• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ০৮ আগস্ট ২০২০ ২২:৩৪:১৯
  • ০৮ আগস্ট ২০২০ ২২:৩৪:১৯
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

পিটিয়ে সিফাতের মুক্তির মানববন্ধন বন্ধ করলো পুলিশ

ছবি : সংগৃহীত

পুলিশের গুলিতে নিহত মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খানের তথ্যচিত্রের চিত্রগ্রাহক ও প্রত্যক্ষদর্শী সাহেদুল ইসলাম সিফাতের মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছে সহপাঠিরা। এতে লাঠিচার্জ করেছে পুলিশ। পুলিশের লাঠির আঘাতে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহতের খবর পাওয়া গেছে। বামনা থানার ওসির বিরুদ্ধে লাঠিচার্জের অভিযোগ করেছেন আহত ও প্রত্যক্ষদর্শীরা। 

৮ আগস্ট, শনিবার দুপুরে সিফাতের নিজ বাড়ি বরগুনার বামনা উপজেলায় সিফাতের মুক্তির দাবিতে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন শুরু করে তার সহপাঠিরা। এ সময় পুলিশ এসে প্রথমে মানববন্ধনের ব্যানার ও মাইক ছিনিয়ে নেয়। পরে লাঠিচার্জ করে মানববন্ধন পণ্ড করে দেন পুলিশ।

মানববন্ধনের পুলিশের লাঠিচার্জের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

জানা যায়, সিফাতের বন্ধুরা মানববন্ধন চালিয়ে গেলে বামনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইলিয়াস আলী তালুকদার এসে শিক্ষার্থীদের লাঠিপেটা শুরু করে। এতে ৪ জন শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়। আহতরা হলেন- মো. রুবেল, ইমরান, রায়হান ও মিথুন।

পুলিশের লাঠিচার্জে আহত মো. রুবেল বলেন, ‘আমরা আমাদের বন্ধুর মুক্তির জন্য মানববন্ধনে দাঁড়িয়েছি। আমরা শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করছিলাম। এর আগে আমরা মানববন্ধনের জন্য পুলিশকে জানালে তারা আমাদের মানববনন্ধন করতে দেয়নি। আজ যখন শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন শুরু করেছি তখন প্রথমে পুলিশ এসে আমাদের ব্যানার নিয়ে যায়। পরে ওসি ইলিয়াস এসে ওসি প্রদীপের চেয়েও ভয়ংকর রূপ ধারন করে আমাদের উপর লাঠিচার্জ করেন।’

উল্লেখ্য, গত ৩১ জুলাই রাত ৯টায় টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর পুলিশ চেকপোস্টে এক পুলিশ কর্মকর্তার গুলিতে নিহত হন অবসরপ্রাপ্ত সেনাবাহিনীর মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান। পরে পুলিশ সিনহার সফরসঙ্গী সাহেদুল ইসলাম সিফাতকে মাদক ও পুলিশের দিকে অস্ত্র তাক করার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়।

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.3350 seconds.