• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ১১ আগস্ট ২০২০ ১১:১৮:৩৪
  • ১১ আগস্ট ২০২০ ১৩:৩১:৪০
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

বাতিল হচ্ছে এবারের জেএসসি-পিইসি

ছবি : সংগৃহীত

নভেল করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) মহামারীর কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ হয়ে রয়েছে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো। চার মাসের বেশি সময় ধরে স্থবির হয়ে আছে শিক্ষার সাথে সংশ্লিষ্ট সকল কার্যক্রম।

অনলাইন ক্লাস নিয়ে সম্প্রতি বেশ তোড়জোড় শুরু হলেও তা ফলপ্রসূ না হওয়ায় দুশ্চিন্তা বেড়েছে সংশ্লিষ্ট মহলের। এরই মধ্যে সংকট আরো বাড়িয়েছে স্থগিত পাবলিক পরীক্ষাগুলো। এরই মধ্যে চলতি বছরের জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) এবং মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী (ইইসি)ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা বাতিলের নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এসব বিষয় নিয়ে গত সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

এদিকে সমাপনী পরীক্ষা না হলেও এই দুই স্তরের শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষা নেয়া হবে বলে জানা গেছে। এই ফলাফলের ওপর ভিত্তি করেই পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের একটি অংশকে মেধাবৃত্তি দেয়ার চিন্তা করছে সরকার।

আগামী সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বরের মধ্যে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া সম্ভব হলে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে ডিসেম্বরে বার্ষিক পরীক্ষা নেয়া হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। তবে ডিসেম্বরের মধ্যে তা সম্ভব না হলে শিক্ষার্থীদের পরবর্তী শ্রেণিতে ‘অটো-পাস’ দিয়ে তুলে দেয়া হবে।

এই উভয় ক্ষেত্রেই পাঠ্যবই বা সিলেবাসের যে অংশটুকু পড়ানো সম্ভব হবে না তার অত্যাবশ্যকীয় পাঠ পরের শ্রেণিতে দেয়া হবে। এজন্য জাতীয় পাঠ্যক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) ‘কারিকুলাম ম্যাপিং’ করে দেবে। এ লক্ষ্যেই আগামীকাল ১২ আগস্ট, বুধবার এনসিটিবিতে কারিকুলাম বিশেষজ্ঞদের বৈঠক শুরু হচ্ছে।

এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মাহবুব হোসেন বলেন, ‘মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে শিক্ষায় যে ক্ষতি হয়েছে তা পূরণে বিশেষ করে সামনে কোনো মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিলে কী ধরনের পদক্ষেপ নিতে হবে, সে সংক্রান্ত একটা খসড়া প্রস্তাব আমরা পেয়েছি। মতামতকে আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। এ নিয়ে এনসিটিবি কাজ করবে।’

আর একাধিক বিকল্পের কথা জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষার সিনিয়র সচিব আকরাম-আল-হোসেন।

তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের আমরা ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে চাই না। তাই সব স্বাভাবিক হলেই তারা স্কুলে যাবে। যেহেতু কবে প্রতিষ্ঠান খোলা যাবে তা আমরা জানি না।’

তাই একাধিক বিকল্প হাতে রেখে শিক্ষা কার্যক্রম শুরুর পরিকল্পনা তৈরির কাজ চলছে বলেও জানান তিনি।

বাংলা/এসএ/

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.1394 seconds.