• বিদেশ ডেস্ক
  • ৩০ জুলাই ২০২০ ১৪:৩১:২৭
  • ৩০ জুলাই ২০২০ ১৪:৩১:২৭
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

কিডনি পাচার, ‘সিরিয়াল কিলার’ চিকিৎসক দেবেন্দ্র

সবার মাঝে দেবেন্দ্র শর্মা। ছবি: সংগৃহীত

সিনেমায় সিরিয়াল কিলারকে অনেকেই দেখেছেন বা পড়েছেন গল্পে। তেমনি একজন ‘সিরিয়াল কিলার’ দেবেন্দ্র শর্মা (৬২), পেশায় আয়ুর্বেদ চিকিৎসক। অন্তত ১২৫ অবৈধ কিডনি প্রতিস্থাপনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন তিনি। এছাড়াও ৫০টিরও অধিক খুন করেছেন দেবেন্দ্র।

ভারতের দিল্লিসহ একাধিক স্থানে এই কাজ করেন দেবেন্দ্র শর্মা। ১৯৯৪ সাল থেকে ২০০৪ পর্যন্ত অবৈধ কিডনি প্রতিস্থাপনের কাজ করেন। আর ২০০২ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত দু’বছরেই ওই খুন করেন তিনি। ট্রাকচালক ও ট্যাক্সি ড্রাইভাররাই তার খুনের শিকার হন। এই সিরিয়াল কিলারকে নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে নিউজ এইট্টিন।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, অপহরণ, বেআইনি গ্যাস ব্যবসা, বেআইনি কিডনি চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার একাধিক অভিযোগে দেবেন্দ্ররকে দু’বার গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। ২০০৪ সালে কিডনি চক্র পরিচালনার দায়ে গুরুগ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ১৯৯৪ সাল থেকে ২০০৪ পর্যন্ত অন্তত ১২৫ অবৈধ কিডনি প্রতিস্থাপনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন দেবেন্দ্র। সেখানে জামিন পেলে আবারো উত্তরপ্রদেশের আলিগঢ় জেলার পুরেনি গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ।

গত জানুয়ারিতে প্যারোলে মুক্তি পান দেবেন্দ্র শর্মা। এরপর বিয়ে করে সংসার শুরু করে দিল্লির বাপরোলে। সেখানে জমি-বাড়ির ব্যবসা শুরু করেন তিনি। এর ছয় মাস পর তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় দিল্লি পুলিশের অপরাধ দমন শাখা।

দিল্লি পুলিশ জানায়, দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানা ও রাজস্থান সব মিলিয়ে ১০০ বা তারও বেশি খুন করেছেন দেবেন্দ্র। জিজ্ঞাসাবাদে দেবেন্দ্র জানায়, খুন করে দিল্লি সংলগ্নও খালে দেহ ফেলে দেয়া হতো। সেখানে থাকা কুমির দেহ খেয়ে নেয়ায় কোনো সূত্র মিলত না। একই সঙ্গে ট্যাক্সি বা ট্রাকগুলোকে বিক্রি করে দেয়া হতো। তবে কোনো ট্রাক বা গাড়ি বিক্রি না হলে, সেগুলো ভাঙাচোরা জিনিস হিসেবে বিক্রি করে দিতেন।

দেবেন্দ্র বিহারের সিওয়ান থেকে আয়ুর্বেদে ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর ১৯৮৪ সালে জয়পুরে একটি ক্লিনিক খোলেন তিনি। ১৯৯২ সালে গ্যাস ডিলারশিপ প্রকল্পে ১১ লক্ষ বিনিয়োগ করে। কিন্তু ওই ব্যবসায় ব্যাপক ক্ষতি হয় তার। এতে করে প্রবল আর্থিক সংকটে পড়েন তিনি। তারপর থেকেই শুরু করেন প্রতারণা।

বাংলা/এনএস

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

Page rendered in: 0.0749 seconds.