• বিদেশ ডেস্ক
  • ০১ আগস্ট ২০২০ ২১:১৪:৩০
  • ০১ আগস্ট ২০২০ ২১:১৪:৩০
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

করোনা: ওয়াশিং মেশিন-ওভেনে পুড়ছে টাকা

ছবি : সংগৃহীত

করোনাভাইরাস নিয়ে আতঙ্কিত মানুষ। এ আতঙ্ক থেকে মানুষ হাতের সামনে থাকা সব কিছুই স্যানিটাইজ করে নিতে চাইছে। এদিকে কোন কোন জিনিসের উপর এই ভাইরাস কতক্ষণ বাঁচতে পারে তা নিয়েও গাইডলাইন দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। কিন্তু সেই গাইডলাইন যে অক্ষরে অক্ষরে ঠিক তা দাবি করে বলা যাচ্ছে না। ফলে মানুষের মনে আরো বেশি আতঙ্ক সৃষ্টি হচ্ছে।

করোনা ভাইরাস থেকে সুরক্ষা পেতে মানুষ অনেক কিছুই করছে। মাস্ক পড়ছে, স্যানিটাইজার দিয়ে সবসময় হাত ধুয়ে নিচ্ছে। তার ব্যবহারের সব কিছুই ধুয়ে মুছে নিচ্ছে। যারা বেশি আতঙ্কিত তারা প্রতিদিনের ব্যবহার করার জিনিসপত্র থেকেও ভাইরাস তাড়াতে চাইছেন। এতে বিপত্তিও বাধছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার এক ব্যক্তি টাকাকে জীবাণুমুক্ত করতে গিয়ে পড়েছেন বিপদে। তিনি তার ৫০ হাজার ওন (প্রায় ৩১৩৭ টাকা) ঢুকিয়ে দেন ওয়াশিং মেশিনে। এতে টাকার অবস্থা হয়ে পড়ে শোচনীয়।

পরে সেই নষ্ট নিয়ে তিনি হাজির হন ব্যাঙ্ক অফ কোরিয়ায়। কিন্তু ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ তাকে সব টাকা বদলে দেয়নি।

ব্যাঙ্কের তরফে জানানো হয়, বেশি নষ্ট হয়ে যাওয়া নোটগুলো পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। তিনি যে নোটগুলো এনেছেন সেগুলোর অবস্থা খুবই খারাপ ছিল।

এ ঘটনার পর ব্যাংক একটি সতর্ক বিবৃতি প্রকাশ করে। যাতে বলা হয়, টাকা স্যানিটাইজ করার জন্য কেউ যেন সেগুলিকে ওয়াশিং মেশিন বা মাইক্রোওভেনে ঢুকাবেন না।

ব্যাঙ্ক অফ কোরিয়া জানিয়েছে, গত বছর যে পরিমাণ নষ্ট হওয়া নোট তাদের কাছে এসেছিল এবার তার থেকে তিন গুণ বেশি এসেছে। আর করোনার জন্যই এমন হচ্ছে। অনেকেই নোট স্যানিটাইজ করার জন্য সেগুলিকে ওভেনে রেখে তাপ দিচ্ছেন। কেউ ওয়াশিং মেশিনে ঢুকিয়ে দিচ্ছেন।

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রশাসন জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত কয়েক বিলিয়ন ওর(টাকা) নষ্ট হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

Page rendered in: 0.0754 seconds.