• বার্তা ডেস্ক
  • ৩০ জুলাই ২০২০ ১১:১১:৫৫
  • ৩০ জুলাই ২০২০ ১১:১১:৫৫
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

জার্মানিতে সহজে ‘সাদা সোনা’ উত্তোলনের পদ্ধতি আবিষ্কার

ফাইল ছবি

দুষ্প্রাপ্যতার কারণে ‘সাদা সোনা’ নামেই পরিচিত লিথিয়াম। এই খনিজ পদার্থ দিয়েই তৈরি হয় ব্যাটারি। যা ছাড়া আজকের দিনের মোবাইলফোন, ট্যাব, ঘড়িসহ সকল বৈদ্যুতিক যন্ত্রই অচল। আন্দিজ পর্বতমালা অঞ্চলেই বিশ্বের বেশির ভাগ লিথিয়াম পাওয়া যায়। এবার নিজেদের মাটি থেকেই লিথিয়াম উৎপাদনের উপায় আবিষ্কার করেছেন জার্মান বিজ্ঞানীরা।

এর ফলে যে জার্মানি এতোদিন আমদানি করে নিজেদের লিথিয়ামের চাহিদা মেটাতো, তারাই এখন বিশ্বের অন্যান্য দেশে এই ‘সাদা সোনা’ রপ্তানির স্বপ্ন দেখছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে ডয়েচে ভেলে।

লাতিন আমেরিকার আন্দিজ পর্বতমালা অঞ্চলের দেশ চিলি, আর্জেন্টিনা ও বলিভিয়াতেই পাওয়া যায় বিশ্বের বেশিরভাগ লিথিয়াম। বিশ্বের লিথিয়াম মজুদের প্রায় ৫০ ভাগ আছে বলিভিয়ায় দক্ষিণে আন্দিজ পর্বতমালার একেবারে ওপরের দিকে পটোসি নামে পরিচিত এই অঞ্চলে। দরিদ্র কুইচুরা এবং আমারা আদিবাসীদের এলাকায়ই পাওয়া যায় এই ‘সাদা সোনা’। এর বাইরে অস্ট্রেলিয়াতেও পাওয়া যায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ। এই চার দেশেই মেলে বিশ্বের মোট লিথিয়ামের ৮০ ভাগ। তারাই বিশ্বের বাকি দেশে রপ্তানি করে গুরুত্বপূর্ণ এই খনিজ। এবার তাদের সেই বাজারে ভাগ বসাতে যাচ্ছে জার্মানি।

সম্প্রতি থার্মাল ওয়াটার থেকে লিথিয়াম আহরণের উপায় উদ্ভাবন করেছেন জার্মানির কার্ল্সিগফ্রুহে ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজির (কেটিটি) বিজ্ঞানীরা।

দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমের ওবারাইনগ্রাবেনের (আপার রাইন রিফ্ট ভ্যালি) মাটির গভীর থেকে থার্মাল ওয়াটার তুলে তা থেকে লিথিয়াম বের করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

প্রতিষ্ঠানটির এক বিবৃতিতে জানানো হয়, ‘আমরা প্রতি লিটার (থার্মাল ওয়াটার) থেকে ২০০ মিলিগ্রাম পর্যন্ত লিথিয়াম বের করতে পেরেছি।’

কেটিটির গবেষক ইয়েন্স গ্রিমারের ধারনা, মাটির নিজে যে পরিমাণ লিথিয়ামের সন্ধান পাওয়া গেছে, তার পুরোটা উত্তোলন করা হলে তা দিয়ে জার্মানির চাহিদার অনেকটাই পূরণ করা সম্ভব হবে।

মাটির নীচ থেকে লিথিয়াম উত্তোলনের সহজ একটা প্রযুক্তিও উদ্ভাবন করেছেন ইয়েন্স গ্রিমার ও তার সহকর্মী ফ্লোরেন্সিয়া সারাভিয়া। তাদের নামেই পেটেন্ট করা হয়েছে প্রযুক্তিটির।

সহায়তায় প্রচলিত প্রযুক্তির তুলনায় অনেক সহজে এবং কম সময়ে এই দুই জার্মান বিজ্ঞানীর উদ্ভাবিত প্রযুক্তিতে অনেক বেশি লিথিয়াম তোলা যাবে।

বাংলা/এসএ/

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

Page rendered in: 0.0787 seconds.