০
  • ১১ জুলাই ২০২০ ১৩:৫১:২০
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

সর্বকালের সেরা পাঁচ অলরাউন্ডারের তালিকায় সাকিব

ফাইল ছবি

আধুনিক ক্রিকেট এমন অবস্থানে গেছে যে, শুধুমাত্র স্পেশালিস্ট ব্যাটসম্যান বা স্পেশালিস্ট বোলারেই ম্যাচ জেতা কঠিন। এসময় ম্যাচের কলকাঠি নাড়তে প্রয়োজন কার্যকরী একজন অলরাউন্ডার। একজন দক্ষ ‍ও পূর্ণাঙ্গ অলরাউন্ডার থাকা মানেই বাড়তি একজন খেলোয়ার নিয়ে মাঠে নামা।

সে হিসেবে বাংলাদেশের সৌভাগ্য যে, গত দশকের বেশি সময় ধরে তারা সাকিব আল হাসানের মতো একজন অলরাউন্ডারের সার্ভিস পেয়েছে। যদিও জুয়ারির প্রস্তাব গোপন করায় ১ বছরের জন্য সকল ধরনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিষিদ্ধ তিনি। বছরের পর বছর সকল ধরনের ফরম্যাটে আইসিসি র‌্যাংকিংয়ে অলরাউন্ডারের শীর্ষস্থান ছিলো সাকিবের দখলে। সম্প্রতি শতাব্দীর দ্বিতীয় সেরা মূল্যবান খেলোয়াড়ও নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।

তবে অনেকেই হয়তো এই তথ্যটি জানেননা যে, পারফর্মেন্সের বিচারে ওয়ানডে ক্রিকেটে বিশ্বের সর্বকালের সেরা পাঁচ অলরাউন্ডারের সংক্ষিপ্ত তালিকায়ও আছেন সাকিব আল হাসান! অন্তত পরিসংখ্যান কিন্তু তাই বলছে। আর এই তালিকায় ঢুকতে তিনি পেছলে ফেলেছেন সর্বকালের সেরা অলরাউন্ডার হিসেবে বিবেচিত পাকিস্তানি কিংবদন্তী ইমরান খান, ইংলিশ তারকা ইয়ান বোথাম ও কিউই কিংবদন্তী রিচার্ড হ্যাডলিকে।

পাঁচ সহস্রাধিক রানের সাথে আড়াই শতাধিক উইকেটের মালিকদের তালিকায় পঞ্চম স্থানে রয়েছেন ভক্তদের মুখে ‘বাংলাদেশের জান/বাংলাদেশের প্রাণ’ হিসেবে বিবেচিত সাকিব আল হাসান।

পরিসংখ্যান ঘেঁটে দেখা যায়, ওয়ানডে ক্রিকেটের সেরা অলরাউন্ডার তালিকার শীর্ষে রয়েছেন লঙ্কান কিংবদন্তী সনৎ জয়সুরিয়া। ৪৪৫টি ওয়ানডে ম্যাচে ১৩ হাজার ৪৩০ রানের পাশাপাশি ৩২৩ উইকেটেরও মালিক তিনি। এমন অলরাউন্ডিং পারফরম্যান্স আর দেখেনি ওয়ানডে ক্রিকেট!

পরিসংখ্যানে দ্বিতীয় সেরা অলরাউন্ডার হিসেবে আছেন সাবেক প্রোটিয়া তারকা জ্যাক ক্যালিস। অত্যন্ত পরিশ্রমী এই ক্রিকেটার দক্ষিণ আফ্রিকার হয়েছে ৩২৮টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলে সংগ্রহ করেছেন ১১ হাজার ৫৭৯ রান। সেইসাথে উইকেট নিয়েছেন ২৭৩টি। এই পরিসংখ্যানই বলে দেয়, কেন এক সময় তাকে ছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকা দল কল্পনাই করা যেত না।

সেরা পাঁচের তালিকায় পরের দুটি স্থানে রয়েছেন দুই পাকিস্তানি অলরাউন্ডার। যদিও এদের কোনো নামটিই তাদের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ইমরান খানের নয়। প্রথম নামটি লেগ স্পিনিং অলরাউন্ডার শহীদ আফ্রিদির, দ্বিতীয় নামটি মিডিয়াম পেসিং অলরাউন্ডার আবদুল রাজ্জাকের।

৩৯৮ ওয়ানডে খেলে ৮ হাজার ৬৪ রানের মালিক আফ্রিদির ঝুলিতে জমা পড়েছে ৩৯৫টি উইকেট।

আর ২৬৫ ওয়ানডেতে ৫ হাজার ৮০ রানের পাশাপাশি ২৬৯ উইকেটও শিকার করেছেন আবদুল রাজ্জাক।

আর টাইগার তারকা সাকিব আল হাসান এখন পর্যন্ত খেলেছেন ২০৬টি ওয়ানডে ম্যাচ। এইসব মাচ খেলে ৬  হাজার ৩২৩ রানের পাশাপাশি স্পিন ঘূর্ণিতে ব্যাটসম্যানদের কুপোকাত করেছেন ২৬০ বার।

এই তালিকায় বাকিদের সঙ্গে সাকিবের পার্থক্য এটাই, একমাত্র সাকিবই বর্তমান খেলোয়ার। বাকিদের সকলেই ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছেন। আগামী অক্টোবরের শেষ দিকে নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর যখন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরছেন সাকিব। তার সামনে রয়েছে অন্য কিংবদন্তীদের ছাড়িয়ে যাওয়ার হাতছানি।

বাংলা/এসএ/

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0741 seconds.